এ লক্ষ্যে সবার আগে ব্যাংক খাতে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে এনে উৎপাদনমুখী ঋণপ্রবাহ সচল করতে হবে; একই সঙ্গে ব্যাংক থেকে অর্থ অপসারণ, অনিয়ম ও আত্মসাৎ কঠোরভাবে বন্ধ করে জবাবদিহিমূলক সুশাসন নিশ্চিত করতে হবে।

উচ্চ ও টেকসই প্রবৃদ্ধি, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণ এবং কর্মসংস্থান সৃষ্টির ভিত্তিতে আর্থিক খাতে আস্থা, বিনিয়োগে গতি এবং বাস্তব অর্থনীতির পুনরুজ্জীবন সুনিশ্চিত করতে হবে।

আজকের বাস্তবতায় তারল্যচাপ, আস্থার সংকট, উচ্চ শ্রেণীকৃত ঋণ এবং অস্বাভাবিক উচ্চ সুদহার বেসরকারি খাতে ঋণপ্রবাহকে মারাত্মকভাবে সংকুচিত করেছে। ফলে বহু সম্ভাবনাময় প্রতিষ্ঠান কার্যকর মূলধন থেকে বঞ্চিত হয়ে বিনিয়োগ হ্রাস করছে, প্রকল্প স্থগিত করছে এবং আয় উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসছে।

বর্তমান সুদহারও অধিকাংশ ব্যবসার প্রকৃত আয় সক্ষমতার সঙ্গে সংগতিপূর্ণ নয়। এতে আর্থিক খাত ও বাস্তব অর্থনীতির মধ্যে গুরুতর অসামঞ্জস্য তৈরি হয়েছে, যা উৎপাদন, বিনিয়োগ ও শিল্পের স্বাভাবিক গতিকে ব্যাহত করছে। তাই সক্ষম কিন্তু সাময়িক চাপে থাকা শিল্পপ্রতিষ্ঠানের জন্য সময়াবদ্ধ পুনর্গঠন, সীমিত নতুন ঋণ ও কঠোর নজরদারিভিত্তিক পুনরুদ্ধার কাঠামো জরুরি।