অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচে ড্রয়ের পর দ্বিতীয় ম্যাচে শুরুটা দুর্দান্ত করেছিল ব্রাজিল। ৩ মিনিটেই ভেন্ডারসনের গোলে এগিয়ে যায় পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়নরা। তবে শুরুর সেই ছন্দ ধরে রাখতে পারেনি কার্লো আনচেলত্তির দল। ৫ মিনিটের ব্যবধানে দুই গোল হজম করে বসেছে তারা। যদি ৪৫তম মিনিটে আবার ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। এ গোলের ফলে ব্রিসবেনের ল্যাং পার্কে প্রথমার্ধ শেষে স্কোরলাইন ২-২। এর আগে টাউনসভিলে দুই দলের প্রথম ম্যাচ ১-১ গোলে ড্র হয়েছিল।

ম্যাচের শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল। দ্বিতীয় মিনিটে ডান প্রান্ত দিয়ে তৈরি আক্রমণ থেকে ভান্দেরসন দুর্দান্ত ফিনিশিংয়ে বল জালে পাঠান। দ্রুত গোল হজম করলেও অস্ট্রেলিয়া নিজেদের ছন্দ হারায়নি। ২৮ মিনিটে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। মেটকাফের নেওয়া কর্নার ব্রাজিলের এক খেলোয়াড়ের মাথায় লেগে বল চলে যায় দূরের পোস্টে থাকা আলেসান্দ্রো সিরকাটির কাছে। দারুণ ভঙ্গিতে পা ছুঁইয়ে বল জালে পাঠান অস্ট্রেলিয়ার এই ডিফেন্ডার। গোলটি অফসাইড কি না, তা দেখতে ভিএআরের সাহায্য নিলেও গোল বহাল থাকে।

৩৩তম মিনিটে লিড নেয় অস্ট্রেলিয়া। আলেসান্দ্রোর বাড়ানো বলে জাল খুঁজে পান কনর মেটকেলফ। তাতে ম্যাচে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় স্বাগতিকরা।

পিছিয়ে পড়ার পর ৪৫তম মিনিটে আবার ঘুরে দাঁড়ায় ব্রাজিল। ডান প্রান্ত থেকে আক্রমণে উঠে আসা দানিলো অস্ট্রেলিয়ার বক্সে ঢোকার সময় হ্যারি সাউটার তার পায়ের সামনে ঝাঁপিয়ে পড়েন। দানিলোর পায়ে আঘাত লাগায় তিনি পড়ে গেলে প্রথমে খেলা চালিয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন রেফারি। পরে ভিএআরের পরামর্শে পেনাল্টির সিদ্ধান্ত দেন তিনি। স্পটকিকের দায়িত্ব নেন রাফিনিয়া। ব্রাজিলের অধিনায়ক নিচু শটে বল পাঠান গোলের নিচের কোণায়। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ সঠিক দিকেই ঝাঁপিয়েছিলেন, কিন্তু শটের গতি এতটাই বেশি ছিল যে বল ঠেকাতে পারেননি। এ গোলের ফলে প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার আগেই ২-২ সমতায় ফেরে ব্রাজিল।