দেশের স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের আকার কত?
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগের সুযোগ দিন দিন সম্প্রসারণ হচ্ছে। বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) তথ্যমতে, ২০২৩ সালে দেশের স্বাস্থ্য খাতের বাজারের আকার প্রায় ১ হাজার ৪০০ কোটি ডলার ছুঁয়েছে। এ বিশাল বাজারের প্রেক্ষাপটে দেখা যায়, দেশের স্বাস্থ্যসেবার ৭৫ শতাংশই বেসরকারি খাতের মাধ্যমে পরিচালিত হচ্ছে। ২০১৯ সালের তথ্যানুযায়ী, দেশে ৫ হাজার ৫৪টি বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিক এবং ৯ হাজার ৫২৯টি ডায়াগনস্টিক সেন্টার নিবন্ধিত ছিল, যা এ খাতে বেসরকারি অংশগ্রহণের পরিসরকে স্পষ্ট করে।
সরকার এরই মধ্যে স্বাস্থ্য খাতে শতভাগ বিদেশী বিনিয়োগ (এফডিআই) অনুমোদন দিয়েছে এবং নির্দিষ্ট শর্তে কর অবকাশ সুবিধাও দিচ্ছে, যা বিনিয়োগকারীদের জন্য একটি উৎসাহজনক পদক্ষেপ। প্রতি বছর প্রায় আট লাখ বাংলাদেশী উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশে যান এবং এতে প্রায় ৩৫০ কোটি ডলার দেশের বাইরে চলে যায়। এ অর্থ দেশের অভ্যন্তরে ধরে রাখার একটি বড় সুযোগ তৈরি হয়, যদি আমরা উন্নত ও মানসম্পন্ন চিকিৎসা সুবিধা দেশে গড়ে তুলতে পারি। বর্তমানে মাথাপিছু স্বাস্থ্য ব্যয় গড়ে ৫৪ ডলার, যা দক্ষিণ এশিয়ার অন্যান্য দেশের তুলনায় তুলনামূলকভাবে কম হলেও সংখ্যাটি ভবিষ্যতে বাড়ার সম্ভাবনা রয়েছে। এটি বিনিয়োগকারীদের জন্য সম্ভাব্য মুনাফার একটি ইঙ্গিত বহন করে। বিশেষায়িত হাসপাতাল, টেলিমেডিসিন, স্বাস্থ্য বীমা ও মেডিকেল টেকনোলজির মতো খাতে বিনিয়োগের প্রচুর সুযোগ রয়েছে।
সার্বিকভাবে বলা যায়, বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে বেসরকারি বিনিয়োগ লাভজনক ও সময়োপযোগী হতে পারে। তবে এ লাভজনকতা নিশ্চিত করতে হলে মানসম্পন্ন সেবা, দক্ষ মানবসম্পদ ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার অপরিহার্য।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের অধীনে প্রথম বাজেট এবার। দেশের স্বাস্থ্য খাতে এ বাজেটে আপনারা কী ধরনের ঘোষণা প্রত্যাশা করছেন?
নতুন বাজেটের প্রেক্ষাপটে দেশের স্বাস্থ্য খাতে কিছু গুরুত্বপূর্ণ ও সময়োপযোগী ঘোষণা প্রত্যাশিত। প্রথমত, বাজেটে স্বাস্থ্য খাতে বরাদ্দ বৃদ্ধির প্রয়োজনীয়তা রয়েছে, বিশেষ করে গুণগত সেবা উন্নয়ন ও মানবসম্পদ উন্নয়নে। স্বাস্থ্য বাজেট এখনো জাতীয় বাজেটের একটি সীমিত অংশজুড়ে আছে, যা কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আনতে যথেষ্ট নয়।
দ্বিতীয়ত, প্রান্তিক ও গ্রামীণ জনগোষ্ঠীর জন্য সাশ্রয়ী এবং সহজলভ্য স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা জরুরি। এ লক্ষ্যে ইউনিয়ন পর্যায়ের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে চিকিৎসক ও নার্স নিয়োগ, মোবাইল মেডিকেল ইউনিট চালু এবং টেলিমেডিসিন সেবার সম্প্রসারণের জন্য বাজেটে বরাদ্দ প্রয়োজন।
তৃতীয়ত, স্বাস্থ্য বীমা চালুর মাধ্যমে আর্থিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি। বর্তমানে বেশির ভাগ চিকিৎসা খরচ ব্যক্তির নিজস্ব পকেট থেকেই আসে, যা দরিদ্র জনগণের জন্য বড় বোঝা। বাজেটে পাইলটভিত্তিক স্বাস্থ্য বীমা এবং নিম্ন আয়ের জনগোষ্ঠীর জন্য চিকিৎসা ভাউচার চালুর উদ্যোগ প্রত্যাশিত।
চতুর্থত, মাতৃ ও শিশু স্বাস্থ্য উন্নয়নের জন্য ‘সেফ মাদারহুড’, টিকাদান কর্মসূচি এবং পুষ্টি উন্নয়ন প্রকল্পে বরাদ্দ বাড়ানোর দাবি রয়েছে। পাশাপাশি স্থানীয়ভাবে ওষুধ ও চিকিৎসা যন্ত্রাংশ উৎপাদনে সহায়তা দেয়া, গবেষণায় বিনিয়োগ এবং স্বাস্থ্য খাতের মানবসম্পদ বিশেষত চিকিৎসক, নার্স ও পাবলিক হেলথ বিশেষজ্ঞ তৈরিতে বাজেটে গুরুত্বারোপ প্রয়োজন।
এ বাজেটে যদি বাস্তবভিত্তিক, মানবিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক পদক্ষেপ নেয়া হয়, তবে তা একটি সুস্থ জাতি গঠনের ভিত্তি তৈরি করতে পারে।
চিকিৎসাসেবায় দক্ষ জনশক্তির অভাব নিরসনে কী পদক্ষেপ নেয়া যেতে পারে?
বাংলাদেশের স্বাস্থ্য খাতে দক্ষ জনশক্তির ঘাটতি একটি দীর্ঘদিনের সমস্যা। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার মতে, প্রতি ১০ হাজারে ২৩ জন স্বাস্থ্যকর্মী থাকা উচিত হলেও বাংলাদেশে এ সংখ্যা অনেক কম। চিকিৎসক ও নার্সদের অনুপাতে ভারসাম্যহীনতা এবং টেকনিক্যাল স্টাফের অভাব, স্বাস্থ্যসেবার মান ও কার্যকারিতা দুই-ই ব্যাহত করছে। এ সংকট নিরসনে প্রথমেই চিকিৎসা ও নার্সিং শিক্ষার মানোন্নয়ন এবং সম্প্রসারণ দরকার। নতুন মেডিকেল ও নার্সিং কলেজ স্থাপন এবং বিদ্যমান প্রতিষ্ঠানগুলোয় কারিকুলামে কমিউনিটিভিত্তিক প্রশিক্ষণ অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।
বিদেশগামী রোগী কমিয়ে আনতে দেশের স্বাস্থ্যসেবায় কোনো রোডম্যাপ করা যায় কিনা?
বাংলাদেশ থেকে প্রতি বছর প্রায় আট লাখ মানুষ চিকিৎসার জন্য বিদেশে যায়। এ প্রেক্ষাপটে একটি সমন্বিত রোডম্যাপ অত্যন্ত জরুরি। দেশে বিশ্বমানের বিশেষায়িত হাসপাতাল যেমন ক্যান্সার, হৃদরোগ, কিডনি ও নিউরোসার্জারির জন্য স্থাপন করা প্রয়োজন। সরকারি-বেসরকারি অংশীদারত্ব (পিপিপি) মডেলে এসব হাসপাতাল গঠন করা যেতে পারে। পাশাপাশি বিদেশফেরত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের দেশে ফিরিয়ে আনতে আর্থিক প্রণোদনা ও সম্মানজনক পেশাগত সুযোগ তৈরি করা দরকার। একই সঙ্গে বেসরকারি স্বাস্থ্য খাতের মান নিয়ন্ত্রণে একটি শক্তিশালী নিয়ন্ত্রক সংস্থা গঠন এবং আন্তর্জাতিক মান অনুযায়ী সার্টিফিকেশন চালু করতে হবে।
চিকিৎসা গ্রহণের ক্ষেত্রে ব্যক্তির নিজস্ব ব্যয় (আউট অব পকেট পেমেন্ট) ৭০ শতাংশের বেশি। ব্যক্তির নিজস্ব এ ব্যয় কমাতে বাজেট কী ভূমিকা রাখতে পারে?
বাংলাদেশে স্বাস্থ্য খাতে ব্যক্তিগত ব্যয়ের পরিমাণ ৭০-৭৫ শতাংশের মধ্যে, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সর্বোচ্চ। এ উচ্চ ব্যয় সাধারণ জনগণের জন্য বিশেষত দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর ওপর এক ধরনের আর্থিক চাপ তৈরি করে। এ পরিস্থিতি থেকে উত্তরণের জন্য বাজেটের মাধ্যমেই কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া সম্ভব।
প্রথমত, বাজেটে স্বাস্থ্যসেবায় সরকারি বরাদ্দ বাড়াতে হবে, বিশেষ করে প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা এবং সরকারি হাসপাতালগুলোর মানোন্নয়ন ও সেবার পরিধি বাড়ানোর মাধ্যমে। এতে জনগণ কম খরচে সরকারি সেবা গ্রহণে উৎসাহিত হবে।
দ্বিতীয়ত, জাতীয় স্বাস্থ্য বীমা চালু করে তা ধাপে ধাপে বিস্তৃত করতে হবে, যেন জনসাধারণ ঝুঁকি মোকাবেলার আর্থিক সুরক্ষা পায়। বেসরকারি ও কর্মসংস্থানভিত্তিক বীমা কার্যক্রম স্বাস্থ্য খাতের অন্তর্ভুক্তিকে বাড়িয়ে তুলতে পারে।
তৃতীয়ত, সরকারি হাসপাতালে ওষুধ ও চিকিৎসাসেবার জন্য বাজেটের মাধ্যমে ভর্তুকি প্রদান এবং রোগী কল্যাণ ফান্ড গঠন করলে ব্যক্তিগত ব্যয়ের পরিমাণ কমবে।
বেসরকারিভাবে দেশে রোগ নির্ণয় কেন্দ্র, হাসপাতাল, মেডিকেল কলেজ, ইনস্টিটিউটের সংখ্যা বাড়ছে। তাতে কি স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় ও ভোগান্তি কমেছে বলে মনে করেন?
বাংলাদেশে বিগত দশকে বেসরকারি খাতে স্বাস্থ্যসেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ২০২৩ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, দেশে নিবন্ধিত বেসরকারি হাসপাতাল ও ক্লিনিকের সংখ্যা প্রায় ১৫ হাজার এবং ডায়াগনস্টিক সেন্টার রয়েছে ১০ হাজারের বেশি। এছাড়া বেসরকারি মেডিকেল কলেজও বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০টির অধিক। এ পরিসংখ্যান দেখে অনেকেই আশাবাদী হতে পারেন যে স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে আমরা এগিয়ে চলেছি। তবে প্রশ্ন থেকে যায় এ বৃদ্ধির ফলে কী আসলেই স্বাস্থ্য খাতের ব্যয় ও ভোগান্তি কমেছে?
একদিকে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা অবকাঠামোর বিস্তার কিছু ইতিবাচক দিক নিশ্চিত করেছে। বিশেষ করে শহরাঞ্চলে চিকিৎসা গ্রহণের সুযোগ বেড়েছে এবং সরকারি ব্যবস্থার তুলনায় অপেক্ষার সময় কম হওয়ায় দ্রুত চিকিৎসা পাওয়া যাচ্ছে। উন্নত প্রযুক্তির ব্যবহারের কারণে অনেক বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে রোগ নির্ণয়ের নির্ভুলতা ও গতি কিছুটা বেড়েছে। তদুপরি নতুন নতুন বেসরকারি মেডিকেল কলেজ চিকিৎসক তৈরিতে ভূমিকা রাখছে, যা ভবিষ্যতে জনবল সংকট মোকাবেলায় সহায়ক হতে পারে। তবে বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা মূলত লাভজনক হওয়ায় চিকিৎসার ব্যয় দিন দিন সাধারণ মানুষের সাধ্যের বাইরে চলে যাচ্ছে। বাংলাদেশে বর্তমানে আউট অব পকেট এক্সপেনডিচার (ওওপি) অর্থাৎ ব্যক্তিগত ব্যয়ে চিকিৎসা গ্রহণের হার ৭০ শতাংশেরও বেশি, যা দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে অন্যতম উচ্চ হার। ফলে দরিদ্র ও মধ্যবিত্ত শ্রেণীর মানুষ মারাত্মক আর্থিক ঝুঁকির মুখে পড়ছে।
অনেক বেসরকারি স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠান মান নিয়ন্ত্রণের আওতার বাইরে পরিচালিত হচ্ছে। বাংলাদেশ হেলথ ওয়াচের এক সমীক্ষা অনুযায়ী, প্রায় ৩৫ শতাংশ ডায়াগনস্টিক সেন্টার সঠিকভাবে রেগুলেটেড নয়। ফলে ভুল চিকিৎসা, অপ্রয়োজনীয় পরীক্ষা এবং অনিয়মিত ব্যবস্থাপনার মতো ঘটনা বেড়েই চলেছে।
বেসরকারি খাত মূলত শহরকেন্দ্রিক। ফলে গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এখনো স্বাস্থ্যসেবার জন্য সরকারি ব্যবস্থার ওপর নির্ভরশীল। এ ব্যবস্থায় বাজেট, জনবল ও অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার কারণে সে চাহিদা পূরণ সম্ভব হচ্ছে না, ফলে গ্রামীণ জনগণের ভোগান্তি আগের মতোই রয়ে গেছে।
বিশেষায়িত চিকিৎসার দিক থেকে বাংলাদেশে এখনো পিছিয়ে। এর সংকট ও সীমাবদ্ধতা কোথায়? সুনির্দিষ্টভাবে জাতীয় বাজেটে এজন্য কী নীতি গ্রহণ করা উচিত?
বিশেষায়িত চিকিৎসা বলতে বোঝায় এমন স্বাস্থ্যসেবা, যা উচ্চমাত্রার দক্ষতা, প্রযুক্তি এবং অবকাঠামোর সমন্বয়ে পরিচালিত হয় যেমন কার্ডিয়াক সার্জারি, ক্যান্সার থেরাপি, নিউরোসার্জারি, বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি, কিডনি ট্রান্সপ্লান্ট ইত্যাদি। এসব সেবায় বাংলাদেশ এখনো দক্ষিণ এশিয়ার অনেক দেশের তুলনায় পিছিয়ে রয়েছে। এ পশ্চাৎপদতার পেছনে রয়েছে কিছু সুস্পষ্ট সংকট ও সীমাবদ্ধতা। ডব্লিউএইচওর সুপারিশ অনুযায়ী, প্রতি ১০ লাখ মানুষের জন্য কমপক্ষে ২২৬ জন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক প্রয়োজন, অথচ বাংলাদেশে রয়েছে মাত্র ৬০ জন। ফলে উচ্চ মানের সেবা পৌঁছে দেয়া সম্ভব হচ্ছে না। দেশের অধিকাংশ হাসপাতালেই আধুনিক যন্ত্রপাতির যথেষ্ট ঘাটতি রয়েছে এবং অনেক ক্ষেত্রে এসব যন্ত্রপাতি নষ্ট হয়ে পড়ে থাকে ব্যবহারের অভাবে কিংবা রক্ষণাবেক্ষণের দুর্বলতায়। বিশেষায়িত চিকিৎসা রাজধানীকেন্দ্রিক হওয়ায় দেশের প্রায় ৭০-৮০ শতাংশ মানুষ এসব সেবা থেকে বঞ্চিত। এতে প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর স্বাস্থ্যঝুঁকি বেড়েছে এবং জীবন বাঁচানো চিকিৎসা অনেক সময় অধরাই থেকে যাচ্ছে।
এ সংকট নিরসনে জাতীয় বাজেটে সুনির্দিষ্ট ও বাস্তবসম্মত নীতিগত পদক্ষেপ গ্রহণ অত্যন্ত জরুরি। আঞ্চলিকভাবে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যকেন্দ্র গড়ে তোলার মাধ্যমে চিকিৎসার কেন্দ্রীকরণ কমাতে হবে। প্রতিটি বিভাগ বা জেলা পর্যায়ে বিশেষায়িত স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানের ইউনিট স্থাপনে বরাদ্দ রাখতে হবে। জনবল উন্নয়নে বিনিয়োগ করতে হবে। দেশে ও বিদেশে স্কলারশিপ, রেসিডেন্সি প্রোগ্রাম এবং ফেলোশিপের মাধ্যমে দক্ষ চিকিৎসক, নার্স ও টেকনিশিয়ান তৈরির উদ্যোগ নিতে হবে। আধুনিক ও নির্ভরযোগ্য যন্ত্রপাতি ক্রয়ের জন্য বাজেটে একটি নির্দিষ্ট বরাদ্দ থাকা উচিত। পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপ মডেলকে জাতীয় বাজেটে গুরুত্ব দিয়ে এমন অংশীদারত্বমূলক প্রকল্পে বিনিয়োগ করতে হবে, যাতে বেসরকারি খাতের প্রযুক্তি ও দক্ষতা ব্যবহার করে সাশ্রয়ী এবং আধুনিক চিকিৎসা জনগণের নাগালে আনা যায়।










