বাংলাদেশের উন্নয়নে সিএমএসএমইর অবদান অনস্বীকার্য। সিএমএসএমইরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরীকরণ, বড় শিল্পকে সহায়তা এবং গ্রামীণ ও শহরের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে দেশের অর্থনীতিতে টেকসই অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করছেন। সিএমএসএমই বাংলাদেশের জিডিপির ২৫ শতাংশ এবং মোট শিল্প কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশ অবদান রাখছে। দেশের অর্থনীতিতে সিএমএসএমইর গুরুত্বপূর্ণ অবদান থাকা সত্ত্বেও আর্থিক ও নীতি সহায়তার অভাবে এ খাত সম্পূর্ণ দক্ষতা এবং সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে পারছে না। উদ্যোক্তারা প্রায়ই নানামুখী চ্যালেঞ্জের সম্মুখীন হন, যার মধ্যে সহজে অর্থায়ন, অবকাঠামো উন্নয়ন, উদ্ভাবন, আধুনিক দক্ষতা ও প্রযুক্তির ব্যবহার এবং নীতি-নির্দেশিকার অভাব অন্যতম। বাণিজ্যিক ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো সিএমএসএমইকে ঋণ দেয়া ব্যয়বহুল ও ঝুঁকিপূর্ণ বিবেচনা করায় সিএমএসএমইরা পর্যাপ্ত অর্থায়ন সেবা পান না। প্রয়োজনীয় তহবিলের সীমাবদ্ধতার কারণে এ খাতে প্রতিযোগিতা, নতুন বাজার সৃষ্টি, জনবল নিয়োগ ও কার্যকরী বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অসুবিধার সম্মুখীন হতে হয়। ঢাকা চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি (ডিসিসিআই) বেসরকারি খাতের নেতৃত্বদানকারী অন্যতম একটি সংগঠন হিসেবে ছয় দশক ধরে সব শ্রেণীর শিল্প ও ব্যবসার পরিবেশ উন্নয়নে সরকার ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি বজায় রাখতে হলে এসএমই খাতের উদ্যোক্তাদের আরো প্রযুক্তিগত, কারিগরি ও আর্থিক সহযোগিতা দেয়া জরুরি।
বাংলাদেশের উন্নয়নে সিএমএসএমইর অবদান অনস্বীকার্য। সিএমএসএমইরা কর্মসংস্থান সৃষ্টি, উদ্যোক্তা তৈরীকরণ, বড় শিল্পকে সহায়তা এবং গ্রামীণ ও শহরের মধ্যে বিদ্যমান বৈষম্য দূর করে দেশের অর্থনীতিতে টেকসই অবস্থা বজায় রাখতে সাহায্য করছেন। সিএমএসএমই বাংলাদেশের জিডিপির ২৫ শতাংশ এবং মোট শিল্প কর্মসংস্থানের ৮০ শতাংশ অবদান রাখছে। দেশের অর্থনীতিতে সিএমএসএমইর গুরুত্বপূর্ণ





