মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের নির্দেশে ন্যাশনাল গার্ড ও ফেডারেল বাহিনী ওয়াশিংটন ডিসির রাস্তায় মোতায়েন হয়েছে। মঙ্গলবার (১২ আগস্ট) শহরের বিভিন্ন স্থানে সাঁজোয়া যান, ব্যারিকেড ও ক্যামোফ্লেজ পোশাকের সৈন্য দেখা গেছে। কর্মকর্তাদের মতে, ৮০০ ন্যাশনাল গার্ড সদস্য ও ৫০০ ফেডারেল এজেন্ট মোতায়েন করা হবে। খবর রয়টার্স।
ডিসির মেয়র মুরিয়েল বাউসার সেনা মোতায়েনকে 'স্বৈরাচারী পদক্ষেপ' বলে অভিহিত করেছেন। তবে তিনি ফেডারেল বাহিনীর সঙ্গে কাজ করার কথাও বলেছেন। এদিকে, নিউ ইয়র্ক ও শিকাগোতেও একই ধরনের পদক্ষেপ নেয়ার হুমকি দিয়েছেন ট্রাম্প।
হোয়াইট হাউস জানায়, সোমবার রাতে বিভিন্ন অপরাধে ২৩ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এর মধ্যে অর্ধেক গ্রেফতারে এফবিআই জড়িত ছিল। এদিকে, হোয়াইট হাউসের কাছাকাছি লোগান সার্কেলে এক বন্দুকধারীর গুলিতে এক ব্যক্তি নিহত হয়েছেন, যা এ বছরের ১০০তম হত্যাকাণ্ড হিসেবে নথিভুক্ত হয়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ডিসিতে ২০২৩ সালের পর সহিংস অপরাধের হার গত বছর ৩৫% কমেছে, তবে সমালোচকেরা তথ্য গোপনের অভিযোগ তুলেছেন। এফবিআইয়ের হিসাব অনুযায়ী, গত বছর অপরাধের হার ৯% হ্রাস পেয়েছে, যদিও রাজধানীতে হত্যার হার এখনো বড় শহরগুলোর চেয়ে বেশি।
চলতি গ্রীষ্মে এটি দ্বিতীয় ঘটনা যখন ট্রাম্প কোনো ডেমোক্র্যাট-নিয়ন্ত্রিত শহরে সেনা মোতায়েন করলেন। এর আগে ক্যালিফোর্নিয়ার গভর্নর গ্যাভিন নিউসমের অনুমতি ছাড়াই জুন মাসে লস অ্যাঞ্জেলেসে ন্যাশনাল গার্ড পাঠান ট্রাম্প। এ ঘটনায় ট্রাম্পের বিরুদ্ধে ফেডারেল আদালতে মামলা চলছে। ট্রাম্প ইঙ্গিত দিয়েছেন, শিকাগোসহ অন্যান্য বড় ডেমোক্র্যাট-শাসিত শহরও পরবর্তী লক্ষ্যবস্তু হতে পারে।














