১৬৪৫ সালের চন্দ্রালোকিত এক শীতের রাত। যে অঙ্গুলি ইশারায় একদা মেহের-উন-নিসা সম্রাজ্ঞী নূরজাহান হিসেবে ভারত শাসন করেছেন, শয্যাশায়ী এ নারী বুঝতে পারছেন তার আঙুল আর তুলতে পারছেন না। স্বামী সম্রাট জাহাঙ্গীর ২২ বছর শাসন করে ১৬২৭-এর অক্টোবরে প্রয়াত হয়েছেন। বৈধব্যের জীবনও ১৮ বছরের দীর্ঘ। স্বামীর মৃত্যুর পর হতে পারত তার নৃশংস মৃত্যু। ক্ষমতার দ্বন্দ্ব একই, কেবল মোগল রাজত্বে নয়, সভ্যতার পাদপীঠ গ্রিক রাজত্বেও ক্ষমতা ও মৃত্যুর পাশাপাশি অবস্থান। হতভ্যাগ্য অনেকের তুলনায় নূরজাহান ভালোই আছেন। তবে মরণশীল মানুষের জীবন এমনিতেই তো শেষ হয়ে আসে। নিয়তি বিশ্বাসী নূরজাহান বুঝতে পারছেন, তারও সময় ফুরিয়ে আসছে। নিচের বর্ণনাটুকু মুনি লালের লেখা মোগল গ্লোরির নূরজাহান অধ্যায় থেকে অনূদিত:

তার পেটে ভীষণ খিঁচুনি হচ্ছে। ছুটে আসেন তার একমাত্র কন্যা লাভলি বেগম ও ক’জন আয়া। লাভলি ইতিহাসে উপেক্ষিত নূরজাহানের কন্যা (আগ্রহী পাঠক পড়তে পারেন তনুশ্রী পোদ্দারের বই নূরজাহান’স ডটার)। হাকিম শাকুরুল্লাহকে ডাকা হয়। তিনি ওষুধ এগিয় দেন। নূরজাহান ওষুধ প্রত্যাখ্যান করেন। তিনি শেষে কথা শোনানোর জন্য হাকিমকে কাছে ডাকেন। ক্ষীণ কণ্ঠে বলেন, যেদিন সম্রাট জাহাঙ্গীর আমাকে বিয়ে করলেন, আমার মা আসমত বেগম বললেন, সম্রাজ্ঞীকে উপহার দেয়ার মতো মূল্যবান কিছু আমার নেই। হয়তো দু-একটা উপদেশ দিতে পারব। তিনি বলেছিলেন, ‘সম্রাটের পথে কখনো বাধা দেবে না, সবকিছুতেই তার পথ ছেড়ে দেবে। তার ইচ্ছার কাছে নিজেকে সমর্পণ করবে। যেকোনো পুরুষ মানুষকে বিশেষ করে রাজাবাদশাদের জয় করার এটাই নিশ্চিত পন্থা। নতুবা রাজপ্রাসাদের গোলকধাঁধার ভেতর কোথায় কার অবস্থান তা বোঝার আগেই তুমি সম্রাটকে হারিয়ে ফেলতে পারো। যাও প্রিয় কন্যা আমার, এবার সিংহাসনে আরোহণ করো এবং আল্লাহ তোমাকে সেখানে থাকার তওফিক দিন।’

তিনি যখন মায়ের উপদেশের কথা বলছেন, চোখ গড়িয়ে অশ্রু পড়ছে। তিনি হাকিম শাকুরুল্লাহকে বললেন, সম্রাট জাহাঙ্গীরের ওপর আমার যে অধিকার ছিল, তার গোপন সূত্রটি পৃথিবীর সব নারীকে জানিয়ে দেবেন। আমি কখনো তাকে না বলিনি, হাসিমুখের আনুগত্যই ছিল আমার সাফল্যের গোপন সূত্র। আমি শুধু একজন পুরুষকে আমাকে শাসন করার সুযোগ দিয়েছি, বিনিময়ে আমি সমগ্র ভারতবর্ষ শাসন করেছি।

এই বলে নূরজাহান অজ্ঞান হয়ে যান। কাক ডাকা ভোর না হওয়া পর্যন্ত তার জ্ঞান আর ফেরেনি। তাকে আবার ওষুধ সাধা হলো। বনাজি ওষুধের সিরাপ নিয়ে হাঁটু গেড়ে বসলেন মশিহউজ্জাজামান সদরুদ্দিন। তিনি শোনালেন তার এপিটাফে খোদাই করার পঙিক্ত:

গরিব গোরে দীপ জ্বেলো না

ফুল দিও না কেউ ভুলে

শামাপোকার না পোড়ে পাখ

দাগা না পায় বুলবুলে।

(সত্যেন্দ্রনাথ দত্তের অনুবাদ)

একালের ঐতিহাসিক রুবী লাল এমপ্রেস: দি অ্যাস্টোনিশিং রেইন অব নূরজাহান গ্রন্থে দেখিয়েছেন, তিনিই ছিলেন ইতহাসের সফলতম সম্রাজ্ঞী ও প্রধানমন্ত্রী। প্রকৃতপক্ষে ১৬২৭ থেকে ১৯৬৭—এই ৩৪০ বছর পর একজন নারীই ভারত শাসন করেন, তিনি ইন্দিরা গান্ধী। এর মাঝে আরো কোনো কোনো নারীর রাজপ্রাসাদে সম্রাজ্ঞীর আসন থাকলেও সামান্য ক্ষমতাও ছিল না। নূরজাহানের আগেও অনেক গুণী নারী সম্রাজ্ঞী ছিলেন, এমনকি সম্রাট জাহাঙ্গীরের মা মরিয়ম উজ জামানির সমকক্ষ ইন্টারন্যাশনাল ট্রেডার এমনকি পুরুষদের মধ্যেও দুর্লভ ছিল। কিন্তু তিনি নিজেকে কেবল বাণিজ্যেই নিয়োজিত রেখেছেন। তার সামুদ্রিক বাণিজ্য জাহাজ আটকে রাখার ভয়ংকর খেসারত পর্তুগিজদের দিতে হয়েছে। তাদের জন্য সুরাট বন্দর নিষিদ্ধ হয়ে গিয়েছিল। পর্তুগিজ চার্চে তালা ঝুলেছিল। তারা বারবার সম্রাজ্ঞীর ক্ষমা ভিক্ষা করেও পরিত্রাণ পায়নি। কিন্তু সম্রাট আকবরের এ স্ত্রী কখনো শাসন নিয়ে মাথা ঘামাননি।

মেহের-উন-নিসার সাবেক স্বামী শের আফগান জাহাঙ্গীরের ইঙ্গিতে আততায়ীর হাতে নিহত হয়েছেন, এমন ইঙ্গিত কোনো কোনো ঐতিহাসিক দিয়ে থাকেন। কিন্তু ‘মোগল বংশ’ গ্রন্থের রচয়িতা রামপ্রাণ গুপ্ত সে আমলের ইতিহাসের আকর গ্রন্থ ‘ইকবালনামা’ ও মোহাম্মদ হাদি খানের রচনা বিশ্লেষণ করে সুস্পষ্টভাবে বলেছেন, যদি সম্রাটের সম্পৃক্ততা থাকত, তাহলে শের আফগান নিহত হওয়ার পরপর তার স্ত্রীকে পত্নী কি উপপত্নী হিসেবে বরণ করতে দ্বিধা করতেন না। বাস্তবে মেহের-উন-নিসা হেরেমে আনীত হওয়ার পর চার বছর জাহাঙ্গীর তার মুখই অবলোকন করেননি। রামপ্রাণ গুপ্ত লিখেছেন, ‘...চারি বৎসর রাজান্তঃপুরে অবিস্থিতি করার পর জাহাঙ্গীর তাহাকে মহাসমারোহে পরিণয় সূত্রে আবদ্ধ করেন। পরিণয় ক্রিয়া সম্পাদিত হইবার পর জাহাঙ্গীরের উপর বেগমের আতুল প্রভাব সংস্থাপিত হইয়াছিল। পাদশাহ (বাদশাহ—অর্থেই)...সম্পূর্ণ বশীভূত হইয়াছিলেন এবং তাহার সঙ্গে পরামর্শ ব্যতীত কোন কার্য্যে হস্তক্ষেপ করিতেন না। বস্তুত অন্য কোন রাজমহিষী মোসলমান নরপতির উপর তাহার ন্যায় সর্ব্বোতোমুখ প্রভূত্ব সংস্থাপন করিতে পারিয়াছেন কি না সন্দেহের স্থল।’

জাহাঙ্গীর বা নূরজাহানের সমকালীন ঐতিহাসিকরা রাজানুগ্রহ লাভের জন্য কিংবা নির্দেশিত হয়ে ইতিহাস লিখতে পারেন। কিন্তু তাদের রাজত্বকালের শতবর্ষ পর মোহাম্মদ হাদি খান যখন লেখেন তা নিরপেক্ষই হওয়ার কথা। তিনি জানাচ্ছেন:

‘তিনি (মেহের-উন-নিসা) অচিরে পাদশাহর প্রিয়তমা মহিষী হইয়া উঠেন। তিনি প্রথমতঃ নূরমহল (প্রাসাদের আলো) এবং তাহার পর অল্পদিনের মধ্যেই নূরজাহান বেগম (রানি, পৃথিবীর আলো) উপাধিতে ভূষিত হন। তাঁহার আত্মীয় স্বজন সকলেই রাজ্যের প্রধান প্রধান পদে নিযুক্ত হন। তিনি হেরেম প্রধান হাজি কোকোকে অপসারণ করিয়া হেরেমের অধিনেত্রী পদ গ্রহণ করেন। তাহার সিলমোহরযুক্ত অনুমতি পত্র না থাকিলে প্রধান খাজাঞ্চি বেতন দিতে পারিতেন না।’

রামপ্রাণ গুপ্ত লিখেছেন: ‘নূরজাহান রাজ্যের সমস্ত কার্য নির্বাহ করিতেন, সর্বত্র প্রকার সম্মান বিতরণের ভার তাহার হস্তে ন্যস্ত ছিল। নূরজাহান স্বাধীন নরপতির মতোই ক্ষমতা লাভ করিয়াছিলেন। কেবল তাহার নিজ নামে খোত্বা পঠিত হইত না। ইহা ভিন্ন তাহার আর কোনও অভাব ছিল না।’

রাজমুদ্রায় জাহাঙ্গীরের নামের পাশে নূরজাহানের নাম খোদাইকৃত থাকত। তাতে লেখা হতো ‘সম্রাট জাহাঙ্গীরের আদেশে সম্রাজ্ঞী নূরজাহানের নাম খোদিত হওয়ার মুদ্রায় মূল্য শতগুণ বেড়ে গেল।’

তিনি শুধু রাজ ফরমানবলে ক্ষমতাবান হননি। ক্ষমতা ও গণমানুষের আনুগত্যের অনেকটাই তার অর্জিত। তিনি তার সাহায্যপ্রার্থী কাউকে প্রত্যাখ্যান করতেন না। ন্যায়বিচার করতেন, ন্যায়বিচারের নির্দেশ দিতেন। তিনি অন্তত ৫০০ বালিকাকে যৌতুক দিয়ে বিয়ের আয়োজন করেন।

কেবল সুশাসনই তার হাতে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। সংকট সৃষ্টি হয়নি এ কথা বলার সুযোগ নেই।

প্রাসাদ ষড়যন্ত্র পাওয়ার পলিটিকস এসবেও তিনি ছিলেন সিদ্ধহস্ত। সম্রাট আকবরের প্রতিপালক মাতা যেমন উচ্চাভিলাষী নিজের পুত্রকে দিল্লির সিংহাসনে বসানোর স্বপ্ন বাস্তাবায়ন করতে গিয়ে সর্বনাশ ডেকে এনেছিলেন, এতটা না হলেও নূরজাহানের একটি বাসনা মেটাতে অনেক মূল্য দিতে হয়েছে ভারতবর্ষকে, মোগল রাজপরিবারকে। তিনি চেয়েছিলেন তার ও শের আফগানের গর্ভজাত একমাত্র কন্যার (জাহাঙ্গীরের ঔরসে কোনো সন্তান জন্মগ্রহণ করেনি) জামাতা সম্রাটের কনিষ্ঠ পুত্র শাহরিয়ার সিংহাসনে বসবে। তার কূট কৌশল ছিল শাহজাহানকে সরিয়ে রাখা। এর মূল্যও দিতে হয়েছে। শাহজাহানই সম্রাট হয়েছেন। আর নূরজাহানের জন্য নির্ধারিত হয়ে যায় লাহোর দুর্গে বন্দি জীবন আর শাহরিয়ারের অকালমৃত্যু।

ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় তার ‘মোগল যুগে স্ত্রীশিক্ষা’ গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন:

‘ঐতিহাসিকগণ মুক্ত কণ্ঠে বলিয়াছেন, জাহাঙ্গীরের রাজত্বের শেষভাগকে নূরজাহানের রাজত্বকাল বলিলেও অযুক্তি হয় না। সম্রাট নিজেই বলিতেন, নূরজাহানকে আমি তীক্ষ বুদ্ধিশালিনী ও রাজ্যভার গ্রহণের উপযুক্ত বিবেচনা করিয়া তাহার উপর শাসনকার্যের সমস্ত ভার অর্পণ করিয়াছি। প্রকৃতপক্ষে রাজ্যের যাবতীয় কার্যই নূরজাহান কর্তৃক পরিচালিত হইত, জাহাঙ্গীর নামে মাত্র সম্রাট ছিলেন।’

এ গ্রন্থে আরো উল্লেখ করা হয়েছে, নূরজাহান সুন্দরী বিদুষী ললনাই ছিলেন না, তার উদ্ভাবনী শক্তিও ছিল অসাধারণ। তার ডিজাইন করা কার্পেটের মধ্যে রয়েছে পেশোয়াজ, দুদামি, পাঁচ তোলিয়া, বাবশা বিনারী, ফরাস-ই-চন্দনী।

অনেক ধরনের স্বর্ণালংকার ও নারীর পোশাক ও তার উদ্ভাবন তিনি যে ধরনের বক্ষবন্ধনী ব্যবহার করতেন তা লক্ষেৗয়ের নারীদের ফ্যাশনে পরিণত হয়। জাস্টিস আমীর আলী ‘দ্য নাইনটিনথ সেঞ্চুরী’ গ্রন্থের ‘সিকুয়েন্স অব ওমেন ইন ইসলাম’ প্রবন্ধে বলেছেন, নূরজাহানের ব্র্যান্ড নাম ব্যবহার করে বক্ষবন্ধনী ও দোপাট্টা বিক্রি করা হতো। ভারতীয় নারীদের ওড়না ব্যবহারের প্রধান প্রেরণা সম্রাজ্ঞী নূরজাহান। জাহাঙ্গীরের আত্মজীবনীতে উল্লেখ করা হয়েছে, ‘এমন নগর বা শহর নেই যেখানে নূরজাহানের কীর্তিরাজি সগর্বে মাথা উত্তোলন করেনি।’

নূরজাহানকে নিয়ে লেখা একটি-দুটি পঙিক্তর কবিতা প্রচলিত ছিল। সম্রাটের এক সভাসদের রচনা:

‘নূরজাহান গরচে বাসুরৎ জন অস্ত

দর প্রফ-ই-মর্দান জন শের-ই-আফকন অস্ত।’

(নূরজাহান যদি আকৃতিতে নারী, বীর পুরুষদের সমারোহে তিনি হচ্ছেন বাঘ হত্যাকারী নারী।’ শের মানে বাঘ, এই পঙিক্ত দুটোতে ভিন্ন একটি ইশারাও আছে—বাস্তবিকই তিনি শের আফগানের স্ত্রী)

ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় ‘তুজুকী জাহাঙ্গীরি’ পড়ে লিখেছেন: “জাহাঙ্গীর একদিন নূরজাহানকে লইয়া শিকারে বহির্গত হন। ভৃত্যরা চারিটি ব্যাঘ্রকে বেস্টনী-মধ্যগত করিলে নূরজাহান স্বহস্তে তাহাদিগকে নিহত করিবার জন্য সম্রাটের অনুমতি লইয়া হস্তীপৃষ্ঠে হাওদার ভিতর হইতে অব্যর্থ লক্ষ্যে দুইটি ব্যাঘ্রকে দুইটি গুলিতে এবং অবশিষ্ট দুইটিকে চারিটি গুলিতে বধ করেন। ‘তুজুকে’ সম্রাট স্পষ্টই লিখিয়াছেন, তিনি ইতোপূর্বে এরূপ অব্যর্থ লক্ষ্যে ব্র্যাঘ্র-শিকার দেখেন নাই।”

সম্রাটের ওপর প্রভাব বিস্তার করার এবং সম্রাটকে মুগ্ধ করা অসাধারণ এক কাব্য প্রতিভার অধিকারী ছিলেন তিনি। সে প্রতিভার শ্রেষ্ঠ স্বাক্ষর তিনি রেখেছেন নিজের কবরের প্রস্তরলিপিতে: ‘গরীব গোরে দ্বীপ জেলো না কেউ ভুলে।’

নূরজাহান গ্রন্থের উপসংহারে ব্রজেন্দ্রনাথ বন্দ্যোপাধ্যায় নূরজাহানের অন্তিম উপলব্ধি ও দর্শন তুলে ধরেছেন:

‘তাঁহার সমাধির উপর শিখা জ্বালিয়ে আর পতঙ্গকে দগ্ধ করিও না। ভারতের রাজরাজেশ্বরী আজ দীনা সর্ব্বৈশ্বর্যবিহীনা। বিশাল ভারতভূমি যাহার বিলাসক্ষেত্র ছিল, অতি সঙ্কীর্ণ ধরা তাঁহার শয্যা-অন্ধকার আচ্ছাদন। তমসাচ্ছন্ন কবর কুসুম-সজ্জিত করিয়া বুলবুলের প্রেমগাথায় এই নিবিড় শান্তি আর ভঙ্গ করিও না। জগজ্জ্যোতি চিরান্ধকার চিরশান্তিতে নিমগ্ন হইয়া থাকুক।’

রুবী লাল তার গবেষণামূলক গ্রন্থ ‘এমপ্রেস: দি অ্যাস্টোনিশিং রেইন অব নূরজাহান’ গ্রন্থে বলেছেন, এমন পরাক্রমী ও মেধাবী নারীর প্রতি পিতৃতান্ত্রিকতার ঘোরগ্রস্ত ঐতিহাসিকরা কখনো সুবিচার করেননি। মানতেই হবে, নূরজাহানই ছিলেন মোগল সাম্রাজ্যের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সম্রাট। তিনি অন্দরমহলের সম্রাজ্ঞীও ছিলেন।

 

এম এ মোমেন: সাবেক সরকারি কর্মকর্তা