বাংলাদেশ এখন বিশ্ব অর্থনীতিতে এক অন্যতম উদীয়মান শক্তি। বিশ্ব সম্প্রদায়ের মতে বাংলাদেশ কয়েক বছরের মধ্যে অন্যতম অর্থনৈতিক শক্তি হিসেবে আবির্ভূত হতে যাচ্ছে। সরকারের সঙ্গে বেসরকারি খাতের সম্মিলিত উদ্যোগেই দেশের এ অগ্রগতি সম্ভব হচ্ছে। আমাদের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এ ধারাকে অব্যাহত রাখতে এমএসএমই খাতের উন্নয়নের বিকল্প নেই। মধ্যম আয়ের দেশে উত্তরণ, টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা অর্জন এবং ২০৪১ সাল নাগাদ উন্নত দেশ গড়তে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের ক্লাস্টারভিত্তিক উন্নয়নসহ উদ্যোক্তাদের জন্য ব্যবসাবান্ধব পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সহজ করতে হবে অর্থায়ন প্রাপ্তির প্রক্রিয়াও।
এসএমই খাতের উন্নয়নে ব্যাংকগুলোকে এগিয়ে আসতে হবে। প্রকৃত উদ্যোক্তা চিহ্নিত করে ব্যাংক-ক্লায়েন্ট সম্পর্ক বিবেচনায় প্রাথমিক পর্যায়ে জামানতে কিছুটা ছাড় দিয়ে হলেও স্টার্ট-আপদের এগিয়ে নিতে হবে। পাশাপাশি গড়ে তুলতে হবে খাতভিত্তিক দক্ষ জনশক্তি।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দূরদর্শী দিকনির্দেশনায় কুটির, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পের টেকসই উন্নয়নে এরই মধ্যে বেশকিছু উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। সরকারের পাশাপাশি বেসরকারি খাতকেও তাদের মেধা, সৃজনশীল চিন্তা ও কৌশলকে কাজে লাগিয়ে শতাব্দীর চাহিদা উপযোগী পণ্য উৎপাদন এবং পণ্য বৈচিত্র্যকরণে নজর বাড়াতে হবে। সক্ষমতা অর্জন করতে হবে চলমান বৈশ্বিক সংকটের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলারও।





