২০২০ সালের শেষ দিকে বিশ্ববাসী আশা করেছিল করোনাভাইরাস থেকে মুক্তি পাওয়ার। বাংলাদেশও চলছিল সে মুক্তির সড়ক ধরে। শুরু হয়েছিল বাংলা একাডেমির প্রাঙ্গণে বাঙালির প্রাণের বইমেলা। কিন্তু প্রকৃতির নিয়মে মানুষ ভাবে এক রকম আর হয় অন্য রকম। করোনার ডেল্টা ভ্যারিয়েন্টের ভয়াবহ থাবায় মৃত্যুপুরী হয়ে ওঠে ভারতের একাধিক শহর। বাংলাদেশও ক্রমান্বয়ে গুটিয়ে ফেলতে থাকে নিজেকে। আবার শুরু হয় লকডাউন, সংগনিরোধ বা দূরত্ব বজায় রাখার প্রক্রিয়া। অনলাইন ওয়েবিনার, জুম মিটিং, ফেসবুক লাইভ বক্তৃতার ভারে ক্লান্ত বিদ্বৎসমাজ আশা করেছিল একসঙ্গে বসে ডায়ালগ, সেমিনার, আড্ডাবাজি আর জ্ঞান চর্চার বৈঠক আয়োজনের—কিন্তু ডেল্টার সংক্রমণের গতি ও ক্ষমতার কাছে কবর দিতে হয়েছে সে প্রত্যাশার।

অপরাজেয় মানব সভ্যতার কাছে একসময় বশ মানে ডেল্টাও। আবার ঝাঁপি খুলে কবি, সাহিত্যিক, পণ্ডিত গবেষক, ইতিহাসবিদ ও সমাজবিজ্ঞানীরা। বছরের শুরুতে এক-দুটো বক্তৃতা ও গ্রন্থ প্রকাশনা অনুষ্ঠান সরাসরি হয়। এক পর্যায়ে স্বাভাবিক হওয়ার চেষ্টায় খুলে দেয়া হয় বিদ্যায়তন। প্রায় স্বাভাবিক হয়ে আসার সময় এবার দরজায় কড়া নাড়ছে কভিডের নতুন ভ্যারিয়েন্ট ওমিক্রন। উত্থান-পতনের এ বছরে বাংলাদেশের প্রাক-আধুনিক বা অতি প্রাচীনকাল থেকে আঠারো শতকের বিভিন্ন বিষয়াদি নিয়ে প্রকাশিত গবেষণা কর্মগুলোর একটি পরিচয় তুলে দেয়ার চেষ্টাই এ লেখায় করব। এক্ষেত্রে ইতিহাস ও প্রত্নতত্ত্বের প্রতি কিছুটা দুর্বলতা সবাই ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে দেখবেন বলে বিশ্বাস করি।

লেখাটি অনেকের কাছেই হয়তো পুনরাবৃত্তি-অপূর্ণ মনে হতে পারে। কেউ কেউ আমাকে পক্ষপাতদুষ্টও বলতে পারেন। ব্যক্তিমানুষ সহজে নৈর্ব্যক্তিক হতে পারে না। ইতিহাসের শিক্ষার্থী হিসেবে এ সীমাবদ্ধতা এবং ঝুঁকিগুলো সামনে রেখেই আপনাদের কাছে ২০২১ সালে বাংলাদেশের প্রকাশনার জগতে প্রাচীন ও মধ্যপর্ব (আঠারো শতককে যার প্রান্তসীমা হিসেবে আপাতত মেনে নিচ্ছি) বিষয়ক গবেষণাদির পরিচয় তুলে ধরছি।

২০২০ সালের ডিসেম্বরে প্রকাশিত হয় বাংলাদেশের ইতিহাস: সুলতানি ও মোগল যুগ (আনু. ১২০০-১৮০০ সা. অব্দ) গ্রন্থটি। অধ্যাপক এএল ব্যাশামের সুযোগ্য ছাত্র বাংলাদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ অধ্যাপক আবদুল মমিন চৌধুরীর সম্পাদনায় প্রকাশিত গ্রন্থটির দুটি খণ্ডে মধ্যপর্বের বাংলার রাজনীতি, সমাজ, অর্থনীতি, ধর্ম-সংস্কৃতি, শিল্প-স্থাপত্য, ভাষা ও সাহিত্যের মতো বিষয়াদি উপস্থাপিত হয়েছে। এটি মূলত বাংলাদেশের এশিয়াটিক সোসাইটি কর্তৃক গৃহীত ‘বাংলাদেশের ইতিহাস: প্রাচীন ও মধ্যযুগ’ প্রকল্পের সর্বশেষ গ্রন্থ। ২০২০ সালের অক্টোবরেই History of Bangladesh: Sultanate and Mughal Periods (c.1200-1800 CE) শিরোনামে এ দুই খণ্ড ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত হয়েছিল।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৪৮ সালে ইতিহাসবিদ যদুনাথ সরকারের সম্পাদনায় History of Bengal (Vol. 2) গ্রন্থটির পর এ রকম একটি সংকলনের অভাব বাংলার ইতিহাস গবেষণায় ভীষণভাবে অনুভূত হচ্ছিল। যদুনাথ সরকারের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে সে সময়ে বাংলার ইতিহাসের রাজনৈতিক ইতিহাসের কাঠামো তৈরি হয়।

গবেষণার ক্ষেত্রে বিবেচনা এবং ভাষা দক্ষতা (বিশেষত আরবি, ফারসি, পর্তুগিজ, ডাচ) সম্পন্ন লেখকের অভাবে মধ্যপর্বের বাংলার সমাজ-সংস্কৃতির বৈচিত্র্যময় বিষয়াদি অনেকটা দৃষ্টির আড়ালে থেকে যায়। পরবর্তী সাত দশকে বাংলাদেশ, ভারত এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের পণ্ডিতরা মধ্যপর্বের বাংলা নিয়ে অসংখ্য গবেষণা গ্রন্থ ও নিবন্ধ প্রকাশ করেন। আবদুল মমিন চৌধুরী সম্পাদিত খণ্ড দুটিকে এ বিবিধ গবেষণার বহুমুখী স্রোতধারাগুলোকে একটি গতিপ্রবাহে বেঁধে নেয়ার প্রতিরূপ হিসেবে আখ্যা দেয়া যেতে পারে। ১৯৭১ সালে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আহ্বানে মুক্তিযুদ্ধে ঝাঁপিয়ে পড়েছিল যে বাঙালি জনগোষ্ঠী তার শিকড় খোঁজার অনেক সূত্রই এ খণ্ডদ্বয়ের বিভিন্ন অধ্যায়ে তুলে ধরা হয়েছে।

স্বাধীন বাংলা রাজ্যের সৃষ্টি বা পৃথক স্বাধীন ভূখণ্ড, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের বিকাশ, মুসলিম সুলতানদের উদার নীতি, ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সমানভাবে সব জনগোষ্ঠীকে প্রশাসনে অংশ গ্রহণের সুযোগ করে দেয়া, লোকজ সুফিবাদ ও বাউল সম্প্রদায়ের বিকাশ ইত্যাদি উপাদান বাংলার মানুষের আত্মপরিচয়ের অতীত স্মৃতি। মনসার পূজা কিংবা বৈষ্ণব সম্প্রদায়ের কীর্তন, লোকজ ইসলাম কিংবা কৃষিকাজে পীর সুফিদের নেতৃত্ব ও নতুন বসতি স্থাপনের প্রস্তাব—বাংলাদেশের ইতিহাসের মধ্যপর্বের এসব ভাবনার কাঠামোগত রূপই সংযোজিত হয়েছে সম্পাদিত খণ্ডদ্বয়ে। ২০২১ সালের বইমেলায় খণ্ড দুটি পাঠকের হাতে পৌঁছে।

২০২১ সালের বইমেলাতেই বাংলাদেশ ইতিহাস সম্মিলনী থেকে প্রকাশিত বাংলাদেশের জন-ইতিহাস গ্রন্থমালা সিরিজের অন্তর্গত বাংলাদেশের ইতিহাস সেনযুগ এ দেশের প্রাচীন ইতিহাসে উৎসাহী পাঠকের জন্য ছিল একটি চমকপ্রদ উপহার। লেখক রেহানা পারভীন সেনযুগ (আনু. ১০৯৭-১২২৫ খ্রি.) কালপর্বে তালেবে ইলম-উত-তারিখ বা ইতিহাসের বিদ্যার ছাত্র এবং সাধারণ পাঠকের জিজ্ঞাসা মেটানোর উদ্দেশ্যেই এ রচনা বলে দাবি করেছেন। গ্রন্থটিতে সেনযুগের রাজনৈতিক ইতিহাস, রাষ্ট্রকাঠামোর পরিচয়, সামাজিক অবস্থা, গ্রামীণ ও শহুরে সংস্কৃতি, দৈনন্দিন জীবন, নারীর অবস্থানের সাধারণ পরিচয় তুলে ধরা হলেও গবেষণা গ্রন্থের আদলে সব শেষে যোগ করা হয়েছে সহায়ক গ্রন্থতালিকা। নতুন চিন্তার উৎপাদনে গ্রন্থটির ভূমিকায় দক্ষ গবেষক হয়তো তৃপ্ত হবেন না, কিন্তু সাধারণ পাঠকের তৃষ্ণা মেটাতে গ্রন্থটিতে তথ্যের কমতি নেই। কোনো কোনো ক্ষেত্রে নতুন উৎসও লেখকের দৃষ্টির আড়ালে পড়ে গেছে। তা সত্ত্বেও এটি দীর্ঘদিন পর বাংলাদেশী কোনো গবেষকের প্রাচীন বাংলার বিশেষ কোনো সময়কে এক মলাটে তুলে ধরার প্রয়াস।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক দিলীপ কুমার ভট্টাচার্য্য গবেষণা কেন্দ্র থেকে ড. মালবিকা বিশ্বাস ও ড. ময়না তালুকদারের সম্পাদনায় ২০২১ সালের জুনে প্রকাশিত হয় পরেশ চন্দ্র মণ্ডল রচনা সংকলন। এটি বিদগ্ধ গবেষক-শিক্ষক পরেশ চন্দ্র মণ্ডলের আগে প্রকাশিত রচনাবলির পুনঃপ্রকাশ হলেও সংস্কৃত সাহিত্য রসিক ও গবেষকদের কাছে অত্যন্ত ঈপ্সিত একটি সংকলন। চতুর্দশ শতকের বিখ্যাত কাব্যগ্রন্থ ‘করতোয়া-মাহাত্ব্যম’ এর বাংলা অনুবাদ, মহাকবি কালিদাসের অভিজ্ঞান শকুন্তলাম, দুর্গা পূজা, মহাপ্রভু শ্রীচৈতন্য ইত্যাদি বিষয়াদির পাশাপাশি অধ্যাপক পরেশ চন্দ্রের অনেক মূল্যবান রচনা পাঠকের কাছে পৌঁছানোর এ মহতী উদ্যোগ প্রশংসার দাবিদার। ১৯৭১ সালের পরে স্বাধীন বাংলাদেশ কালপর্বে সংস্কৃত বিভাগকে স্বমহিমায় প্রতিষ্ঠা করার ক্ষেত্রে এ গবেষকের অবদান অনস্বীকার্য। বিষয় বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষাগুরুর প্রতি সম্পাদকদ্বয়ের এ নিবেদন ভবিষ্যৎ প্রজন্মের গবেষকদের জন্য পাথেয় ও দৃষ্টান্ত।

২০২১ সালের সেপ্টেম্বরে বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের খুলনা ও বরিশাল বিভাগের উদ্যোগে প্রকাশিত ‘ডালিঝাড়া বৌদ্ধ বিহার-মন্দির কমপ্লেক্স’ শিরোনামের ব্রুশিয়ারটি আকারে ক্ষুদ্র হলেও চমকপ্রদ আবিষ্কারের মানদণ্ডে বৃহৎ। যশোরের কেশবপুর উপজেলার কাশিমপুর গ্রামের ডালিঝাড়া ঢিবিতে উত্খননে প্রাপ্ত প্রত্ন নিদর্শনাদির একটি চকিত সংবাদ জনসম্মুখে প্রচারের জন্যই এটি ছাপা। অন্যান্য প্রত্নবস্তুর পাশাপাশি এখানের বিভিন্ন ট্রেঞ্জ বা বর্গে পাওয়া যায় জমাকৃত কার্বোনেটেড চাল। উত্খনকদের অনুমান নবম থেকে ১১ শতকের মধ্যবর্তী সময়ে এ ‘বৌদ্ধ বিহার-মন্দির কমপ্লেক্স’ নির্মিত হয়েছে। বাংলাদেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের গাঙ্গেয় জোয়ার-ভাটার প্রভাব বলয়ভুক্ত এ এলাকায় মানুষের বসবাস ও আবাদভূমির দলিল হলো প্রত্নস্থলটি। এখানে প্রাপ্ত ধানের নিদর্শন দক্ষিণ-পশ্চিমের সক্রিয় বদ্বীপাংশে কৃষিকাজের বিস্তার, বসতি স্থাপন ও নদী গতিপথের পরিবর্তনবিষয়ক বহুল প্রতিষ্ঠিত প্রচলিত অনেক প্রস্তাবনাই নতুন করে বিবেচনার দাবি রাখে। এ প্রসঙ্গে উল্লেখ্য, বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের আরেকটি প্রকাশনা প্রাচীন বাংলার গবেষকদের কাছে অত্যন্ত মূল্যবান। নির্বাচিত ৪০টি পোড়ামাটির নিদর্শন প্রদর্শনীবিষয়ক স্মারক ক্যাটালগ ২০২১ (নভেম্বর, ২০২১) শিরোনামের ক্ষুদ্র পুস্তিকাটি বিশেষ নজর দাবি রাখে। ২০০৭ সালে র্যাব-৩ প্রত্নতাত্ত্বিক সম্পদ পাচারকারীদের একটি সংঘবদ্ধ দলকে আটক করে। র্যাব-৩ কর্তৃক জব্দকৃত প্রাপ্ত প্রত্ন নিদর্শনাদি আইনানুগ প্রক্রিয়ায় বাংলাদেশ প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের কাছে হস্তান্তর করা হয়। স্টোরে সংরক্ষিত নিদর্শনাদি থেকে ২৫টি এবং অন্যসূত্র থেকে প্রাপ্ত ১৫টি ফলকের সচিত্রিত পরিচায়ন ক্যাটালগটিতে করা হয়েছে।

ক্যাটালগটিতে প্রকাশিত টেরাকোটা ফলকগুলোর অধিকাংশই পাঠক ও গবেষকদের কাছে নতুন। এছাড়া প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের ত্রৈমাসিক সমাচার প্রত্নবার্তায় (এপ্রিল-জুন ২০২১)-এ চারটি ডিভিশনের কর্মকাণ্ডের যে রোজনামচা প্রকাশিত হয়েছে, সেটিও ভবিষ্যতে গবেষকদের জন্য দিকনির্দেশক হবে বলে অনুমান করা যায়। প্রাতিষ্ঠানিকভাবে প্রকাশিত গ্রন্থগুলোর পাশাপাশি ব্যক্তিগত উদ্যোগে পরিচালিত গবেষণা তালিকায় দুটি গ্রন্থের উল্লেখ না করলে পাঠকের প্রতি কিছুটা অবিচার হয়ে যায়। বাংলা মুলুকের আদিজনের নৃতাত্ত্বিক পরিচয়, অর্থনীতি কিংবা রাজনীতির টানাপড়েন, ধর্ম-সংস্কৃতির মানস জগতে মাছে-ভাতে বাঙালি না ডাল ভাতে বাঙালি সে প্রশ্নের সুলুক সন্ধানের চাইতে খাদ্যাভ্যাসকে জীবনচর্চার অংশ হিসেবে বিবেচনা করে সিরাজ সালেকীন রচিত আদিবৈদিক যুগ থেকে বাঙালির খাদ্যবিষয়ক নয়টি প্রবন্ধ নিয়ে প্রকাশিত খাদ্য কিন্তু আহার্য নয় (কথাপ্রকাশ) গ্রন্থটি নতুন ভাবনার সৃষ্টি করেছে।

এখানেই লেখার সমাপ্তি টানতে চাই বঙ্গীয় শিল্পকলাচর্চার আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের আশু প্রকাশিত একটি গবেষণার খবর জানিয়ে। বাংলার শিল্প ইতিহাসের বিদগ্ধ পণ্ডিত ক্লদিন বাউেজ পিক্রনের সম্মানে প্রতিষ্ঠানটি তার পরবর্তী জার্নালটি উৎসর্গ করেছে। বাংলাদেশের প্রথিতযশা ইতিহাসবিদ, প্রত্নতাত্ত্বিক ও গবেষকদের পাশাপাশি পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের গবেষকদের সাম্প্রতিক গবেষণা কর্মের সংকলনটি শিগগিরই পাঠকের হাতে পৌঁছবে বলে তারা জানিয়েছেন।

বাংলাদেশের ইতিহাসের প্রাচীন ও মধ্যপর্বের গবেষণার জগতের এ সালতামামি শেষ হলেও কভিড-১৯-এর হুমকি এখনো আমাদের মনের ভেতরে উঁকি মারছে। প্রাচীনকাল থেকে অদম্য, অজেয় বহুমাত্রিক পরিচয় উপাদানের ধারক ও বাহক এ দেশের মানুষ। ঝড়, খরা, বন্যা, ভূমিকম্প কিছুই থামাতে পারেনি এ মাটির সূর্যসন্তানদের; পারবেও না। কভিডও পারবে না।

শেষ কথা বলতে চাই ডেল্টা চলে গেছে, ওমিক্রন এসেছে, সেও চলে যাবে, আর যেন কেউ না আসে। বছরে সবাই দেখুক নতুন সূর্য, নতুন আলো, নতুন আশা।

 

শহিদুল হাসান: সহকারী অধ্যাপক, ইতিহাস বিভাগ, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

ই-মেইল: sahidul.hasan@du.ac.bd