প্রতিযোগিতার মাধ্যমে বিশ্ববাজারে প্রতিষ্ঠা করেছি। আমাদের তৈরি পোশাক এবং টেক্সটাইল মিলিয়ে প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারের মার্কেট। আরো ৫০টি পণ্যে প্রতিযোগিতায় সক্ষম হলে সেগুলোর বিশ্ববাজার হয়তো ১০০ বিলিয়ন ডলারের বাজার হবে। কিন্তু এমন একটা প্রতিযোগিতায় আমরা সক্ষমতা প্রমাণ করেছি যে যেটার প্রায় ১ হাজার বিলিয়ন ডলারের বিশ্ববাজার আছে। আমরা তৈরি পোশাকে বিশ্বে দ্বিতীয়। আমরা ৬ শতাংশে, যেখানে চীন ৩০ শতাংশের মতো। এখন প্রায় সবাই চায়না প্লাস ওয়ান বলেছে। আর আমি মনে করি, তৈরি পোশাক খাতের বৈচিত্র্যকরণও একটা বড় সুযোগ। আমাদের তৈরি পোশাক খাত কটনের ওপর ৭০ ভাগ নির্ভরশীল। রফতানি হলো কটনভিত্তিক তৈরি পোশাক খাত। বিশ্ববাজারে কিন্তু সিংহভাগ নন-কটন যা সিনথেটিক, ম্যানমেড ফাইবার ও পলিয়েস্টার ইত্যাদি।
আমাদের তৈরি পোশাক খাতের ভেতরেও বড় ধরনের বৈচিত্র্যকরণের সুযোগ আছে। একই সঙ্গে আমাদের মোট রফতানির ৮৮ শতাংশের মতো যায় উত্তর আমেরিকা, ইউরোপের দেশগুলোয়। দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব এশিয়া ও আসিয়ান মিলে মাত্র ১২ শতাংশ রফতানি হয়। বাজার বৈচিত্র্যকরণের দিকটাও খুব গুরুত্বপূর্ণ। তৈরি পোশাক খাতের বড় বাজারটা আমরা নিতে পারি। আরএমজির বাইরে আমাদের আরো অনেক খাত আছে যেগুলো খুবই সম্ভাবনাময়। এর একটা হলো ফার্মাসিউটিক্যালস। তৈরি পোশাক খাতের চেয়েও এর অনেক বড় বাজার।










