এনবিএফআই খাত গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ ভালো যাচ্ছে। সার্বিকভাবে এ খাতে করপোরেট সুশাসন পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যেসব অসংগতি ছিল সেগুলো যে একেবারেই চলে গেছে তা না। তবে নতুন করে ঘটনা কমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে অন্যান্য সুপারভিশন ব্যাপার কড়াকড়ি করার ফলে এ জাতীয় ঘটনা কমে এসেছে। গত বছরের তুলনায় যদি আমরা লাভ-ক্ষতি হিসেবে বিবেচনা করি এ বছরটা আপনি দেখবেন যে প্রতিটা এনবিএফআইয়ের গত বছরের তুলনায় লাভের পরিমাণ কমেছে। অর্থাৎ ঋণাত্মক একটা প্রবৃদ্ধি হয়েছে। এটার প্রধান কারণ হচ্ছে সুদহার। গত বছরের চেয়ে কস্ট অব ফান্ড আমাদের সবারই বেড়ে গিয়েছে। গত জুলাই থেকে আমাদের যে নতুন মুদ্রানীতি চালু হয়েছে, সেটার ফলে আমাদের লেন্ডিং রেট ক্যাপ যেটা ছিল সেটা এখন উঠে গেছে। সেটা রিপ্লেস হয়েছে স্মার্টের মাধ্যমে। ফলে আমাদের স্প্রেডের আশা করছি কিছুটা উন্নতি হবে। ডিবিএইচের বেশকিছু পরিকল্পনা আছে। ২০১৮ সালের আগ পর্যন্ত আমাদের কার্যক্রম মোটামুটি ঢাকা ও চট্টগ্রামকেন্দ্রিক ছিল। এরপর আমরা বিভাগীয় শাখা স্থাপনের মাধ্যমে বিভাগীয় শহরগুলো কাভার করেছি। এ মুহূর্তে আমাদের ১৪টা শাখা আছে। আমরা আরো বেশি শাখা করব। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে সাশ্রয়ী আবাসন নিশ্চিত করা। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। আমাদের সক্ষমতা বাড়ানোর জন্য অর্থায়নের বিষয়ে আমরা কাজ করছি। আগামী বছরের মধ্যে আমাদের ঋণের পোর্টফোলিও আরো বাড়ানোর পরিকল্পনা করছি।
এনবিএফআই খাত গত কয়েক বছরের তুলনায় বেশ ভালো যাচ্ছে। সার্বিকভাবে এ খাতে করপোরেট সুশাসন পরিস্থিতি আগের চেয়ে উন্নত হয়েছে। আর্থিক প্রতিষ্ঠানে যেসব অসংগতি ছিল সেগুলো যে একেবারেই চলে গেছে তা না। তবে নতুন করে ঘটনা কমে এসেছে। বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে শুরু করে অন্যান্য সুপারভিশন ব্যাপার কড়াকড়ি করার ফলে এ জাতীয় ঘটনা কমে এসেছে। গত বছরের তুলনায় যদি আমরা লাভ-





