চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করতে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও কার্যকর বিধিমালা তৈরির ওপর জোর দিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম। জনগণের কাছে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাবার পৌঁছে দিতে সচেতনতার পাশাপাশি আইনি বাধ্যবাধকতা জরুরি বলে মনে করেন তিনি।
রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশে আয়োজিত এক সেমিনারে আজ এসব কথা বলেন প্রতিমন্ত্রী। ‘কনভেনিং পার্টনারশিপ অন ফুড ফর্টিফিকেশন’ শীর্ষক এ সেমিনারের আয়োজন করে ফর্টিফিকেশন অ্যালায়েন্স অব বাংলাদেশ (এফএবি)। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খাদ্যমন্ত্রী আফরোজা খানম। চাল ও আটা-ময়দায় পুষ্টি উপাদান যুক্ত করার বিষয়ে দ্রুত আইন প্রণয়ন ও বিধিমালা তৈরির জন্য খাদ্যমন্ত্রীর প্রতি আহ্বান জানান মীর শাহে আলম।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, লবণ ও ভোজ্যতেলে আয়োডিন ও ভিটামিন যুক্ত করার উদ্যোগ সফল হয়েছে। তবে চাল ও আটার ক্ষেত্রে এ কার্যক্রম এখনো পুরোপুরি বাস্তবায়ন করা যায়নি। দেশে প্রতি বছর প্রায় ৩ কোটি ৯২ লাখ টন চাল উৎপাদিত হয়। বিপরীতে চালের বার্ষিক চাহিদা ৩ কোটি ২৫ লাখ থেকে ৩ কোটি ২৬ লাখ টন। উৎপাদন ও মজুত পর্যাপ্ত থাকায় চালের পুষ্টি উপাদান সমৃদ্ধ করার উদ্যোগ বাস্তবায়নে সঠিক পরিকল্পনা ও সময়োপযোগী রূপরেখা তৈরি করা সম্ভব বলে জানান তিনি।
মীর শাহে আলম আরো বলেন, হাসপাতাল, এতিমখানা, শিশু সদন এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর রেশনসহ সরকারি বিভিন্ন খাদ্য সহায়তা কর্মসূচিতে সরবরাহ করা চাল ও আটায় পর্যায়ক্রমে পুষ্টি উপাদান যুক্ত করা বাধ্যতামূলক করা যেতে পারে।
খাদ্যনিরাপত্তা ও পুষ্টি কার্যক্রম আরো গতিশীল করতে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের কাজের পরিধি বাড়ানো এবং তাদের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করারও আহ্বান জানান প্রতিমন্ত্রী।









