অর্থনীতির হৃৎপিণ্ড হলো এসএমই খাত। বিশ্বের মোট কর্মসংস্থানের অর্ধেক এসএমই খাতে হয়েছে। বিশ্ব জিডিপির ৪০ শতাংশ অর্জিত হচ্ছে এ খাতের ওপর ভিত্তি করে। এ পরিসংখ্যানগুলো থেকেই বোঝা যায়, যেকোনো অর্থনীতির জন্য এসএমই খাত কত বেশি গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্বের সব ব্যাংকই এখন বিনিয়োগের ক্ষেত্রে এসএমই খাতকে অগ্রাধিকার দিচ্ছে। মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকও (এমটিবি) এক্ষেত্রে ব্যতিক্রম নয়। কয়েক বছর ধরেই আমরা এসএমই খাতে বিনিয়োগ বাড়াচ্ছি। নতুন উদ্যোক্তা তৈরি ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে জোর দিচ্ছি।

মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের সব শাখায় ২৬ জুন বিশ্ব এসএমই দিবস উদযাপন হয়েছে। দিবসটিকে স্মরণীয় করে রাখতে আমরা প্রতিটি শাখাকে অন্তত একটি এসএমই ঋণ প্রস্তাব ব্যাংকের প্রধান কার্যালয়ে পাঠানোর জন্য নির্দেশ দিয়েছি। 

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য মতে, ২০১৩ সালে সিএমএসএমই খাতে ঋণ দেয়ার পরিমাণ ছিল ৮৫ হাজার ৩২৩ কোটি টাকা, যা ২০২২ সালের শেষে ১৫৮ শতাংশ বেড়ে ২ লাখ ২০ হাজার ৪৮৯ কোটি টাকা হয়েছে। নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যে দিয়েও সিএমএসএমইরা ঋণ নিয়ে তা দিয়ে ব্যবসা করে দেশের অর্থনীতিতে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছেন। এসএমই খাতের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের পক্ষ থেকে বেশকিছু পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করা হয়েছে। তহবিলগুলো থেকে অর্থ এনে আমরা উদ্যোক্তাদের মধ্যে বিতরণ করছি। বিশ্ব এসএমই দিবসে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্পে জড়িত সব উদ্যোক্তাকে জানাই শুভেচ্ছা ও শুভকামনা।