ঢাকার অভিজাত আবাসিক এলাকাগুলোতে জমির পরিমাণ সীমিত হলেও আবাসনের চাহিদা বাড়ছে। ফলে নতুন প্রকল্পগুলোর নকশায় শুধু আবাসিক ইউনিট তৈরি নয়, একই সঙ্গে ব্যক্তিগত পরিসর, পার্কিং, বিনোদন ও দৈনন্দিন ব্যবহারের বিভিন্ন সুবিধা যুক্ত করার প্রবণতাও দেখা যাচ্ছে। গুলশান ১-এর সিডব্লিউএসবি, ৩৪ নম্বর রোডের ৪ নম্বর প্লটে নির্মাণাধীন ‘প্রিভে বাই নাভানা’ এমন একটি আবাসিক প্রকল্প।
১০ দশমিক ৬৭ কাঠা জমির ওপর নির্মিত হচ্ছে নাভানা রিয়েল এস্টেট লিমিটেডের এ প্রকল্প। ৫৫ ফুট প্রশস্ত সড়কের পাশে অবস্থিত ভবনটির কাঠামো দুটি বেজমেন্ট, গ্রাউন্ড ফ্লোর ও ১১টি তলা নিয়ে। এখানে রাখা হয়েছে মোট ১০টি আবাসিক ইউনিট। প্রতিটি ইউনিটের আয়তন প্রায় ৫ হাজার ১৫ বর্গফুট। তুলনামূলক কমসংখ্যক ইউনিটের মাধ্যমে বড় আয়তনের আবাসিক পরিসর তৈরিই প্রকল্পটির অন্যতম বৈশিষ্ট্য।
ফ্ল্যাটের অভ্যন্তরীণ বিন্যাসে ব্যবহার করা হয়েছে বিভিন্ন ধরনের নির্মাণ ও সজ্জা উপকরণ। প্রবেশদ্বারে রয়েছে ৮ ফুট উচ্চতার সলিড বর্মা সেগুন কাঠের দরজা ও ডিজিটাল লক। মেঝেতে ব্যবহার করা হয়েছে ৩২ বাই ৩২ ইঞ্চি আকারের বড় ফরম্যাটের আমদানি করা টাইলস। রান্নাঘরে রয়েছে গ্রানাইট কাউন্টারটপ ও ডাবল বার্নারের ব্যবস্থা।
আবাসিক ইউনিটের বাইরে ভবনের বিভিন্ন তলায় রাখা হয়েছে বেশকিছু সাধারণ সুবিধা। গ্রাউন্ড ফ্লোরে রয়েছে অভ্যর্থনা লাউঞ্জ, বাগান ও জলাধার। প্রথম তলায় রাখা হয়েছে পার্টি লাউঞ্জ ও প্যান্ট্রি। ভবনের ১২তম তলা ও ছাদে রয়েছে সুইমিং পুল, জিমনেসিয়াম, বারবিকিউ এলাকা ও ছাদবাগান। অর্থাৎ আবাসিক ব্যবহারের পাশাপাশি অবসর ও সামাজিক কর্মকাণ্ডের জন্যও আলাদা কিছু জায়গা রাখা হয়েছে।
পার্কিংয়ের জন্য ভবনের দুটি বেজমেন্ট ব্যবহার করা হবে। সেখানে সাধারণ পার্কিংয়ের পাশাপাশি বৈদ্যুতিক গাড়ির চার্জিং ব্যবস্থা ও কার ওয়াশ জোন রয়েছে। ভবনের পরিচালন ও নিরাপত্তা ব্যবস্থায় সিসিটিভি ক্যামেরা, স্বয়ংক্রিয় অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা এবং ব্যাকআপ জেনারেটর রাখা হয়েছে। তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে ভিআরএফ এয়ার কন্ডিশনিং এবং পানির ব্যবস্থাপনায় সেন্ট্রাল ওয়াটার পিউরিফিকেশন সিস্টেম যুক্ত করা হয়েছে।
ভবনে চলাচলের জন্য রয়েছে দুটি লিফট। নির্মাণ শেষ হওয়ার পর প্রকল্পটির দৈনন্দিন পরিচালনা ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব পালন করবে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের ফ্যাসিলিটিজ মেইনটেন্যান্স বিভাগ।










