আর্থিক সেক্টরে স্পেশালি এনবিএফআই সেক্টরে সব থেকে বড় সমস্যা হলো স্প্রেড। যারা ভালো করছে তাদের কিন্তু তারল্য নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমি আমার ক্যারিয়ারে দেখেছি একসময় ১০ শতাংশ স্প্রেডও ছিল। সেখান থেকে নামতে নামতে ৩ শতাংশে চলে এসেছে। শেষ ছয় মাসে এটা তো মনে হয় ২ শতাংশে নেমে আসছে? গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিপোজিট রেট এবং লেন্ডিং রেটে কিছু পরিবর্তন আনার কারণে স্প্রেডটা এখন একটু বাড়ছে। যেহেতু অনেক অর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের গ্রাহকদের কিছুটা আস্থার সংকটের কারণে ডিপোজিটটা সহজে পাচ্ছে না। বেশি রেট দিয়ে তারা ডিপোজিট নিচ্ছে। সুতরাং তাদের স্প্রেডটা অনেক কম। এ স্প্রেড দিয়ে অনেকের সার্ভাইভ করাটা কঠিন হয়ে যাচ্ছে। আইডিএলসি এবং তার সঙ্গে যারা ডিবিএইচ, আইপিডিসি, লংকাবাংলা ফাইন্যান্সসহ অন্যান্য যারা আছে তারা মোটামুটি ভালো করে যাচ্ছে উত্তম করপোরেট সুশাসনের কারণে। এ সেক্টরে আমরা সব থেকে ভালো করেছি, আমাদের করপোরেট সুশাসন যেমন ভালো, তেমন আমাদের তারল্য পরিস্থিতি খুবই শক্তিশালী। তার ওপর কেন্দ্রীয় ব্যাংক থেকে আমরা যে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল পেয়েছি, সেটা আমাদের অনেক সাহায্য করেছে। এটা লো কস্ট ফান্ড। এর মাধ্যমে পরীক্ষিত গ্রাহককে আমি অর্থায়ন করার সুযোগ পাচ্ছি। আমি মনে করি এনবিএফআই সেক্টরে আইডিএলসি যদি একা ভালো করে তাহলে কিন্তু আমি বলব যে এটা আমার জন্য সাসটেইনেবল নয়। আমরা চাই যে পুরো সেক্টরই ভালো করুক।
আমাদের প্রত্যাশা পুরো এনবিএফআই খাত ভালো করুক
আর্থিক সেক্টরে স্পেশালি এনবিএফআই সেক্টরে সব থেকে বড় সমস্যা হলো স্প্রেড। যারা ভালো করছে তাদের কিন্তু তারল্য নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমি আমার ক্যারিয়ারে দেখেছি একসময় ১০ শতাংশ স্প্রেডও ছিল। সেখান থেকে নামতে নামতে ৩ শতাংশে চলে এসেছে। শেষ ছয় মাসে এটা তো মনে হয় ২ শতাংশে নেমে আসছে? গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিপোজিট রেট এবং লেন্ডিং রেটে
Printed Edition
আর্থিক সেক্টরে স্পেশালি এনবিএফআই সেক্টরে সব থেকে বড় সমস্যা হলো স্প্রেড। যারা ভালো করছে তাদের কিন্তু তারল্য নিয়ে তেমন কোনো সমস্যা হচ্ছে না। আমি আমার ক্যারিয়ারে দেখেছি একসময় ১০ শতাংশ স্প্রেডও ছিল। সেখান থেকে নামতে নামতে ৩ শতাংশে চলে এসেছে। শেষ ছয় মাসে এটা তো মনে হয় ২ শতাংশে নেমে আসছে? গত কয়েক মাসে বাংলাদেশ ব্যাংক তার ডিপোজিট রেট এবং লেন্ডিং রেটে





