বাংলাদেশের মধ্য ও উত্তরাঞ্চলের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ জেলা ময়মনসিংহ। এটি জেলা গঠিত হয় ১৭৮৭ সালে। পূর্বনাম ছিল নাসিরাবাদ। ময়মনসিংহ উপমহাদেশের প্রাচীনতম জেলার অন্যতম। একসময় ভারতীয় উপমহাদেশের সর্ববৃহৎ জেলা হিসেবে এর খ্যাতি ছিল। পরে বৃহত্তর ময়মনসিংহকে ভেঙে ছয়টি জেলা তথা কিশোরগঞ্জ, জামালপুর, টাঙ্গাইল, নেত্রকোনা, শেরপুর ও ময়মনসিংহ করা হয়। ভৌগোলিক অবস্থান, ইতিহাস, সমাজ, রাজনীতি এবং নিজস্ব সমৃদ্ধ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যের কারণে এ জেলা বিশেষ বৈশিষ্ট্যপূর্ণ। ব্রিটিশবিরোধী বিভিন্ন আন্দোলন, পাগলপন্থী বিদ্রোহ, ফকির বিদ্রোহ, টংক আন্দোলন, তেভাগা আন্দোলন, কৃষক আন্দোলনে এ অঞ্চলের মানুষ সক্রিয় ভূমিকা রাখে।
ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন
ব্রিটিশ আমলে বাংলা অঞ্চলে ফকির-সন্ন্যাসী প্রতিরোধ ছিল ব্রিটিশ ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানির আধিপত্যের বিরুদ্ধে মুসলিম ফকির (সুফি) ও হিন্দু যোগী সন্ন্যাসীদের সম্মিলিত সশস্ত্র প্রতিরোধ আন্দোলন। ১৭৬০ সালের দিকে এ আন্দোলন শুরু হয়। পরবর্তী ৪০ বছর ধরে এটি চলমান ছিল।
ইতিহাসবিদ সিরাজুল ইসলাম সম্পাদিত বাংলাপিডিয়া থেকে জানা যায়, ইস্ট ইন্ডিয়া কোম্পানি প্রবর্তিত বিধিমালা দ্বারা মুসলিম ফকির ও হিন্দু সন্ন্যাসীদের জীবনযাত্রা বিভিন্নভাবে ব্যাহত ও বাধাগ্রস্ত হয়। ফলে তারা সশস্ত্র প্রতিরোধ গড়ে তোলে। ফকির ও সন্ন্যাসীরা প্রধানত গ্রামাঞ্চলে তাদের অনুসারী ও সহমর্মী জনগণের নিকট থেকে দান গ্রহণ করে জীবনধারণ করতেন। কোম্পানি শাসকরা দেশের ধর্মীয় রীতিনীতি ও আনুষ্ঠানিকতা সম্পর্কে অবগত ছিল না; সে কারণে ফকির-সন্ন্যাসীদের দান গ্রহণকে তারা জনসাধারণের নিকট থেকে অননুমোদিত অর্থ আদায় বলে ঘোষণা করে। এরপর কোম্পানি ফকির-সন্ন্যাসীদের দান গ্রহণের ওপর নিষেধাজ্ঞা জারি করে। ফলে ফকির-সন্ন্যাসীরা ইংরেজ শাসকদের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ আন্দোলন শুরু করে। এ প্রতিরোধ আন্দোলন দেশের কৃষক শ্রেণীর স্বতঃস্ফূর্ত সমর্থন লাভ করে। কারণ তারাও কোম্পানি কর্তৃক প্রবর্তিত নতুন ভূমি রাজস্বনীতির অধীনে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছিল।
১৭৬৩-৮৭ সাল পর্যন্ত বাংলার ফকির সম্প্রদায়ের দলপতি শাহ মস্তান বুরহানা উত্তর বাংলা ও পূর্ব বাংলার ময়মনসিংহ জেলার বিস্তীর্ণ অঞ্চলে ব্রিটিশবিরোধী বিভিন্ন কর্মসূচিতে নেতৃত্ব দেন। এ সময় তার দুঃসাহসী ও ঘন ঘন আক্রমণ ব্রিটিশ শাসকদের খুবই উদ্বিগ্ন করে তোলে।
১৭৭০-৭১ সালে দিনাজপুর, রংপুর ও ময়মনসিংহ জেলায় ফকির সন্ন্যাসীরা ইংরেজবিরোধী কার্যক্রমে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলে। একপর্যায়ে ব্রিটিশ সেনারা ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের দিনাজপুর জেলা থেকে বিতাড়িত করতে সক্ষম হয়। এর পরিপ্রেক্ষিতে ফকির-সন্ন্যাসীরা ময়মনসিংহ জেলার মধুপুর জঙ্গলে আশ্রয় এবং ঘাঁটি স্থাপন করে। ১৭৭৩ সালের ১ মার্চ ক্যাপ্টেন অ্যাডওয়ার্ডের নেতৃত্বে ব্রিটিশ সেনাদল মধুপুরের গভীর জঙ্গলে ফকির-সন্ন্যাসী বাহিনীকে আকস্মিক আক্রমণ করে, কিন্তু সুবিধা করতে পারেনি। ফকির-সন্ন্যাসীদের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধে ব্যাপকভাবে বিপর্যস্ত হয় কোম্পানির সেনারা। যুদ্ধে ব্রিটিশ ক্যাপ্টেন অ্যাডওয়ার্ড পরাজিত ও নিহত হন। এরপর ১৭৭৬ সালে ব্রিটিশদের সঙ্গে ফকির-সন্ন্যাসীদের মধ্যে আরেকটি যুদ্ধ হয়। ১৭৮১ খ্রিস্টাব্দে মধুপুর জঙ্গলে ফকির-সন্ন্যাসীরা ব্রিটিশবিরোধী কার্যক্রম অব্যাহত রাখে। ফলে ময়মনসিংহ জেলায় নৈরাজ্যের সৃষ্টি হয়।
এ সময় ময়মনসিংহের জমিদাররা ফকির-সন্ন্যাসীদের বিরুদ্ধে ব্রিটিশ সরকারের সাহায্য চান। ব্রিটিশ সরকার হেনরি লজের অধীনে ময়মনসিংহে সেনা প্রেরণ করে এবং সেনাদলটি বেগুনবাড়িতে ঘাঁটি স্থাপন করে। ১৭৮২ সালে চরকায়থ নামক স্থানে হেনরি লজ ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের আক্রমণ করেন। এ যুদ্ধে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীরা পরাজিত হয়ে আবার মধুপুরের জঙ্গলে আশ্রয় গ্রহণ করে। ১৭৮৩ খ্রিস্টাব্দে মজনু শাহ এক হাজার সশস্ত্র অনুচরসহ ময়মনসিংহে প্রবেশ করেন। কিন্তু ব্রিটিশ সরকার মজনুর বিরুদ্ধে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা গ্রহণের কারণে মজনু শাহ অতি অল্প সময়ের মধ্যে ময়মনসিংহ ত্যাগ করতে বাধ্য হন।
১৭৮৪ সালে উভয় পক্ষ বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধে লিপ্ত হয়। অবশেষে হেনরি লজ ময়মনসিংহ জেলা থেকে ফকির-সন্ন্যাসী বিদ্রোহীদের বিতাড়িত করতে সক্ষম হন। ১৭৮২ সালের এক প্রতিবেদনে ক্যাপ্টেন হেনরি লজ ময়মনসিংহ জেলায় ফকির-সন্ন্যাসীদের তৎপরতা সম্পর্কে উল্লেখ করেছেন। গুডল্যান্ড অন্য এক প্রতিবেদনে উল্লেখ করেন, মোহান্তনগিরি, বাবুইগিরি, ভবানীগিরি এবং আরো কয়েকজন নায়কের নেতৃত্বে সন্ন্যাসীরা ময়মনসিংহ জেলায় তৎপর ছিলেন।
ওয়ারেন হেস্টিংসের আমলে ফকির ও সন্ন্যাসীদের কার্যক্রমকে প্রতিরোধ করা ব্রিটিশদের পক্ষে সম্ভব হয়নি। মজনু শাহ যতদিন জীবিত ছিলেন ততদিন তিনি প্রবল পরাক্রমে তার প্রতিরোধ কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছেন। তার মৃত্যুর পর তার বংশধর বা অনুসারীরা তার মতো শৌর্য-বীর্যের অধিকারী বা সাহসী না হওয়ায় ব্রিটিশ শাসকদের কাছে পরাজয় বরণ করে বশ্যতা স্বীকার করতে বাধ্য হন অথবা নিহত বা কারারুদ্ধ হন।
লর্ড কর্নওয়ালিসের সময় ফকির-সন্ন্যাসীদের কার্যক্রম বা বিদ্রোহের সমাপ্তি ঘটে। এর মাধ্যমে ব্রিটিশ শাসন উত্তরাঞ্চলে সুদৃঢ় ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত হয়।
ইতিহাসবিদ উইলিয়াম ভ্যান শেনডেল প্রক্রিয়াটি বিশ্লেষণ করে বলেছেন, ‘ব্রিটিশরা ১৭৬০-এর দশকে ময়মনসিংহ অঞ্চল দখল করলেও তাদের কার্যকর শাসন প্রতিষ্ঠা করতে লেগেছিল প্রায় ৭০ বছর। এর মধ্যে বিভিন্ন স্থানীয় গোষ্ঠী তাদের বিরুদ্ধে কার্যকর প্রতিরোধ গড়ে তোলে, ফলে ব্রিটিশ প্রভাব বিস্তার ধীরে এগোতে বাধ্য হয়।’
পাগলপন্থী ও গারো কৃষকদের বিদ্রোহ
১৮২৫-৩৩ সাল পর্যন্ত বৃহত্তর ময়মনসিংহ জেলার শেরপুর অঞ্চলে কৃষক সমাজের ওপর কোম্পানির রাজস্ব বিভাগের মুৎসুদ্দি, কর্মকর্তা ও জমিদারদের অত্যাচার-শোষণের প্রতিবাদে গড়ে ওঠা প্রতিরোধ- ইতিহাসে পাগলপন্থী ও গারো কৃষকদের বিদ্রোহ হিসেবে খ্যাত। সমকালীন অন্যান্য আন্দোলনের মতো এটি প্রকৃতিগতভাবে ছিল বিক্ষিপ্ত, সহজাত, অপরিকল্পিত, স্থানীয়, ভূমিসংক্রান্ত ও ধর্মীয়। প্রথম পর্যায়ে আন্দোলনটি পরিচালিত হয় জমিদারদের বিরুদ্ধে এবং পরবর্তী পর্যায়ে এটি ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলনে রূপ নেয়।
করিম শাহ ছিলেন পাগলপন্থী সম্প্রদায়ের প্রতিষ্ঠাতা পুরুষ। গোত্রীয়ভাবে সম্ভবত তিনি ছিলেন পাঠান এবং ১৭৭৫ সালের দিকে তিনি উত্তর ময়মনসিংহ জেলার সুসং পরগনার লেতারকান্দা গ্রামে বসবাস শুরু করেন। স্থানীয় সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে তিনি ইসলামের এক জনপ্রিয় ব্যাখ্যা দেন। ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সর্বস্তরের মানুষ তার প্রচারে আকৃষ্ট হয়। তার শিষ্যদের মধ্যে হিন্দু, মুসলিম ও প্রকৃতি পূজারিও ছিল।
১৮১৩ সালে করিম শাহ মারা যান। তার মৃত্যুর পর পুত্র টিপু শাহ ওরফে টিপু পাগলা উত্তরাধিকার সূত্রে পাগলপন্থীদের নেতৃত্ব পান।
গারো ও হাজং গোত্রের লোকেরা ময়মনসিংহ জেলার উত্তর-পূর্বাংশে বসবাস করে। স্থানীয় হিন্দু জমিদারদের অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে গারোরা বিদ্রোহী হয়ে ওঠে। জমিদারদের আরোপিত করদায়ে জর্জরিত হয়ে তারা কোম্পানির শাসনের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ ঘোষণা করতে বাধ্য হয়। ১৮০২ সালে তারা প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণা করে। কিন্তু এ বিদ্রোহে তেমন সফলতা আসেনি। অতঃপর জমিদাররা আরো অত্যাচারী হয়ে ওঠে এবং গারোদের ওপর নতুন কর ধার্য করা হয়।
এরই মধ্যে টিপু পাগলা নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হন। তখন গারোরা টিপু পাগলার নেতৃত্বে বিদ্রোহ ঘোষণা করে। ফলে টিপু পাগলার নেতৃত্বে গারোদের সঙ্গে জমিদারদের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে জমিদাররা পরাজিত হয়ে শেরপুর থেকে পালিয়ে যায়। পরে ব্রিটিশ সেনাবাহিনীর সঙ্গে টিপু পাগলার নেতৃত্বে যুদ্ধ হয়। যুদ্ধে তিনি পরাজিত হলে ১৮২৭ সালে তাকে বন্দি করা হয়। জেলে থাকাকালে টিপু পাগলা ১৮৫২ সালে মারা যান। এভাবে ঊনবিংশ শতাব্দীর একজন বিখ্যাত কৃষক ও পাগলপন্থী নেতার জীবনাবসান ঘটে।
বাংলাপিডিয়ায় উল্লেখ, টিপু পাগলার মৃত্যুর পর জাকু পাথর ও দোবরাজ পাথর এ আন্দোলনের নেতৃত্ব গ্রহণ করেন। তারা ব্রিটিশ ও স্থানীয় জমিদারদের বিরুদ্ধে শক্ত প্রতিরোধ গড়ে তোলেন। দুদিক থেকে অগ্রসর হয়ে পাগলপন্থীরা শেরপুর শহরে প্রবেশ করে জমিদারবাড়ি এবং রাজস্ব অফিস লুট ও থানা দখল করে। বিদ্রোহীরা নিজেদের এ অঞ্চলের শাসক বলে ঘোষণা করে। জমিদার, সরকারি কর্মকর্তা ও পুলিশ ময়মনসিংহ শহরে আশ্রয় নেয়। এ ঘটনায় কিছুদিনের জন্য কোম্পানি শাসনের বিলুপ্তি ঘটে বলে মত দিয়েছেন ইতিহাসবিদ এম দেলোয়ার হোসেন।
ময়মনসিংহে ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিদ্রোহের প্রতিক্রিয়া
মঙ্গল পান্ডের নেতৃত্বে বাঙালি সিপাহিরা ১৮৫৭ সালের ২৯ মার্চ ব্যারাকপুরে সিপাহি বিদ্রোহ শুরু করে এবং শিগগিরই তা ভারতের অন্যান্য অংশে ছড়িয়ে পড়ে। এ বিদ্রোহ পুরো বাংলা অঞ্চলে চরম উত্তেজনা সৃষ্টি করে। চট্টগ্রাম ও ঢাকার প্রতিরোধ এবং সিলেট, যশোর, রংপুর, পাবনা ও দিনাজপুরে খণ্ডযুদ্ধ সংঘঠিত হয়।
ময়মনসিংহ জেলায় সিপাহি বিদ্রোহের বড় কোনো প্রভাব পড়েনি। ঢাকার বিদ্রোহী সিপাহিরা ময়মনসিংহ জেলার ভেতর দিয়ে সিলেট অথবা আসাম চলে যায়। তবে এ জেলার জনসাধারণ বাংলার অন্যান্য জেলার জনসাধারণের মতো সিপাহি বিদ্রোহের ব্যর্থতায় মর্মাহত হয়েছিল।
ব্রিটিশ শাসনামালে ময়মনসিংহের ইতিহাস মূলত প্রতিরোধ ও আত্মমর্যাদার ইতিহাস। ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন, পাগলপন্থী ও গারো কৃষকদের শ্রেণীনির্ভর বিদ্রোহ অথবা ১৮৫৭ সালের সিপাহি বিপ্লবের প্রতিক্রিয়া—সবই এ অঞ্চলের মানুষের স্বাধীনচেতা মনোভাবের প্রতিফলন। ঔপনিবেশিক শাসনের নিপীড়ন, রাজস্ব ব্যবস্থার শোষণ এবং স্থানীয় জমিদারদের অন্যায়ের বিরুদ্ধে সাধারণ কৃষক ও শ্রমজীবী মানুষ একের পর এক প্রতিবাদ গড়ে তুলেছিল। করিম শাহ, টিপু পাগলা, কিংবা অজস্র নামহীন কৃষকের প্রতিরোধই উপনিবেশবিরোধী চেতনার মূল ভিত্তি গড়ে দেয়, যা পরবর্তীকালে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামে মাইলফলক ও অনুপ্রেরণা হিসেবে কাজ করে।
তথ্যসূত্র
১. অধ্যাপক সিরাজুল ইসলাম সম্পাদিত বাংলাপিডিয়া, ওয়েব ভার্সন, ভুক্তি: ফকির-সন্ন্যাসী আন্দোলন ও সিপাহি বিপ্লব, ১৮৫৭, ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি।
২. উইলিয়াম ভ্যান শেনডেলের মেডম্যান অব ময়মনসিংস: পিজান্ট রেসিস্ট্যান্স অ্যান্ড দ্য কলনিয়াল প্রসেস ইন ইস্টার্ন ইন্ডিয়া, ১৮২৪ টু ১৮৩৩ শীর্ষক গবেষণা।
৩. বাংলাদেশ জেলা গেজেটিয়ার, ময়মনসিংহ জেলা, ১৯৯২।
৪. মো. রফিকুল হক আখন্দ, বৃহত্তর ময়মনসিংহের ইতিহাস, নবরাগ প্রকাশনী, ২০১৭।
বাশার খান: সাংবাদিক, বণিক বার্তা









