মিসর ও সিরিয়ার মুসলিম সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবির রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও সামরিক দক্ষতা তাকে সমগ্র মুসলিম বিশ্বের প্রশংসা এনে দেয়। ইসলামী শক্তিগুলোকে ঐক্যবদ্ধ করে তিনি ক্রুসেডার রাজ্যগুলোর ওপর সবচেয়ে ভয়াবহ আঘাত হানেন। হাত্তিনের যুদ্ধে বিশাল খ্রিস্টান সেনাবাহিনীকে পরাজিত করেন এবং ১১৮৭ সালে তাদের কাছ থেকে জেরুজালেম পুনরুদ্ধার করেন।
কিন্তু সালাউদ্দিনের বিশেষত্ব কেবল এখানেই নয়, তিনি ইতিহাসে এক বিরল উদাহরণ, যিনি তীব্র যুদ্ধের এক পক্ষের নেতৃত্ব দিলেও তার প্রতিপক্ষরাও তাকে সম্মান করত। যুদ্ধে তার তেজস্বিতা ও পরাজিত শত্রুদের প্রতি তার উদারতা তাকে ইউরোপে ‘শৌর্যবান নাইট’ হিসেবে খ্যাতি এনে দেয়—এ ভাবমূর্তি আজও পশ্চিমা চিন্তায় টিকে আছে।
মিসরে যাত্রা
সালাউদ্দিনের সামরিক জীবন শুরু হয় যখন তিনি তার চাচা সিরকোহের সঙ্গে মিসর অভিযানে যোগ দেন। ১১৬৩ সালে মিসরের উজির (প্রধানমন্ত্রী) শাওয়ারকে তার পদ থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। তিনি দামেস্কে এসে প্রতিশ্রুতি দেন যদি নূরউদ্দিন তাকে পুনর্বহাল করেন, তবে মিসরের আয়ের এক-তৃতীয়াংশ উপঢৌকন দেবেন।
সে সময় মিসর ছিল ফাতেমি খলিফাদের অধীনে, যারা ছিলেন শিয়া মুসলমান। আর সিরিয়া ছিল সুন্নি খলিফা বাগদাদের আনুগত্যে। নূরউদ্দিন বুঝেছিলেন, যদি খ্রিস্টান ক্রুসেডাররা মিসর দখল করে, তবে সিরিয়ার পতন অবশ্যম্ভাবী। তাই তিনি সিরকোহ ও সালাউদ্দিনকে সেখানে পাঠান।
যখন তারা মিসরে পৌঁছান, শাওয়ার এরই মধ্যে ক্ষমতায় ফিরে গেছেন এবং তাদের প্রয়োজন ফুরিয়েছে। তিনি সেনাদের টাকা দিতে অস্বীকার করেন। সিরকোহ না ফিরলে শাওয়ার সাহায্যের জন্য জেরুজালেমের খ্রিস্টান রাজা আমালরিককে ডাকেন। ফলে তিন দিক থেকে সংঘর্ষ শুরু হয়, যেখানে সালাউদ্দিন যুদ্ধের মূল্যবান অভিজ্ঞতা অর্জন করেন।
শেষে খ্রিস্টানরা পরাজিত হয়, শাওয়ার নিহত হন, সিরকোহ মিসরের উজির বা প্রধান হন—আর সালাউদ্দিন তার প্রধান সহকারী। তিন মাস পর সিরকোহ মারা যান, আর ফাতেমি খলিফা সালাউদ্দিনকে নতুন মিসরের উজির (প্রধান) ঘোষণা করেন।
ক্ষমতার জটিলতা
সালাউদ্দিন যখন ক্ষমতার আসনে, কিন্তু তিনদিকের দায়িত্বে আবদ্ধ— নূরউদ্দিন, বাগদাদের খলিফা (সুন্নি) ও কায়রোর ফাতেমি খলিফা (শিয়া)। এর মধ্যে মিসরের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতাও বেড়ে যায়। কেউ কেউ বিদ্রোহের চেষ্টা করে, বাইজেন্টাইন ও ক্রুসেডাররাও সুযোগ খোঁজে। সালাউদ্দিন বুদ্ধিমত্তা ও দৃঢ় প্রশাসনের মাধ্যমে পরিস্থিতি সামলে নেন। তবে তার সাফল্য দেখে নূরউদ্দিন সন্দেহ করতে শুরু করেন যে সালাউদ্দিন হয়তো অতিরিক্ত ক্ষমতাশালী হয়ে উঠছেন।

ত্রয়োদশ শতাব্দীর ক্রনিকা মেজরারিতে হাত্তিনের যুদ্ধ ছবি: কর্পাস ক্রিস্টি কলেজ, কেমব্রিজ
১১৭১ সালে সালাউদ্দিন সাহসী পদক্ষেপ নেন। তিনি ফাতেমি খলিফাকে অপসারণ করে বাগদাদের সুন্নি খলিফাকে স্বীকৃতি দেন। এর মধ্য দিয়েই মিসর আবার মূলধারার ইসলামে ফিরে আসে।
১১৭৪ সালে নূরউদ্দিন মারা গেলে সালাউদ্দিন শুধু একজন ঈর্ষান্বিত সিনিয়রের চাপ থেকে মুক্তই হননি, বরং সিরিয়ায় সৃষ্ট ক্ষমতার শূন্যতা তার সামনে নিজেকে সুসংহত করতে নতুন সুযোগও এনে দেয়। এরই মধ্যে সালাউদ্দিন দৃঢ়সংকল্প এক ধর্মযোদ্ধায় পরিণত হন। তিনি জানতেন—ক্রুসেডারদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ শুরু করার আগে মুসলমানদের ঐক্যবদ্ধ করাই হবে তার প্রথম কাজ। দীর্ঘ সংগ্রামের বছর সামনে অপেক্ষা করছিল, তবু তিনি একে একে দামেস্ক, আলেপ্পো ও মসুল মুসলিম শাসকদের কাছ থেকে দখল করে নেন।
ক্রুসেডারদের মুখোমুখি
১১৮০ সালের মে মাসে সালাউদ্দিন জেরুজালেমের রাজা বল্ডউইন চতুর্থের সঙ্গে এক শান্তিচুক্তি স্বাক্ষর করেন। সে সময় চুক্তিটি ছিল যৌক্তিক, কারণ একটানা যুদ্ধ ও অনিশ্চিত সংঘর্ষে উভয় পক্ষই ক্লান্ত হয়ে পড়েছিল এবং অভ্যন্তরীণ অস্থিরতায় শান্তির বিরতি তখন সবার কাছেই স্বস্তিদায়ক মনে হয়েছিল।
তবে চুক্তি হলেও পারস্পরিক শত্রুতা ও যুদ্ধপ্রবণ মনোভাব রয়ে যায়। ক্রমাগত উসকানি ও সংঘাত আবারো শান্তি ভঙ্গ করে। এর মধ্যে সবচেয়ে বড় উসকানিদাতা ছিলেন রেনো দ্য শাতিয়োঁ। তার দুর্গ, মোয়াবের কেরাক থেকে তিনি একের পর এক মুসলিম কাফেলায় লুট ও হামলা চালাতে থাকেন। এতে সালাউদ্দিন প্রচণ্ড ক্ষুব্ধ হন। তিনি রাজা বল্ডউইনের কাছে অভিযোগ করেন, কিন্তু রাজা তখন কুষ্ঠরোগে ভুগছিলেন এবং রেনোকে থামানোর মতো শক্তি বা নিয়ন্ত্রণ তার ছিল না। ফলে যুদ্ধ আবার শুরু হয়।
সালাউদ্দিন ১১৮৩ সালে আলেপ্পো দখল করেন এবং রেনোর দুর্গ কেরাক অবরোধ করেন। সে সময় জেরুজালেমের রাজ্য ভেতর থেকে দুর্বল হয়ে পড়েছিল—রোগাক্রান্ত রাজা, রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ও উত্তরাধিকারের বিরোধে তারা ভীষণভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়। অন্যদিকে মুসলিম নেতা সালাউদ্দিনের শক্তি ক্রমেই বাড়তে থাকে।
১১৮৬ সালের মধ্যে সালাউদ্দিন সিরিয়া, উত্তর মেসোপটেমিয়া, ফিলিস্তিন ও মিসরের মুসলিম অঞ্চলগুলো একত্র করে নিজের অধীনে আনেন। তার অটল জিহাদের মনোভাব এবং ঐক্যের নীতির মাধ্যমে অতীতের মুসলমানদের পারস্পরিক বিভেদ ও প্রতিদ্বন্দ্বিতা দূর করতে সক্ষম হন। সালাউদ্দিন এক অদম্য শক্তিতে পরিণত হন।
ঠিক সে বছরেই গাই দে লুজিনাঁ জেরুজালেমের রাজা হন। কিন্তু তিনি ছিলেন অদূরদর্শী, অভিজ্ঞতাহীন ও সালাউদ্দিনের মতো প্রতিপক্ষের মুখোমুখি হওয়ার জন্য একেবারেই অযোগ্য। তার একমাত্র পরিচয় ছিল তিনি রাজা বল্ডউইনের বোনের স্বামী। অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব, হিংসা আর স্বার্থপরতায় জর্জরিত ক্রুসেডাররা বুঝতেও পারেনি—তারা দুর্বল নেতৃত্বের কারণে শিগগিরই ভয়াবহ মূল্য দিতে চলেছেন।
সালাউদ্দিন প্রায় ৩০ হাজার সৈন্যের বিশাল সেনাবাহিনী নিয়ে গ্যালিলি আক্রমণ করেন এবং টাইবেরিয়াস শহর (বর্তমান ইসরায়েলের উত্তরাঞ্চল) অবরোধ করেন। এটি ছিল এক কৌশলগত ফাঁদ। তিনি চেয়েছিলেন খ্রিস্টান বাহিনীকে এমন জায়গায় টেনে আনতে, যেখানে তিনি তাদের নিশ্চিহ্ন করতে পারবেন।
রাজা লুজিনাঁ প্রায় ২০ হাজার পদাতিক এবং দুই হাজার নাইট নিয়ে সাফোরির কাছে সেনাবাহিনী জড়ো করেন। তাদের অর্ধেকই ছিল বিখ্যাত ধর্মীয় সামরিক সংঘ—‘নাইটস টেম্পলার’ ও ‘হসপিটালার’ (ক্রুসেড যুগে প্রতিষ্ঠিত খ্রিস্টান সামরিক ধর্মীয় সংঘ) দলের সদস্য।
হাত্তিনের পাহাড়
টাইবেরিয়াস শহরের পথে, ক্রুসেডারদের অবস্থানের মাঝখানে ছিল এক বিশাল শুষ্ক সমতল ভূমি, যা জুলাইয়ের তীব্র গরমে পুড়ে যাচ্ছিল। সেখানে পানির কোনো উৎসই ছিল না। এ অবস্থায় সালাউদ্দিনের হালকা অস্ত্রে সজ্জিত অশ্বারোহীরা স্পষ্ট সুবিধাজন অবস্থানে ছিল। তিনি আগেই ভবিষ্যদ্বাণী করেছিলেন যদি খ্রিস্টান সেনারা তার ফাঁদে পা দেয়, তবে তাদের সম্পূর্ণ ধ্বংস অবশ্যম্ভাবী। কিন্তু রাজা লুজিনাঁ অন্যদের দ্বারা প্রভাবিত হন, বিশেষ করে রেনো দ্য শাতিয়োঁ এবং জেরার দ্য রিডেফোর্ট, যিনি নাইটস টেম্পলারের প্রধান ছিলেন; তাদের উগ্র মনোভাব ছিল এমন, যেকোনো সতর্কতা তাদের প্রভাবিত করতে পারেনি।
ভোরে সেনারা যাত্রা শুরু করে। তারা তপ্ত সূর্যের নিচে দগ্ধ সমতল ভূমি পেরিয়ে গ্যালিলি হ্রদের পশ্চিম পাহাড়ি পথে অগ্রসর হয়। কারো সঙ্গে পানিবাহী গাড়ি ছিল না, চামড়ার পানির পাত্রগুলো দ্রুত ফুরিয়ে যায়। সূর্যের উত্তাপ তাদের বর্মের ভিতর ঝলসে দেয়, আর সৈন্যরা তৃষ্ণা ও ক্লান্তিতে জর্জরিত হয়ে পড়ে।
তার ওপর শত্রুরা দূর থেকে অসংখ্য তীর ছুড়ে আক্রমণ করে সরে যায়, ফলে ক্লান্ত ও তৃষ্ণার্ত ক্রুসেডাররা পাল্টা আঘাত হানার সুযোগই পায়নি। এ ‘আঘাত করে সরে যাওয়া’ কৌশল ও পেছনের দিকের আক্রমণ তাদের দুঃখ-যন্ত্রণাকে আরো দীর্ঘায়িত করে।
শেষমেশ নিঃশেষিত সৈন্যদল গ্যালিলি হ্রদের ওপরে এক পাহাড় চূড়ার নিচে শিবির স্থাপন করে। স্থানটির নাম ছিল ‘হাত্তিনের পাহাড়’—এক সময়ের নিষ্ক্রিয় আগ্নেয়গিরির লাভা থেকে তৈরি অনুর্বর ভূমি, যার কালো পাথর ও ঝোপঝাড় ঘোড়া চলাচলের জন্য বিপজ্জনক ছিল।
রাতটি তারা কাটায় ভয়াবহ তৃষ্ণায় কাতর হয়ে, সামনে ঝলমলে হ্রদের স্বচ্ছ জল দেখেও কিছুই করতে পারেনি। কারণ নিচের পথজুড়ে সালাউদ্দিনের সেনাবাহিনীর শিবির বিস্তৃত ছিল।
হাত্তিনের যুদ্ধ (৪ জুলাই, ১১৮৭)
ভোর হলে খ্রিস্টান সেনারা হ্রদের দিকে এগোনোর চেষ্টা করে, কিন্তু সালাউদ্দিন আগেই রাতের অন্ধকারে তার সৈন্যদের সামনে এগিয়ে আনে। তারা শুকনা ঘাসে আগুন ধরিয়ে দেয়, আর ধোঁয়ায় ভরে ওঠে পুরো ক্রুসেডার শিবির। তৃষ্ণায় উন্মত্ত পদাতিক সেনারা অন্ধভাবে সামনে দৌড়ায়, কিন্তু মুসলিম বাহিনীর শক্ত দেয়ালে তারা প্রতিহত হয়। নাইটরা একের পর এক আক্রমণ চালায়, ঘুরে আবার ঝাঁপিয়ে পড়ে। কিন্তু মুসলিম সারি ভেদ করতে সক্ষম হয়নি।
সারাদিন যুদ্ধ চলে। ক্রুসেডাররা এমন সাহস ও সহনশক্তি প্রদর্শন করে যে সালাউদ্দিন নিজেও মুগ্ধ হন। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সব ব্যর্থ হয়।
ত্রিপোলির কাউন্ট রেমন্ড তৃতীয় কিছু ভারী বর্মধারী নাইটসহ শত্রু ঘেরাও ভেঙে বেরিয়ে যেতে সক্ষম হন এবং ত্রিপোলির দিকে রওনা দেন। রাজা লুজিনাঁ তার এ সরে যাওয়াকে অনুমোদন দিয়েছিলেন, যাতে অন্তত কেউ ভবিষ্যতের যুদ্ধের জন্য জীবিত থাকে। পরের দিন বাকি সৈন্যরা শেষ প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। কিন্তু তাদের সেনাদল ছিন্নভিন্ন হয়ে যায়, ক্লান্ত ও পানির অভাবে অক্ষম সৈন্যরা শেষে আত্মসমর্পণ করতে বাধ্য হন।
উপকূল দখল ও জেরুজালেম অভিযান
হাত্তিনের যুদ্ধে বিজয়ের পর সালাউদ্দিন দ্রুত ফিলিস্তিনের উপকূলীয় শহরগুলো দখল করতে থাকেন—আক্রা, গ্যালিলি, সামারিয়া সবই তার হাতে আসে। শুধু টায়ার ও জেরুজালেম টিকে থাকে। টায়ার অবরোধে ব্যর্থ হয়ে তিনি জেরুজালেমের দিকে অগ্রসর হন। শহরটির দায়িত্বে ছিলেন ইবেলিনার বালিয়ান, যার কাছে সৈন্য ছিল খুবই অল্প। তবু তিনি প্রতিরোধের প্রস্তুতি নেন।
২০ সেপ্টেম্বর সালাউদ্দিন অবরোধ শুরু করেন। টাওয়ার অব ডেভিডে আক্রমণ ব্যর্থ হলে তিনি মাউন্ট অব অলিভসে গিয়ে দেয়াল ভাঙতে শুরু করেন। তিনদিনের মধ্যে প্রাচীর ভেঙে যায়। শহর হারানোর আশঙ্কায় বালিয়ান সালাউদ্দিনের সঙ্গে আলোচনায় বসেন।
সালাউদ্দিন প্রথমে বলেছিলেন, তিনি শহর তলোয়ারের জোরে নেবেন। কিন্তু যখন বালিয়ান বলেন, আমরা শহর পুড়িয়ে দেব, পবিত্র স্থানগুলো ধ্বংস করব, কেউ বাঁচবে না, এমন ঘোষণার পরিপ্রেক্ষিতে সালাউদ্দিন দয়া দেখান। তিনি জানালেন, টাকা দিয়ে মুক্তি পাওয়া যাবে: প্রতি পুরুষের জন্য ১০ দিনার, নারীর জন্য ৫, শিশুর জন্য ১ দিনার।
রিচার্ড দ্য লায়নহার্ট
জেরুজালেম দখলের খবর ইউরোপে পৌঁছলে সবাই হতবাক হয়। পোপ নতুন এক ক্রুসেড ঘোষণা করেন—‘তৃতীয় ক্রুসেড’ (১১৮৯-৯২) নামে পরিচিত। এতে অংশ নেন তিনজন রাজা: ইংল্যান্ডের রিচার্ড প্রথম (রিচার্ড দ্য লায়নহার্ট), ফ্রান্সের ফিলিপ দ্বিতীয় এবং জার্মানির সম্রাট ফ্রেডরিক বারবারোসা।
ফ্রেডরিক পথেই মারা যান, ফিলিপ দেশে ফিরে যান, কিন্তু রিচার্ড পবিত্র ভূমিতে এসে পৌঁছান ১১৯১ সালে। রিচার্ড ও সালাউদ্দিন দুই মহাযোদ্ধার মুখোমুখি লড়াই তখন বিশ্বকে মুগ্ধ করে।
দুজনই প্রতিপক্ষকে সম্মান করতেন। অনেক যুদ্ধের পর অবশেষে তারা এক চুক্তিতে পৌঁছান—খ্রিস্টানরা জাফা থেকে টায়ার পর্যন্ত উপকূলীয় অঞ্চল রাখবে এবং তারা জেরুজালেমে তীর্থযাত্রা করতে পারবে। তবে শহরটি সালাউদ্দিনের হাতেই থাকবে।
[জাস্টিন ডি. লায়ন্সের ‘হাউ সালাদিন বিকাম আ সাকসেসফুল ওয়ার লিডার’ শীর্ষক নিবন্ধটি হিস্টরিনেট ডটকমে ২০২৪ সালের ২০ ফেব্রুয়ারি প্রকাশিত হয়।
সংক্ষেপিত ভাষান্তর: নীরব হাসান]








