বাংলাদেশের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা খাতকে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর করতে প্রায় এক শতাব্দীর পুরনো একটি কোম্পানিকে নিয়ে কাজ চলা শুরু করে দ্য হোমিও রিসার্চ ল্যাবরেটরি (বিডি) লিমিটেড (এইচআরএল)। কোম্পানিটির শিকড় প্রায় ১০০ বছর পেছনে ছড়ানো থাকলেও এর আধুনিক রূপ যাত্রা শুরু করে ২০১৪ সালে।
নরসিংদীর ঘোড়াশালে প্রায় সাড়ে ১০ হাজার বর্গফুট জায়গার ওপর গড়ে ওঠে নতুন কারখানা। বর্তমানে এখানে প্রায় ১৫০ কর্মী সরাসরি উৎপাদন প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আছে। প্রতিষ্ঠানটির লক্ষ্য ছিল দেশের সব ধরনের হোমিওপ্যাথিক সলিউশনের চাহিদা পূরণ করা। চিনকোনা থেকে শুরু করে কমপ্লেক্স মিক্সচার, ড্রপস, ট্রাইট্রেশন, সলিউশন ও ট্যাবলেট।
হোমিওপ্যাথিক ট্যাবলেট উৎপাদনের সক্ষমতা প্রতিষ্ঠানটির অন্যতম অর্জন। এ সক্ষমতা আগে বাংলাদেশে ছিল না বললেই চলে। এ ট্যাবলেট উৎপাদনের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানটি হোমিও চিকিৎসায় নতুন একটি দিগন্ত উন্মোচন করেছে।
প্রতিষ্ঠানটিতে নতুন প্রযুক্তি ও যন্ত্রপাতি স্থাপনের চ্যালেঞ্জ ছিল অনেক। তখনই এইচআরএল সহযোগিতা খুঁজে পায় প্রাইম ব্যাংকের কাছে। ২০১৪ সাল থেকেই প্রতিষ্ঠানটির আর্থিক অংশীদার হিসেবে পাশে থেকেছে ব্যাংকটি।
এইচআরএলের উদ্যোক্তা মো. বেলায়েত হোসেনের সন্তান ও প্রতিষ্ঠানটির পরিচালক মো. ওয়াসিফ হোসেন বলেন, ‘যখন যন্ত্রপাতি আধুনিকীকরণের কাজ শুরু করি, তখনই প্রাইম ব্যাংকে যাওয়া। তাদের সহযোগিতায় আমরা বিভিন্ন মেশিনারিজ স্থাপন করেছি।’
এইচআরএল বর্তমানে একটি সুসংগঠিত প্রতিষ্ঠান হলেও উদ্যোক্তারা এখানেই থেমে থাকতে চান না। ভবিষ্যতের জন্য রয়েছে স্পষ্ট ও সাহসী পরিকল্পনা। আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে তারা হারবাল মেডিসিন উৎপাদন শুরু করতে চান। পাশাপাশি একটি ১০ বছরের রোডম্যাপ তৈরি করেছেন তারা। লক্ষ্য রয়েছে, বর্তমান ব্যবসাকে ১০ গুণ বৃদ্ধি করা। এ পরিকল্পনার মধ্যে রয়েছে নতুন প্রযুক্তি, রফতানি বাজারে প্রবেশ, গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ব্যবস্থার আরো উন্নয়ন এবং দক্ষ মানবসম্পদ গড়ে তোলা।










