অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দুই ম্যাচের সিরিজ খেলতে গিয়ে প্রথম ম্যাচে হোঁচট খেয়েছিল ব্রাজিল। শেষ মুহূর্তে গোল করে কোনোমতে ১-১ ড্র করেছিল সেলেসাওরা। সেই ম্যাচের পর বেশ সমালোচনার মুখে পড়েন কোচ কার্লো আনচেলত্তি। কিন্তু আনচেলত্তি সাফ জানিয়ে দেন, সমালোচনা তার পরিকল্পনায় পরিবর্তন ঘটাতে পারবে না। অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচেও দল নিয়ে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করেন তিনি। আনেন ৭টি পরিবর্তন। তাতে সফলতাও পেলেন। এবার ২ গোল হজম করেও অস্ট্রেলিয়ার জালে ৪ গোল দিয়ে জয় তুলে নিয়েছে সেলেসাওরা।
ব্রাজিলের হয়ে ম্যাচের তৃতীয় মিনিটেই গোল করেন ভান্দেরসন। দ্রুত কয়েকটি পাসে অস্ট্রেলিয়ার রক্ষণ ভেঙে ডান দিক দিয়ে বক্সে ঢুকে নিচু শটে দূরের কোণ দিয়ে বল জালে পাঠান এই ডিফেন্ডার। তাতে শুরুতেই এগিয়ে যায় ব্রাজিল।
তবে গোল হজমের পরও ম্যাচ থেকে ছিটকে যায়নি অস্ট্রেলিয়া। ২৮ মিনিটে কর্নার থেকে আলেসান্দ্রো সিরকাতির গোলে সমতায় ফেরে স্বাগতিকরা। এরপর ৩৩তম মিনিটে কনর মেটকাফের দুর্দান্ত শটে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে যায় অস্ট্রেলিয়া।
প্রথমার্ধ শেষ হওয়ার ঠিক আগে আবারও ম্যাচে ফেরে ব্রাজিল। অস্ট্রেলিয়ার বক্সে দানিলোর পায়ে হ্যারি সাউটারের চ্যালেঞ্জের পর রেফারি ভিএআর মনিটরে গিয়ে রিপ্লে দেখেন। এরপর ব্রাজিলকে পেনাল্টি দেন।
স্পটকিক নিতে এগিয়ে আসেন রাফিনিয়া। নিচু ও জোরালো শটে বল জালে পাঠান তিনি। অস্ট্রেলিয়ার গোলরক্ষক প্যাট্রিক বিচ সঠিক দিকেই ঝাঁপ দিয়েছিলেন, কিন্তু শটের গতি এতটাই বেশি ছিল যে বল ঠেকাতে পারেননি। ৪৫ মিনিটে গোল করে ব্রাজিলকে ২-২ সমতায় ফেরান অধিনায়ক। তবে বিরতির পর রাফিনিয়াকে আর মাঠে রাখেননি ব্রাজিল কোচ কার্লো আনচেলত্তি। তার জায়গায় নামেন এন্দ্রিক এবং অধিনায়কের আর্মব্যান্ড তুলে দেওয়া হয় ব্রুনো গুইমারেসের হাতে। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ধীরে ধীরে নিজেদের হাতে নেয় ব্রাজিল। এন্দ্রিকের তৈরি করা আক্রমণ থেকে ৬৯ মিনিটে গোল করে দলকে আবার এগিয়ে দেন ব্রুনো। এরপর ভিনিসিয়ুস জুনিয়র পেনাল্টি থেকে আরেকটি গোল করলে ব্রাজিলের জয় নিশ্চিত হয়।










