গাজীপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন বিলকিস বেগম। বছর পাঁচেক আগে শুরুটা হয়েছিল হেলপার হিসেবে। বেতন ছিল ৫ হাজার টাকা। তারপর ধীরে ধীরে পদোন্নতি পেয়ে হন অপারেটর। এখন বেতন ১২ হাজার টাকা। নিরাপত্তাকর্মী স্বামীর আয়ও প্রায় সমান। সব দিয়েও সংসার চালাতে হিমশিম খেতে হয়। মোট বেতনের প্রায় অর্ধেকই চলে যায় বাসা ভাড়ায়। তার ওপর আছে তিন ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ। উচ্চ মূল্যস্ফীতির এ বাজারে পাতে মাছ-মাংস ওঠে না বললেই চলে। তাই বেতন বৃদ্ধিসহ বিভিন্ন দাবিতে সম্প্রতি আন্দোলনে নেমেছিলেন বিলকিসদেরসহ আশপাশের সব পোশাক কারখানার শ্রমিকরা। দাবি পূরণের আশ্বাস পেয়ে আবারো কাজে ফিরেছেন।