উত্তরবঙ্গ কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় এ অঞ্চলের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ডলারেরও নিচে। দেশের পিছিয়ে পড়া নয়টি জেলার মধ্যে পাঁচটিই পড়েছে রংপুর অঞ্চলে। কৃষিপ্রধান এসব জেলায় ভারী শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। তাই প্রধানমন্ত্রীও মনে করছেন শুধু কৃষি নয়, শিল্পের উন্নতি ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে না। এক্ষেত্রে জমি, স্থাপনা, মেশিনারিজ ও মূলধন প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্প বিকাশের সুযোগ আছে। ব্যাংকিং ব্যবস্থায় যে ঋণখেলাপি বা অব্যবস্থাপনা পরিলক্ষিত হচ্ছে, সেক্ষেত্রে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানের এসএমই সিস্টেম এবং অন্যান্য লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠানের সমবায় সমিতির লেনদেন এ খাতে বিপ্লব ঘটিয়েছে। এসব পদ্ধতিতে ঋণ ও মূলধন পরিশোধের চাপ থাকলেও অধিকাংশ অর্থ লগ্নিকারী প্রতিষ্ঠান এসএমই পদ্ধতিতে ঋণ কার্যক্রমের দিকে ঝুঁকছে। ফলে দেশের উত্তরাঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প সম্প্রসারণ হচ্ছে। ঢাকার বিভিন্ন গার্মেন্টসের ঝুট ব্যবহার করে সেটিকে শিল্পে রূপ দেয়া হচ্ছে। এখন সরকার যদি ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ায়, তাদের উৎপাদিত পণ্য রফতানির সুযোগ তৈরি করে দেয়, তাহলে দেশের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে যাবে।
সরকার ক্ষুদ্র উদ্যোক্তাদের পাশে দাঁড়ালে দেশের অর্থনৈতিক চেহারা বদলে যাবে
উত্তরবঙ্গ কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় এ অঞ্চলের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ডলারেরও নিচে। দেশের পিছিয়ে পড়া নয়টি জেলার মধ্যে পাঁচটিই পড়েছে রংপুর অঞ্চলে। কৃষিপ্রধান এসব জেলায় ভারী শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। তাই প্রধানমন্ত্রীও মনে করছেন শুধু কৃষি নয়, শিল্পের উন্নতি ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে না। এক্ষেত্রে জমি, স্থাপনা, মেশিনারিজ ও মূলধন প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্প
Printed Edition
উত্তরবঙ্গ কৃষিপ্রধান এলাকা হওয়ায় এ অঞ্চলের মাথাপিছু আয় ১ হাজার ডলারেরও নিচে। দেশের পিছিয়ে পড়া নয়টি জেলার মধ্যে পাঁচটিই পড়েছে রংপুর অঞ্চলে। কৃষিপ্রধান এসব জেলায় ভারী শিল্প-কারখানা গড়ে ওঠেনি। তাই প্রধানমন্ত্রীও মনে করছেন শুধু কৃষি নয়, শিল্পের উন্নতি ছাড়া অর্থনৈতিক মুক্তি আসবে না। এক্ষেত্রে জমি, স্থাপনা, মেশিনারিজ ও মূলধন প্রয়োজন। এসব অঞ্চলে ক্ষুদ্র ও মাঝারি কুটির শিল্প





