নারায়ণগঞ্জের মেসার্স জাকির হোসেন অ্যান্ড ব্রাদার্সের স্বত্বাধিকারী মো. জাকির হোসেন। পাট ও পিপি (পলিপ্রোপাইলিন) ব্যাগ বা বস্তা উৎপাদন করছেন বংশপরম্পরায়। দাদা ও বাবাও যুক্ত ছিলেন এ ব্যবসার সঙ্গে। সেই সুবাদে তিনিও চালিয়ে যাচ্ছেন ব্যাগ ও বস্তা উৎপাদন।
মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘আমাদের ব্যবসাটা আদি যুগ থেকেই চলমান। দাদা ও–বাবার পথ অনুসরণ করেই আমি এ পথে এসেছি। পরিবার থেকেই শিখেছি ব্যাগের চাহিদা, উৎপাদন প্রক্রিয়া ও ব্যবসার নীতিমালা।’
বাংলাদেশের মতো একটি কৃষি ও শিল্পনির্ভর দেশে প্যাকেজিং ব্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। খাদ্যদ্রব্য থেকে শুরু করে সিমেন্ট, সার, পশুখাদ্য—প্রায় প্রতিটি পণ্যের পরিবহন ও সংরক্ষণে প্রয়োজন হয় টেকসই ব্যাগের। এ চাহিদা মেটাতেই নিরলস কাজ করে চলেছে তার প্রতিষ্ঠান। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানটিতে প্রায় ৩০ জন নিয়োজিত আছেন।
একদিকে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগ, অন্যদিকে আধুনিক প্রয়োজন অনুযায়ী টেকসই ও সাশ্রয়ী পলিপ্রোপাইলিন (পিপি) ব্যাগ। এই দুটি পণ্যেই দক্ষতা গড়ে তুলেছে মেসার্স জাকির হোসেন অ্যান্ড ব্রাদার্স। দেশের বিভিন্ন মিল, ফ্যাক্টরি, কৃষি ও খাদ্যভিত্তিক প্রতিষ্ঠান তাদের বড় ক্রেতা।
প্রাইম ব্যাংকের সঙ্গে প্রায় ১৫ বছরের পথচলা জাকির হোসেন অ্যান্ড ব্রাদার্সের। স্বত্বাধিকারী মো. জাকির বলেন, ‘প্রাইম ব্যাংক আমাদের যথেষ্ট সহযোগিতা করেছে। ব্যবসার প্রয়োজনে যখনই পাশে দরকার হয়েছে, তারা এসেছে দ্রুততম সময়ের মধ্যে।’
বিনিয়োগ, যন্ত্রপাতির উন্নয়ন, কাঁচামাল সংগ্রহ ও ক্রেতা সরবরাহ চেইন, সবখানেই ব্যাংকের সহায়তা ব্যবসাকে করেছে আরো টেকসই। জাকির হোসেন মনে করেন, বাংলাদেশের ব্যাগ উৎপাদন খাতের ভবিষ্যৎ খুব উজ্জ্বল। বিশেষ করে পরিবেশবান্ধব পাটের ব্যাগের বিশ্ববাজারে ক্রমবর্ধমান চাহিদা রয়েছে। এ সুযোগ কাজে লাগাতে তিনি ব্যবসাকে আরো আধুনিক ও প্রযুক্তিনির্ভর করার পরিকল্পনা করছেন।





