এনবিএফআই খাতে সবার গুণগত মান, অবস্থান এক না। অতীতে কিছু প্রতিষ্ঠানের অনাকাঙ্ক্ষিত কাজগুলোর কারণে পুরো খাতের সুনামের ব্যাঘাত হয়। পরবর্তী সময়ে ছোট প্রতিষ্ঠানগুলো ভুক্তভোগী হয়ে এখন স্থবির অবস্থায় এসে দাঁড়িয়েছে। শীর্ষ পাঁচটা বা আটটা প্রতিষ্ঠান দৃঢ়তার সঙ্গে এ খাতে ভালোভাবে কাজ করার চেষ্টা করছে। বাংলাদেশ ব্যাংক যেভাবে খাতটিকে শৃঙ্খলায় আনার চেষ্টা করছে, এ খাতে যারা আছি তারাও চেষ্টা করছি যাতে এ খাতের ইমেজকে পুনর্গঠন করা যায়। সেক্টরে যারা ভালো করছে, তাদের উদাহরণ সামনে রেখে সামনের দিনগুলোয় আরো বেশি কার্যকরী ঝুঁকি নিয়ন্ত্রণ এবং অভ্যন্তরীণ নিয়ন্ত্রণ, সুশাসন প্রতিষ্ঠা, দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে এ খাতকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে হবে। যেগুলো সমস্যাকবলিত হয়ে খুব খারাপ অবস্থায় আছে, সেগুলোকে কীভাবে পুনর্গঠন করা যায়, তার দিকে নজর দিচ্ছি। এসএমইতে আমরা প্রযুক্তিনির্ভর ব্যবসায়িক পরিকল্পনায় বেশি নজর দিচ্ছি। হাউজিং ফাইন্যান্স খাতে ঢাকা ও চট্টগ্রামের বাইরে বেশি বিকশিত হয়নি। এখন শহর ও শহরতলিতে অনেক বেশি ডিমান্ড তৈরি হচ্ছে। সেখানে আমরা নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর পাশে কার্যকরভাবে দাঁড়াতে চাই। যারা এ মুহূর্তে আর্থিক খাত থেকে যথাযথ মনোযোগ পাচ্ছে না, সে খাতগুলো যেমন তরুণ, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী, সীমিত আয়ের পরিবারের জীবনযাত্রার মানের উন্নয়নে যে প্রতিষ্ঠান সবচেয়ে বেশি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে আইপিডিসি তাদের একটি। বাংলাদেশের সেরা পাঁচ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের মধ্যে স্থান করে নিতে আইপিডিসি সে পরিকল্পনা নিয়ে এগোচ্ছে।