কৃষিকাজে সেচের ব্যবস্থা করা, মাছ উৎপাদন বৃদ্ধি, পানিপ্রবাহ বাড়ানো এবং জলাবদ্ধতা দূরীকরণে সরকার খাল খননকে বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে। সারা দেশে খাল খননের পাশাপাশি খালের উভয় পাশে বৃক্ষরোপণসহ সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। দীর্ঘদিন খাল খনন না হওয়ায় দেশব্যাপী সেচ ব্যবস্থার অভাব ও জলাবদ্ধতায় জনদুর্ভোগ বেড়েছে।

খাল খননের মাধ্যমে মানুষের জীবন-জীবিকার আমূল পরিবর্তন হবে। খাল খনন কর্মসূচি একটি বিপ্লব, যা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান শুরু করেছিলেন। খাল খনন বর্তমান সরকারের নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিগুলোর মধ্যে অন্যতম। এরই মধ্যে একাধিক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার মাধ্যমে ১৮০ দিনের কর্মসূচি হাতে নেয়া হয়েছে। খাল খননের দৃশ্যমান কর্মযজ্ঞ শুরু হয়ে গেছে।

দেশব্যাপী খালের দখল ও দূষণ প্রতিরোধেও উদ্যোগ নেয়া হবে। অবৈধ দখলদারদের হাত থেকে খাল পুনরুদ্ধার করে হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনা হবে। খাল পুনরুদ্ধারের পাশাপাশি খালের পাড় সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় বৃক্ষরোপণ ও সৌন্দর্যবর্ধন করা হবে। খাল খনন, উন্নয়ন ও সংরক্ষণে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো নির্মাণ করা হবে। পাশাপাশি স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়কে কাজে লাগিয়ে আধুনিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনার উদ্যোগ নিতে হবে।