আমরা কিছুদিন ধরে সংকট মোকাবেলা করে চলছি। আসলে সংকট চলার পথের একটি অংশ। মানুষের জীবনেও কিন্তু সংকট থাকে। কারো জীবন কিন্তু সংকটমুক্ত না। মাঝে মাঝে কিছু অনিশ্চয়তা আসে। নন-ব্যাংক আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোও সে রকম কিছু চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করছে। কিন্তু গ্র্যাজুয়ালি আমরা উন্নতি করে যাচ্ছি এবং আগামী দিনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় নিজেদের প্রস্তুত করে যাচ্ছি। একটা প্রতিষ্ঠানে যদি সুশাসন থাকে, সেখানে যদি ঋণগ্রহীতা সিলেকশন ঠিকমতো হয়, ঝুঁকি যদি ঠিকভাবে মোকাবেলা করা যায়, ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে যদি ডকুমেন্টেশন ঠিকভাবে হয়, সিকিউরিটির বিষয়গুলো যদি সঠিকভাবে পালন করা হয়, ইন্টারনাল প্রক্রিয়া এবং ম্যানেজমেন্ট যদি ঠিকমতো হয়, তাহলে একটা প্রতিষ্ঠান নিশ্চিতভাবেই ভালো করবে। কারণ তখন ঋণখেলাপি হওয়ার সম্ভাবনা কমে যায়। বিএলএফসিএর পক্ষ থেকে আমরা বিশ্লেষণ করেছি এখানে কী সমস্যা হচ্ছে, কী পদক্ষেপ প্রয়োজন। প্রধান সমস্যা এ মুহূর্তে যেটি তা হচ্ছে খেলাপি ঋণ বৃদ্ধি। ফলে আমাদের ইফেক্টিভ মার্জিন কমে যাচ্ছে, নগদ টাকার উৎস কমে যাচ্ছে, প্রফিটে সমস্যা হচ্ছে। এরই মধ্যে আমরা ঋণের অর্থ ফেরত আনার বিষয়ে একটি প্রশিক্ষণের আয়োজন করেছি। আমরা আশাবাদী আমাদের আগামী বছর অনেক ভালো যাবে। ২০২৩ সালে প্রতিষ্ঠানগুলোর উন্নয়নে যেসব কাজ আমরা করেছি আশা করি আগামী ২০২৪ সালে সেটার সুফল আমরা পাব। আমি মনে করি ২০২৪ সাল আমাদের জন্য উত্তরণের বছর হবে। অধিকাংশ আর্থিক প্রতিষ্ঠান একটি ভালো অবস্থানে চলে যাবে।