বর্তমান সমাজ ব্যবস্থা ও ধ্যানধারণার কারণে অনেক সময় নারী উদ্যোক্তারা ঋণ নেয়া এবং ব্যবসা সম্প্রসারণ করতে নিরুৎসাহিত বোধ করেন। এমনকি আমি যখন শুরু করেছিলাম তখনো কিন্তু আজকের অবস্থাটা ছিল না। আজকে নারী উদ্যোক্তাদের এগিয়ে দেয়ার জন্য আমাদের যেমন সরকারি প্রয়াস রয়েছে, বেসরকারিভাবেও আমরা এগিয়ে যেতে পারছি। এখন নারী উদ্যোক্তা ও ব্যাংকের মধ্যে একটা সুসম্পর্ক স্থাপন হয়েছে। নারী উদ্যোক্তাদের যে প্রতিবন্ধকতা থাকে, সেটা কিন্তু এখন আর তেমন নেই। ক্ষুদ্র ও মাঝারি উদ্যোগ নারীদের অনেক দূর এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে। মনে রাখা দরকার এসএমই হচ্ছে অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। বর্তমানে সিলেটে কয়েকশ নারী ব্যবসা-বাণিজ্যে জড়িয়েছেন। কিন্তু নারী উদ্যোক্তাদের সব দিক বিবেচনা করে ব্যবসায় নামতে হবে। কারণ ব্যবসা সম্পর্কে সঠিক ধারণা ও একাগ্রতায় লক্ষ্যে পৌঁছা যায়। আবার ব্যাংকিং প্রতিষ্ঠানগুলোকেও মনে রাখতে হবে নারীরাই হতে পারে ব্যাংক ও আর্থিক খাতের অন্য প্রতিষ্ঠানের ঋণগ্রহীতার একটি বড় অংশ। কাজেই শুরু থেকে যেসব ব্যাংক বা আর্থিক প্রতিষ্ঠান তাদের সঙ্গে থাকবে, সেগুলোর জন্য একটি বড় মুনাফা অর্জনের সুযোগ পেতে পারে।