যতটুকু সরবরাহ ও সংরক্ষণ করা যায়, তা করতে হবে। জ্বালানি খাতে যেসব দেশের সঙ্গে বাংলাদেশের চুক্তি রয়েছে, তাদের কাছ থেকে চুক্তির সর্বোচ্চ পরিমাণ আমদানির বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
এর জন্য যদি কূটনৈতিক চ্যানেল ব্যবহার করতে হয় বাংলাদেশকে তা করতে হবে। দ্বিতীয়ত, আমাদের দেশে জ্বালানি তেলের পর্যাপ্ত মজুদ ও পরিশোধনাগার নেই।
বহুদিন ধরে এ অবকাঠামো গড়ে তোলার কথা বলা হচ্ছে। কিন্তু বিগত সরকার তা পারেনি। অন্তত দুই-তিন মাসের মজুদ ব্যবস্থা গড়ে তোলা গেলে যুদ্ধের প্রভাব এড়ানো সম্ভব।
তৃতীয়ত, আমাদের রিজার্ভ ঠিক রাখতে হবে। এটা ঠিক রাখা না গেলে টাকার অবমূল্যায়ন আরো বেড়ে যাবে। জিনিসপত্রের দাম নিয়ন্ত্রণে রাখা কঠিন হবে।
সেই সঙ্গে মূল্যস্ফীতিও তীব্র আকারে বাড়তে শুরু করবে। ফলে এসব বিষয় নিয়ে সরকার যাতে কার্যকর উদ্যোগ নিতে পারে এটাই ব্যবসায়ীদের নতুন সরকারের কাছে প্রত্যাশা।










