কার্যকর ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা, দক্ষ ফান্ড ম্যানেজমেন্ট ও ব্যয় ব্যবস্থাপনা, শক্তিশালী সলভেন্সি (ব্যবসায়িক দায়ের চেয়ে সম্পদ বেশি) এবং সুদৃঢ় করপোরেট গভর্ন্যান্সের সমন্বয়েই এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।

এই রেটিংয়ের গুরুত্ব কী?

সহজ কথায় এর অর্থ হলো আপনার বীমার টাকা সম্পূর্ণ নিরাপদ এবং মেটলাইফের ওপর আপনি নিশ্চিন্তে আস্থা রাখতে পারেন।

শক্তিশালী আর্থিক সক্ষমতা এবং সর্বাধুনিক ডিজিটাল সেবার সমন্বয়ে মেটলাইফ বর্তমানে তিন-পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যেই বীমা দাবি পরিশোধ করছে।

২০২৫ সালে মেটলাইফ ২ হাজার ৫৮৩ কোটি টাকার বীমা দাবি পরিশোধ করেছে, যা দেশের জীবন বীমা খাতের মধ্যে সর্বোচ্চ। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে দাবি পরিশোধে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে মেটলাইফ।

বাংলাদেশের সরকারি বন্ডের অন্যতম বৃহৎ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী হিসেবে মেটলাইফ দেশের দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক উন্নয়নে ভূমিকা রাখছে। আমাদের মূল লক্ষ্য সর্বোচ্চ মানের সেবা নিশ্চিত করে বীমা খাতের প্রতি গ্রাহকের আস্থা আরো সুদৃঢ় করা। শক্তিশালী আর্থিক ভিত্তি এবং ট্রিপল এ (AAA) ক্রেডিট রেটিংয়ের মতো আন্তর্জাতিক স্বীকৃতির ওপর ভর করেই আমরা সে প্রতিশ্রুতি ধারাবাহিকভাবে বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি।

মেটলাইফ বাংলাদেশের ব্যবসায়িক পরিধি কেমন?

বাংলাদেশে সুদীর্ঘ ৭৪ বছরের পথচলায় দেশের জীবন বীমা খাতের ১ নম্বর প্রতিষ্ঠান হিসেবে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করেছে মেটলাইফ। দেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধি ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়নে বিশ্বস্ত এক অংশীদার হিসেবে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছি আমরা। বর্তমানে আমরা প্রায় ১০ লাখ ব্যক্তি গ্রাহক এবং নয় শতাধিক করপোরেট প্রতিষ্ঠানকে বীমা সুরক্ষা দিচ্ছি। দেশের অন্যতম বৃহৎ প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারী ও শীর্ষ করদাতা প্রতিষ্ঠান হিসেবে আমরা জাতীয় অর্থনীতিতে সরাসরি অবদান রাখছি।

আমাদের হাত ধরে দেশজুড়ে চার শতাধিক কর্মীর এবং ১৫ হাজারেরও বেশি এজেন্টের কর্মসংস্থান তৈরি হয়েছে।