বৈশ্বিক ব্যবসার সিংহভাগই এসএমই খাতের। কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে বড় ভূমিকা রেখে চলেছে এ খাত। বিশ্বের কর্মক্ষম দরিদ্র, নারী, যুবক ও পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে এসএমই খাতের অবদান উল্লেখযোগ্য। কর্মসংস্থান সৃষ্টি ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে মাইক্রো, ক্ষুদ্র ও মাঝারি খাতকে আরো এগিয়ে নেয়াই এমএসএমই দিবসের লক্ষ্য। দেশের ব্যবসা-বাণিজ্যের পীঠস্থান চট্টগ্রাম। এ অঞ্চলের ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তারা নানা প্রতিবন্ধকতা মোকাবেলা করে আজ দেশের শীর্ষস্থানীয় শিল্পোদ্যোক্তার খাতায় নাম লিখিয়েছেন। সরকারের সহায়তা, এসএমই ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলো বিনিয়োগের মাধ্যমে যেভাবে ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের নিজের পায়ে দাঁড়ানোর শক্তি জোগাচ্ছে, সেটি দেশের অর্থনীতিকে বিকশিত করার পেছনে বড় অবদান রাখছে। চট্টগ্রামের মতো বন্দরকেন্দ্রিক নগরীতে অসংখ্য ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোক্তাকে আরো বেশি সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয়া হলে দেশের অর্থনীতিকে শক্তিশালী পর্যায়ে নিয়ে যাবেন পাদপ্রদীপের তলানিতে থাকা উদ্যোক্তারা। সারা বিশ্বের অগ্রগতিতে এসএমই খাত যেভাবে কার্যকর ভূমিকা রেখেছে, সহজ শর্তের সুবিধাগুলোকে কাজে লাগিয়ে বাংলাদেশের উদ্যোক্তারাও এগিয়ে যাবেন, বাংলাদেশকে বিশ্বের বুকে নতুন পরিচয়ে তুলে ধরবেন এমএসএমই দিবসে এটাই প্রত্যাশা।