১৯৮১ সালের মাঝামাঝি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির অফিস অজয় ভবনে (১৫, ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত মার্গ, দিল্লি) প্রবীণ কমিউনিস্ট নেতা ও গবেষক ড. গঙ্গাধর অধিকারীর কাছ থেকে গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী সম্পর্কে প্রথম জানতে পারি। তখন তিনি ভারতের কমিউনিস্ট পার্টির ইতিহাস নিয়ে গবেষণা করছেন। তিনি প্রথম লুহানীকে নিয়ে কাজ করতে আমাকে উৎসাহিত করেন। তার কিছুদিন পরই তিনি পরলোকগমন করেন। পরে তার লেখা প্রবন্ধ ও সম্পাদিত বই থেকে অনেক সহায়তা পেয়েছি। তাকে সবসময় স্মরণ করি।
ভারতীয় কমিউনিস্ট পার্টির ড. গঙ্গাধর অধিকারীর পরে যার কাছ থেকে আমি এ বিষয়ে সহযোগিতা পেয়েছি, তিনি হলেন কলকাতার বিশিষ্ট মার্ক্সবাদী লেখক ও সংগঠক চিম্মোহন সেহানবীশ। ১৯৮৪ সালের আগস্টে কলকাতায় তার বাসভবনে দীর্ঘ সময় ধরে আলোচনা হয়েছিল লুহানীসহ প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবীদের নিয়ে। তিনি আমাকে সোভিয়েত সাংবাদিক পি উন্নিকৃষ্ণানের দুটি গুরুত্বপূর্ণ লেখা দিয়েছিলেন। প্রাসঙ্গিক আরো কিছু আলোচনা হয়েছিল তার সঙ্গে। পরে তাকে আমি লুহানীর একটি ছবি পাঠিয়েছিলাম। সেটি তিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের ‘মুক্তির সংগ্রামে ভারত’ ছবির অ্যালবাম প্রকাশনায় ব্যবহার করেছিলেন। গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে চিম্মোহন সেহানবীশের লেখা রুশ বিপ্লব ও প্রবাসে ভারতীয় বিপ্লবী বইটি থেকেও বহুভাবে উপকৃত হয়েছি। এ বইয়ের অনেক তথ্য ও আলোচনা অনেক কাজে লেগেছে।
তারপর দেশ-বিদেশের বিভিন্ন উৎস থেকে লুহানীর জীবনের নানামুখী কার্যক্রমের তথ্য সংগ্রহ করতে বহু সময় লেগেছে। আসলে লুহানীর শেষ সময়ের ঘটনাবলি এবং তার গ্রেফতার ও মৃত্যু সম্পর্কে নিশ্চিত তথ্য পেতেই শুধু নয়, সুদূর অতীতের কিছু বিষয় সম্পর্কে নিঃসন্দেহ হতে দীর্ঘ সময় লেগে গেছে।
সবশেষে ২০১৮ সালে রুশ গবেষক ভেৎলানা ভোন্নায়া সাবেক সোভিয়েত গোয়েন্দা সংস্থা কেজিবি ও কমিউনিস্ট ইন্টারন্যাশনালের (কমিন্টার্ন) আর্কাইভ থেকে লুহানীর শেষ সময়ের অনেক তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর পরই গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীকে নিয়ে লেখা বইয়ের কাজ চূড়ান্ত করা সম্ভব হয়।
গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী সম্পর্কে প্রথম বেশ গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করেছিলাম মস্কো থেকে। গঙ্গাধর অধিকারীর কাছ থেকে জানার পর ১৯৮২ ও ১৯৮৩ সালে একাধিকবার মস্কোয় সোভিয়েত কমিউনিস্ট পার্টির দক্ষিণ এশীয় (বাংলাদেশ) বিভাগের নেতৃস্থানীয় কর্মকর্তা ভ্লাদিমির বাইদাকভের বিশেষ সাহায্য পেয়েছি।
১৯৮২ সালে গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীর স্বহস্তে লিখিত জীবনবৃত্তান্ত, দুটি ছবি ও জার্নালে প্রকাশিত লুহানীর সাতটি লেখা মস্কোর কমিন্টার্ন আর্কাইভ থেকে সংগ্রহ করে দিয়েছিলেন বাইদাকভ। পরের বছর ১৯৮৩ সালে আমি আবার মস্কো গেলে বাইদাকভ কমিন্টার্নের জন্য বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী ও পাণ্ডুরাজ খানখোজের ‘ইন্ডিয়া অ্যান্ড দ্য ওয়ার্ল্ড রেভল্যুশন’ থিসিসের একটি ফটোকপি ও আরো কিছু কাগজপত্র আমাকে দেন।

বার্লিনে লুহানী
এছাড়া লুহানী পরিবারের সদস্য মেজর জেনারেল (অব.) হেলাল মোর্শেদের কাছে সংরক্ষিত লুহানীর মাকে লেখা লুহানীর তিনটি চিঠি এবং লুহানীর স্ত্রী গ্যাব্রিয়েলের দুটি চিঠিসহ আরো কিছু তথ্যসংবলিত কাগজপত্র তিনি আমাকে দিয়েছিলেন। লুহানীর জীবনের অত্যন্ত কঠিন সময়ে প্যারিস থেকে মাকে লেখা লুহানীর তিনটি চিঠি এবং প্রায় একই সময়ে শাশুড়িকে (লুহানীর মা) লেখা লুহানীর স্ত্রী গ্যাব্রিয়েল লুহানীর দুটি চিঠি থেকে প্যারিসে থাকাকালে লুহানীর অসুস্থতা ও আর্থিক কষ্ট সম্পর্কে জানা যায়।
ব্যক্তি গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী সম্পর্কে বিস্তারিত জানার জন্য যা যা প্রয়োজন ছিল, যেমন তার স্বহস্তে লিখিত একাধিক জীবনবৃত্তান্তসহ অন্য তথ্যাবলি সংগ্রহ করার সুযোগ আমার হয়েছে। লুহানীর নিজের লেখা প্রবন্ধ-নিবন্ধসহ অন্যান্য লেখাও তাকে ও তার চিন্তাজগৎ সম্পর্কে জানতে সাহায্য করেছে। কমিন্টার্নের জন্য যে প্রতিবেদনগুলো তিনি তৈরি করেছিলেন, সেগুলো থেকে আমরা সে সময়ের ভারতীয় জাতীয় রাজনীতিবিষয়ক ঘটনাবলি সম্পর্কে এবং তার রাজনৈতিক প্রজ্ঞা ও বিচার-বিশ্লেষণের ক্ষমতা সম্পর্কে বুঝতে পারি।
লুহানীকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি লুহানীর পরিবার ও পারিবারিক জীবনের নানা তথ্য এবং তার লন্ডন, প্যারিস, বার্লিন ও মস্কো থাকাকালীন বিভিন্ন কাজ সম্পর্কে জানার চেষ্টা করেছি। তার লেখালেখি বা নিবন্ধ ইত্যাদি যতটুকু যেখানে পেয়েছি, সংগ্রহ করেছি এবং মনোযোগ দিয়ে পড়েছি। একই সঙ্গে মস্কোর আন্তর্জাতিক কমিউনিস্ট আন্দোলনের কেন্দ্র কমিন্টার্নের সঙ্গে নানা সময়ে লুহানীর যে চিঠিপত্র আদান-প্রদান, যোগাযোগ ইত্যাদি তথ্য, সেগুলো সংগ্রহ করা ও পড়ার সুযোগ হয়েছে। তার পরও বলা যায়, আরো অনেক তথ্য জানা বাকি রয়ে যায়।
এখানে বিশেষভাবে উল্লেখ্য, লুহানীকে নিয়ে আমি প্রথম একটি ছোট্ট নিবন্ধ লিখেছিলাম সাপ্তাহিক একতা পত্রিকায়। এর শিরোনাম ছিল ‘এক অজানা বিপ্লবীর কাহিনি: গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী’ (৫ নভেম্বর, ১৯৮২)।
পরের বছর আরো কিছু তথ্য পেয়ে সাপ্তাহিক একতায় লিখেছিলাম ‘সোভিয়েত বিপ্লব, লেনিন এবং গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী’ (৪ নভেম্বর ১৯৮৩)। আর ১৯৮৩ সালের সচিত্র সন্ধানীর ঈদসংখ্যায় (১০ জুলাই ১৯৮৩) আমার একটি বড় লেখা ‘আম্বিয়া খান লুহানী: এক অজানা বিপ্লবীর কাহিনি’ প্রকাশিত হয়েছিল। এসবের অনেক পরে ২০০৩ সালে প্রথম আলোর ঈদসংখ্যায় ‘স্তালিনের নৃশংসতার শিকার এক বাঙালি বিপ্লবী’ শিরোনামে সর্বশেষ একটি বড় লেখা ছাপা হয়। এটি সে সময় অনেক পাঠকের বিশেষ দৃষ্টি আকর্ষণ করে। তারপর বহুজন নানা সময়ে আমাকে বই লিখতে এবং শেষ করতে তাগিদ দিয়েছেন।

গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীকে নিয়ে কাজ করতে গিয়ে আমি বিশেষভাবে স্মরণ করি বাংলাদেশ উন্নয়ন গবেষণা প্রতিষ্ঠানের (বিআইডিএস) তৎকালীন মহাপরিচালক ড. বিনায়ক সেনকে। তিনি আমার আগ্রহে আশির দশকে মস্কোয় অধ্যয়নরত থাকাকালে লুহানী সম্পর্কে বিভিন্ন তথ্য ও লেখা সংগ্রহে উদ্যোগী হয়েছিলেন। তার সহযোগিতা পেয়েছিলাম সে সময়। বেশ পরে এসে বামপন্থী লেখক ও বুদ্ধিজীবীদের উদ্যোগে প্রকাশিত সমাজ অর্থনীতি রাষ্ট্র পত্রিকায় ১৯৮৭ সালের জুলাই-ডিসেম্বর সংখ্যায় বিনায়ক সেন ও আমার একটি যৌথ প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছিল। সে সময় পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন ড. আব্দুল গফুর। আমাদের লেখার দুটি অংশ ছিল। প্রথম অংশটি ছিল লুহানী এবং বিদেশে তার বিভিন্ন কার্যক্রমের পরিচিতিমূলক বিষয় নিয়ে আমার লেখা। দ্বিতীয় অংশে কমিন্টার্নে বীরেন্দ্রনাথ, লুহানী ও খানখোজের লিখিত থিসিস এবং লুহানীর অন্যান্য লেখার ওপরে বিনায়ক সেন একটি তাত্ত্বিক পর্যালোচনা করেছিলেন।
এ প্রসঙ্গে মনে পড়ে সাবেক সমাজতান্ত্রিক পূর্ব জার্মানির ভারত বিশেষজ্ঞ ড. হর্স্ট ক্রুগারের কথা। বার্লিনে ১৯৮১ ও ১৯৮২ সালে তার সঙ্গে দুবার দেখা হয়েছিল। বার্লিনে লুহানী ও ভারতীয় বিপ্লবীদের কার্যক্রম নিয়ে দীর্ঘ সময় ধরে তার সঙ্গে আলোচনার সুযোগ হয়েছিল আমার। লুহানী সম্পর্কিত একাধিক লেখা আমাকে দিয়েছিলেন তিনি। ‘গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী অ্যান্ড ইন্ডিয়ান রেভল্যুশনারিজ অ্যাব্রড’ শিরোনামে তার অপ্রকাশিত একটি বড় প্রবন্ধও পেয়েছিলাম তার কাছ থেকে। এ লেখা সে সময়কার ভারতীয় বিপ্লবীদের বহুমুখী কার্যক্রম, বিশেষ করে বার্লিন ও জার্মানিকে কেন্দ্র করে তাদের তৎপরতা জানতে, বুঝতে অনেক সাহায্য করেছে।
১৯৭৩ সালে প্রকাশিত এমএ পেরসিৎসের রেভল্যুশনারিজ অব ইন্ডিয়া ইন সোভিয়েত রাশিয়া বইটি সে সময় পড়ার সুযোগ হয়েছিল। ঢাকা থেকে প্রথমে জাতীয় সাহিত্য প্রকাশনী ও পরে ২০১৯ সালে দ্যু প্রকাশনী এ বইয়ের বাংলা অনুবাদ সোভিয়েত ইউনিয়নে প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবী শিরোনামে প্রকাশ করে। বইটি অনুবাদ করেছিলেন খুলনার কমিউনিস্ট নেতা রতন সেন। সেখান থেকেও অনেক চিন্তার খোরাক পেয়েছি।
আরো মনে পড়ে, বিগত শতকের আশির দশকের মাঝামাঝি মস্কোয় একজন ভারত বিশেষজ্ঞ ও লেখক লিওনিদ মিত্রোখিনের সঙ্গে আমার দেখা ও আলোচনা করার ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ভ্লাদিমির বাইদাকভ। মিত্রোখিন সে সময়ে ভারতের প্রবাসী বিপ্লবীদের নিয়ে অনেক কাজ করছিলেন। তিনি ১৯৯১ সালে প্রবাসী ভারতীয় বিপ্লবী তিন বাঙালি বীরেন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়, অবনী মুখার্জি ও গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীর শেষ পরিণতি সম্পর্কে প্রথম সুনির্দিষ্ট তথ্য প্রকাশ করেছিলেন। দিল্লি থেকে প্রকাশিত সোভিয়েত ল্যান্ড পত্রিকায় ১৯৯১ সালের এপ্রিল ও মে দুটো সংখ্যায় তার নিবন্ধ ‘আ ট্রিপল ট্র্যাপ: স্টোরি অব থ্রি ইন্ডিয়ান কমিন্টার্ন অ্যাকটিভিস্টস ইন দ্য ইয়ারস অব স্টালিনিস্ট টেরর’ শিরোনামে প্রকাশিত হয়।
দুই কিস্তিতে প্রকাশিত বড় এ নিবন্ধের একদম শেষে মিত্রোখিন গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী সম্পর্কে লিখতে গিয়ে তার সঙ্গে আমার বৈঠকের কথা উল্লেখ করেছেন। আমি যে লুহানীকে নিয়ে বই লেখার পরিকল্পনা করছি, সে কথাও তিনি লিখেছেন। তার দুই পর্বের বড় লেখাটি শেষ করেছেন এভাবে: ‘মস্কোয় সম্প্রতি আমার দেখা হয়েছিল বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) কেন্দ্রীয় কমিটির সম্পাদক মতিউর রহমানের সঙ্গে। তিনি আমাকে লুহানীর একটি ছবি দিয়েছিলেন। লুহানীর স্ত্রীর প্যারিসের ঠিকানাও জানিয়েছিলেন। মতিউর রহমান লুহানীকে নিয়ে একটি বই লেখার পরিকল্পনা করছেন। সে বইটি বাংলার এ বিপ্লবীর জীবন ও কর্মকাণ্ড নিয়ে নতুন কিছু অন্তর্দৃষ্টি তুলে ধরতে পারে।’
গত ডিসেম্বরে (২০২৩) অধ্যাপক শোভনলাল দত্তগুপ্তের সঙ্গে কলকাতায় দেখা করে আলোচিত বিষয়ে আরো অনেক কিছু জানার সৌভাগ্য আমার হয়েছে। সেই সঙ্গে তিনি আমাকে একটি দীর্ঘ সাক্ষাৎকারও দিয়েছেন। আমার টোকিওপ্রবাসী বন্ধু, সাংবাদিক মনজুরুল হকের কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করতে হবে। দুই দশক আগে তিনি টোকিও থেকে ডেভিড কিংয়ের অর্ডিনারি সিটিজেন্স: ভিকটিমস অব স্টালিন বইটি আমাকে পাঠিয়েছিলেন।
বইটিতে স্তালিন আমলে হত্যাকাণ্ডের শিকার প্রায় ১৮০ জনের শেষ মুহূর্তের ছবি ছিল। গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীর সর্বশেষ ছবিটি সে বইয়ের ১৩৫ নম্বর পৃষ্ঠায় পাই।
বর্তমানে ড্যাফোডিল ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা, মিডিয়া ও যোগাযোগ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক তরুণ বন্ধু জামিল খান ২০১৬ সালে মস্কোয় ছাত্রাবস্থায় থাকাকালে গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী সম্পর্কে কমিন্টার্ন আর্কাইভ থেকে বেশকিছু চিঠিপত্র, লেখা ইত্যাদি সংগ্রহ করে আমাকে পাঠিয়েছিলেন। সে কাজে তিনি অনেক শ্রম ও সময় দিয়েছেন। সেগুলো খুব গুরুত্বপূর্ণ ছিল। একই সঙ্গে তিনি সেসব রুশ থেকে বাংলায় অনুবাদ করে দিয়েছিলেন।
আশির দশকের শুরুতে লুহানীকে নিয়ে যখন কাজ শুরু করি, তখন সাপ্তাহিক একতা পত্রিকা সম্পাদনা ও নানা রাজনৈতিক কাজে ব্যস্ত ছিলাম। সে সময়ে বন্ধু সাংবাদিক বেনজীর আহমেদ অনেক সাহায্য করেছিলেন।
বিশেষ করে ইংরেজিতে লেখা লুহানীর স্ত্রীর চিঠিগুলোর অনুবাদ এবং অন্যান্য তথ্যসংবলিত নথিপত্রের পাঠোদ্ধার করতে বিশেষভাবে সাহায্য করেছিলেন।
সবশেষে সাংবাদিক বন্ধু মিজানুর রহমান খান মস্কোর গবেষক ভেৎলানা ভোন্নায়ার সহযোগিতায় কমিন্টার্ন আর্কাইভ থেকে বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সংগ্রহ করে দিয়েছেন।
মতিউর রহমান: সম্পাদক, দৈনিক প্রথম আলো
[লেখাটি ‘গোলাম আম্বিয়া খান লুহানী: এক অজানা বিপ্লবীর কাহিনি’ বইয়ের ভূমিকা ‘গোলাম আম্বিয়া খান লুহানীর খোঁজে’ থেকে ইষৎ সংক্ষেপিত]








