তবে কিছু কাজ এখনই শুরু করা জরুরি। আমাদের প্রথম অগ্রাধিকার হলো সামষ্টিক অর্থনীতির স্থিতিশীলতা। এজন্য সরকারি ব্যয়ের অগ্রাধিকার পুনর্নির্ধারণ করতে হবে।
প্রবাসীদের পাঠানো রেমিট্যান্সের খরচ কমাতে হবে, যাতে এর প্রবাহ আরো বাড়ে। পাশাপাশি আর্থিক ব্যবস্থাপনাকে শক্তিশালী করা এবং ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ও স্থিতিশীলতা ফিরিয়ে আনা অত্যন্ত জরুরি। রফতানিতে আমরা তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীল, যা দীর্ঘমেয়াদে টেকসই নয়।
রফতানি পণ্যের বৈচিত্র্যকরণ ও প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বাড়াতে হবে। আরএমজি খাতে যেসব সহায়তা দেয়া হচ্ছে, তা অন্যান্য শিল্পকেও দেয়া উচিত, যাতে তারাও সমানভাবে বিকশিত হতে পারে। বেসরকারি বিনিয়োগ উৎসাহিত করতে একটি জাতীয় বিনিয়োগ নীতি থাকতে হবে এবং বিনিয়োগের পরিবেশ সংস্কারের জন্য একটি জাতীয় সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা প্রয়োজন।
এছাড়া ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধার্থে চট্টগ্রাম ও মোংলা বন্দরের সক্ষমতা বাড়ানো, আধুনিকায়ন এবং সেখানে যানজট কমানো জরুরি। কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে আমাদের জনবলের ‘সঠিক দক্ষতা’ নিশ্চিত করতে হবে। শিল্পের প্রকৃত চাহিদা অনুযায়ী প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।
দীর্ঘমেয়াদে কৌশলগত পরিকল্পনা প্রয়োজন। আমাদের প্রাথমিক থেকে উচ্চশিক্ষা পর্যন্ত শিক্ষাক্রমকে আধুনিক ও যুগোপযোগী কারিকুলামে রূপান্তর করতে হবে। জ্বালানি নিরাপত্তার জন্য আমদানির ওপর নির্ভরতা কমিয়ে অবিলম্বে দেশীয় অনশোর ও অফশোর গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনে জোর দিতে হবে।










