আশির দশকের মাঝামাঝি এনবিএফআই তার পথচলা শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা লিজ ফাইন্যান্সের ব্যবসা করতাম। কেন করতাম সেটার কারণ হলো তখন বাংলাদেশে এ কনসেপ্ট ছিল না। এ কোম্পানিগুলো যখন বাংলাদেশে কাজ করতে শুরু করে তখন কিছু ট্যাক্স সুবিধা ছিল এবং ইনিশিয়াল ডেপ্রিসিয়েশন নামে একটা বিষয় ছিল। অর্থাৎ লিজ ফাইন্যান্সিং করলে লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান কিছু সুবিধা পেত। আমাদের দেশে ব্যাংক ছাড়া অল্টারনেটিভ ফাইন্যান্সিংয়ের কোনো উৎস ছিল না। কারো কোনো টাকার প্রয়োজন হলে তাকে ব্যাংকেই যেতে হতো। কিন্তু লিজ ফাইন্যান্সিং আসার পর বিকল্প ধারা তৈরি হয়েছে। মাসে মাসে লোনের কিস্তি পরিশোধ করার ধারণা লিজিং কোম্পানি বাংলাদেশে পরিচিত করে। যেটি গ্রাহকদের জন্য সহজ বিষয় ছিল। আমরা যখন যাত্রা শুরু করি তখন এসএমই এদেশে আনুষ্ঠানিক ফাইন্যান্স হিসেবে জনপ্রিয় ছিল না। করোনার কারণে সবাই ক্ষতিগ্রস্ত। তবে প্রান্তিক পর্যায়ে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তারা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তাদের অনেকে এ অবস্থা থেকে আর ফেরত আসতে পারেনি। এ ধাক্কাটা আমাদের ওপর এসেছে। দেশে ১৫টি শাখার মাধ্যমে সাড়ে তিন হাজার ক্ষুদ্র গ্রাহককে ঋণ দেয়া হয়েছে। গ্রাহকরা যে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সেটার সরাসরি প্রভাব আমাদের ওপর পড়েছে। আমরা এখনো চাপে আছি। তবে গ্রাহকদের সবচেয়ে বেশি অগ্রাধিকার দিচ্ছি। আমাদের লক্ষ্য হলো মিড লেভেলের এসএমই গ্রাহক। আমরা তাদের নিয়ে এগোতে চাই। আমরা বড় পোর্টফোলিও করতে চাই কিন্তু সিস্টেম্যাটিক গ্রোথের মাধ্যমে।
মিড লেভেলের এসএমই গ্রাহকদের নিয়ে এগোতে চাই
আশির দশকের মাঝামাঝি এনবিএফআই তার পথচলা শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা লিজ ফাইন্যান্সের ব্যবসা করতাম। কেন করতাম সেটার কারণ হলো তখন বাংলাদেশে এ কনসেপ্ট ছিল না। এ কোম্পানিগুলো যখন বাংলাদেশে কাজ করতে শুরু করে তখন কিছু ট্যাক্স সুবিধা ছিল এবং ইনিশিয়াল ডেপ্রিসিয়েশন নামে একটা বিষয় ছিল। অর্থাৎ লিজ ফাইন্যান্সিং করলে লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান কিছু সুবিধা পেত।
Printed Edition
আশির দশকের মাঝামাঝি এনবিএফআই তার পথচলা শুরু করে। প্রাথমিক পর্যায়ে আমরা লিজ ফাইন্যান্সের ব্যবসা করতাম। কেন করতাম সেটার কারণ হলো তখন বাংলাদেশে এ কনসেপ্ট ছিল না। এ কোম্পানিগুলো যখন বাংলাদেশে কাজ করতে শুরু করে তখন কিছু ট্যাক্স সুবিধা ছিল এবং ইনিশিয়াল ডেপ্রিসিয়েশন নামে একটা বিষয় ছিল। অর্থাৎ লিজ ফাইন্যান্সিং করলে লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান কিছু সুবিধা পেত।





