শুধু বাংলাদেশ না, পুরো বিশ্বই এখন একটা বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। বাংলাদেশ তার ব্যতিক্রম নয় এবং আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো দেশের বিদ্যমান পরিস্থিতির প্রতিফলন। মূলত ব্যবসায়ীদের ওপর সামষ্টিক অর্থনীতির যে চ্যালেঞ্জগুলো রয়েছে সেগুলোই আমাদের চ্যালেঞ্জ। আমরা একটু খেলাপি ঋণের উচ্চপ্রবৃদ্ধি দেখতে পাচ্ছি। পাশাপাশি রেগুলার পেমেন্টও বাধাগ্রস্ত হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে আর্থিক প্রতিষ্ঠান মিশ্র অবস্থানে আছে। কিন্তু নতুন মুদ্রানীতির পর পরিস্থিতি কিছুটা স্বাভাবিক হচ্ছে এবং আমরা এর প্রভাব দেখতে পাচ্ছি। আপনারা দেখেছেন যে বর্তমানে ডেফিসিট সবচেয়ে কম এবং আমাদের আর্থিক প্রতিষ্ঠানের স্প্রেড কমে যাচ্ছিল, সেটা পুনরায় স্বাভাবিক হচ্ছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের শাখা খুবই কম এবং এ মুহূর্তে বাড়ানোর কোনো সম্ভাবনা নেই। আমাদের মাত্র সাতটি শাখা রয়েছে কিন্তু দেশের ৩০টি জেলায় আমাদের ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। একটা কোলাবোরেশন মডেলের মাধ্যমে এটি পরিচালিত হচ্ছে। আমরা সাত-আটটা কোলাবোরেশন পার্টনার নির্ধারণ করেছি। যারা বিভিন্ন খাত নিয়ে কাজ করে। ফিনটেক আছে, এগ্রোটেক আছে, সার্ভিস টেক আছে। এ প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে প্রযুক্তির মাধ্যমে ঢাকায় বসে সিরাজগঞ্জ, পাবনাসহ দেশের বিভিন্ন জেলায় প্রান্তিক পর্যায়ে সহায়তা করা সম্ভব হচ্ছে। বাংলাদেশ ফাইন্যান্সের পরিচালনা পর্ষদ মোটা দাগে চারটি গোল নির্ধারণ করে দিয়েছে। একটি হচ্ছে ঢাকার বাইরে যেয়ে রুটে বা প্রত্যন্ত অঞ্চলে পৌঁছানো। দ্বিতীয়টি হচ্ছে সাসটেইনেবল ফাইন্যান্সিয়াল পণ্য বাড়ানো। তৃতীয় হচ্ছে প্রযুক্তির মাধ্যমে ব্যবসায়িক মডেল তৈরি করা। সবশেষ হচ্ছে কোলাবোরেশন বা অংশীদারত্ব।