বাংলাদেশের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার সম্পর্কের অন্যতম ভিত্তি হলো অর্থনৈতিক সম্পৃক্ততা। দুই দেশের মধ্যে দ্বিপক্ষীয় বাণিজ্য এখন ৫৫০ কোটি অস্ট্রেলীয় ডলারের বেশি। পাঁচ বছরে গড়ে প্রতি বছর ১৭ দশমিক ৮ শতাংশ হারে এ বাণিজ্য বেড়েছে, যা অস্ট্রেলিয়ার আঞ্চলিক বাণিজ্য অংশীদারদের মধ্যে অন্যতম দ্রুত প্রবৃদ্ধির হার। এ সাফল্য দুই দেশের মধ্যকার বিপুল এবং এখনো পুরোপুরি কাজে লাগানো হয়নি এমন সম্ভাবনার প্রতিফলন। বিশ্বব্যাপী সরবরাহ ব্যবস্থায় ক্রমবর্ধমান বিঘ্নের প্রেক্ষাপটে ভৌগোলিক নৈকট্য এবং অস্ট্রেলিয়া ও বাংলাদেশের মধ্যে বাণিজ্যপথের নির্ভরযোগ্যতার সুবিধা কাজে লাগাতে আরো বেশি ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান এগিয়ে আসছে।
বাংলাদেশের প্রবৃদ্ধিতে সহযোগিতা অব্যাহত রাখতে অস্ট্রেলিয়া প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশ অস্ট্রেলিয়ার বাজারে শুল্ক ও কোটামুক্ত প্রবেশাধিকার পাচ্ছে এবং স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উত্তরণের পরও এ সুবিধা অব্যাহত থাকবে। তবে অর্থনৈতিক অংশীদারত্বের পূর্ণ সম্ভাবনা কাজে লাগাতে ব্যবসা ও বিনিয়োগের পরিবেশ শক্তিশালী করতে ধারাবাহিক সংস্কার প্রয়োজন হবে। একই সঙ্গে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বাংলাদেশের উত্তরণ দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্কে নতুন সুযোগ তৈরি করবে। বিশেষ করে কৃষি, শিক্ষা, প্রাকৃতিক সম্পদ এবং পেশাগত সেবার ক্ষেত্রে এসব সুযোগ আরো বিস্তৃত হতে পারে।










