২৭ জুন আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস। এবারের প্রতিপাদ্য বিষয়—‘Empowering MSMEs for a Sustainable Future’। আগামীর পৃথিবীকে বাসযোগ্য করার ক্ষেত্রে এমএসএমই খাতের অর্থবহ ভূমিকার বিষয়টি এবারের প্রতিপাদ্যের মাধ্যমে স্বীকৃত ও প্রতিফলিত হয়েছে।
জাতিসংঘের হিসাবে বিশ্বব্যপী ব্যবসার ৯০ ভাগ, কর্মসংস্থানের ৬০-৭০ ভাগ ও জিডিপির ৫০ ভাগ এমএসএমই খাতের অবদান। বাংলাদেশের ক্ষেত্রে ব্যবসার প্রায় ৯৯ ভাগ ও কর্মসংস্থানের প্রায় ৮০ ভাগ হলেও জিডিপিতে এ খাতের অবদান এখনো তুলনামূলক কম। তবে বর্তমান সরকারের উদ্যোক্তাবান্ধব নীতিমালা এবং কর্মসূচির কারণে দেশে উদ্যোক্তা সৃষ্টি ও উন্নয়নে অনুকূল পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছে। এসএমই ফাউন্ডেশন সরকারের সহযোগী প্রতিষ্ঠান হিসেবে এ লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে।
আন্তর্জাতিক এমএসএমই দিবস উপলক্ষে দেশের সব মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন। আমি আন্তরিকভাবে বিশ্বাস করি, বর্তমান অভ্যন্তরীণ ও বৈশ্বিক প্রেক্ষাপটে দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রাকে টেকসই রাখা এবং সুষম অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়নের মাধ্যমে ২০৪১ সালের মধ্যে একটি ক্ষুধা ও দারিদ্র্যমুক্ত উন্নত সোনার বাংলাদেশ গড়ার ক্ষেত্রে এমএসএমই খাতের ভূমিকা ও অবদান অব্যহতভাবে বাড়বে।





