১৭৮৬ সালে স্যার
উইলিয়াম জোনস
স্বাস্থ্য উদ্ধার
করতে কলকাতার
ঘিঞ্জি পরিবেশ
ছেড়ে স্ত্রীকে
নিয়ে অবকাশ
যাপন করতে
চট্টগ্রামে চলে
এসেছিলেন। চট্টগ্রাম
তখন স্বাস্থ্যকর
স্থান হিসেবে
বিবেচিত হতো।
ছয় মাস
অবস্থানকালে তিনি
চট্টগ্রামের সৌন্দর্য
নিয়ে এতই
মুগ্ধ হয়েছিলেন
যে প্রায়ই
চিঠিপত্রে তার
বন্ধুদের কাছে
চট্টগ্রামের গুণগান
করতেন। ১৭৮৬
সালে সে
রকম একটি
চিঠিতে তিনি
ড. প্যাট্রিক
রাসেলকে লিখেছিলেন—
The province of Chatigan is a noble field for a
naturalist. It is so called, I believe, from the chatag, which is the most
beautiful little bird I ever saw. The hills and woods abound with uncommon
plants and animals; indeed the whole Eastern peninsula would be a new world to
a philosopher.
সত্যিই
নানা বৈচিত্র্যময়
বনাঞ্চল ও
বিচিত্র পশুপাখির
সমাহার ছিল
চট্টগ্রামজুড়ে। এখন
যেসব জায়গা
চট্টগ্রাম শহরের
প্রাণকেন্দ্র, মাত্র
একশ-দেড়শো
বছর আগেও
সেখানে দিনে-দুপুরে
হরিণের পাল
ঘুরে বেড়াত।
কখনো বাঘের
ডাক শোনা
যেত। শহরের
পাহাড়-জঙ্গলে
যেসব বন্যপ্রাণী
ঘুরে বেড়াত,
সেগুলো এখন
পার্বত্য চট্টগ্রামের
গহীন জঙ্গলেও
মিলবে না।
শহরের আশি-নব্বই
ভাগ জায়গা
ছিল ওদেরই
দখলে। মোগল
আমলে শহরের
সীমানা উত্তর
দক্ষিণে ফিরিঙ্গীবাজার
থেকে চকবাজার
পর্যন্ত মাত্র
কয়েক মাইলের
এক চিলতে
জায়গার মধ্যে
সীমাবদ্ধ ছিল।
বাকি অঞ্চল
পুরোপুরি বন্যপ্রাণীদের
অভয়ারণ্য। সেখানে
মানুষের পদার্পণ
ঘটত কদাচিৎ।
ব্রিটিশপূর্ব
যুগে শহরটা
সীমাবদ্ধ ছিল
নদীতীরবর্তী সমভূমিতে।
যেসব জায়গায়
নদীর ঘাট
ছিল, যেদিক
দিয়ে শহরের
প্রধান খালগুলো
প্রবাহিত হতো
সেসব জায়গার
মধ্যে বাণিজ্যিক
কর্মকাণ্ড চলত।
তার কাছাকাছি
জায়গায়ই লোকবসতি।
নদীর ঘাটগুলোর
ওপর নির্ভর
করে গড়ে
উঠেছিল বাজার-হাট-গঞ্জ।
অধিকাংশ লোকবসতি
এসব বাজার-হাটের
মাইলখানেকের মধ্যে
ছিল। চট্টগ্রামের
প্রধান প্রবেশদ্বার
ছিল চাক্তাই
খাল। ছোটখাটো
একটা নদীর
মতোই প্রশস্ত
ছিল খালটা।
শহরের প্রধান
বাণিজ্য কেন্দ্রটি
ছিল চকবাজারে।
এখন যেখানে
চন্দনপুরা ফায়ার
ব্রিগেড তার
পাশের জায়গাটিতে
ছিল নগরীর
প্রধান অবতরণ
কেন্দ্র। দেশী-বিদেশী
জাহাজগুলো ওখানেই
থামত। বাকলিয়ার
চর জাগার
আগে এটা
কর্ণফুলী নদীরই
অংশ ছিল।
মোগল
আমল থেকেই
আন্তর্জাতিক বাণিজ্য
আমদানি-রফতানি
এবং প্রশাসনিক
কর্মকাণ্ডের কেন্দ্র
সবকিছুই ছিল
ওই এলাকায়।
মহসিন কলেজের
পাহাড়ে ছিল
শহরের প্রধান
আদালত ভবন।
চট্টগ্রাম শহর
ইস্ট ইন্ডিয়া
কোম্পানির হাতে
আসার পরও
দীর্ঘদিন ওটাই
সরকারি কর্মকাণ্ডের
প্রধান কেন্দ্র
ছিল।
অধিকাংশ
ব্রিটিশের বাসস্থান
ছিল এ
এলাকার টিলাগুলোর
ওপরে। ব্রিটিশরা
আসার আগে
পাহাড়ে কোনো
জনবসতি ছিল
না। ব্রিটিশরা
আসার পর
পাহাড়গুলো সাফ
করে ন্যাড়া
বানানোর প্রকল্প
হাতে নেয়া
হয় তাদের
আবাসস্থল তৈরির
জন্য। বাঘ-ভালুকের
ভয়ে স্থানীয়
কুলিরা জঙ্গল
সাফ করতে
রাজি হয়নি
বলে বিহার
থেকে কুলি
আমদানি করে
জঙ্গল কাটানো
হয়। জঙ্গল
কেটে ফেলার
ফলে বন্যপ্রাণীরা
বিপদে পড়ে
দলে দলে
আরো গভীর
জঙ্গলে গিয়ে
আশ্রয় নেয়।
বিশেষ করে
হরিণের দল
একেবারে লাপাত্তা
হয়ে যায়
শহর থেকে।
ফলে শহরের
বাঘগুলো খাবার
সংকটে পড়ে।
তাই মাঝে
মাঝে দুয়েকটা
বেয়াড়া বাঘ
বাজারে বা
লোকালে হানা
দিয়ে মানুষ
ধরে নিয়ে
যেত। চকবাজারের
মতো জনবহুল
এলাকা থেকে
প্রকাশ্য দিবালোকে
মানুষ শিকার
করেছে বাঘ,
তার নজিরও
আছে।
সিপাহি
বিদ্রোহের পর
যখন কোম্পানির
বদলে সরাসরি
ব্রিটিশ শাসন
জারি হয়,
তখন আরো
ইংরেজের আগমন
ঘটে শহরে।
তাদের কেউ
সরকারি কর্মকর্তা,
কেউ ব্যবসায়ী।
ফলে আরো
পাহাড় সাফ
করার দরকার
হয়। চকবাজার
এলাকা থেকে
শহরের সীমানা
বিস্তৃত হয়
দক্ষিণ দিকে।
সদর ঘাটের
আশপাশে গড়ে
ওঠে জাহাজ
নির্মাণের কারখানা।
লবণসহ নানা
পণ্যের গুদাম
ইত্যাদি। কর্তাদের
বাসাবাড়িও শহরের
আরো ভেতরের
দিকে ছড়িয়ে
পড়ে। যার
একাংশ বেড়ে
উঠতে থাকে
পল্টন ময়দানের
আশপাশের এলাকায়।
পল্টন হলো
সৈন্যাবাস বা
ক্যান্টনমেন্ট। শহরে
তখন ব্যারাক
ছিল। একটি
ছিল বর্তমান
কদমতলী এলাকায়।
অন্যটি ছিল
বর্তমান সার্কিট
হাউজের পাশের
জায়গাটায়। শহর
যখন সম্প্রসারিত
হয়, তখন
অনেক সাহেব
পল্টন এলাকার
দিকে চলে
আসে। বিশেষ
করে চা
ব্যবসায়ীরা। তখন
থেকে সার্সন
রোড ও
তার আশপাশে
ব্রিটিশদের বাড়িঘর
তৈরি হয়।
১৮৭০-এর
পর থেকে
চট্টগ্রামে চা
বাগান করার
হুজুগ শুরু
হয়েছিল। আসামের
মতো চট্টগ্রামকেও
চায়ের রাজ্যে
পরিণত করা
হবে। চা
বাগানের একটু
ঢালু জায়গার
প্রয়োজন হয়।
পল্টনের পাশে
একটা জায়গা
পছন্দ হয়
সাহেবদের। যার
পাশেই দুর্গম
খুলশী পাহাড়।
বাঘের উৎপাতের
জন্য টাইগার
পাস বলে
পরিচিত হয়।
শহরের পশ্চিমের
পুরো জঙ্গলাকীর্ণ
এলাকাটি খুলশী
নামে পরিচিত
ছিল। যেখানে
দিনে-দুপুরেও
কেউ যেতে
সাহস পেত
না হিংস্র
বাঘ-ভালুকের
ভয়ে। পশ্চিম
দিকে শহরের
শেষ সীমানায়
সিপাহি ব্যারাকের
কাছে একটা
ছোট জায়গা
পরীক্ষামূলক চা
বাগানের জন্য
বেছে নেয়া
হলো। জঙ্গল
পরিষ্কার করে
কয়েক বছর
ধরে ওখানে
চা গাছের
চারা লাগানো
হলো। ধীরে
ধীরে চা
বাগান আলোর
মুখ দেখলে
সাহেবদের মুখে
হাসি ফোটে।
তাহলে চট্টগ্রামেও
চা ব্যবসা
করা সম্ভব।
স্থানীয়দের সঙ্গে
বেশ ঝামেলাও
হচ্ছিল চায়ের
চাষ করতে
গিয়ে।
বাণিজ্যিক
কর্মকাণ্ডে চট্টগ্রাম
যতটাই উন্নতি
করুক, এ
শহরে নাগরিক
বিনোদনের কোনো
জায়গা ছিল
না। ঔপনিবেশিক
যুগের শুরুতে
ব্রিটিশ সাহেবদের
খেলাধুলার প্রধান
জায়গা হয়
প্যারেড ময়দানে।
ব্রিটিশদের গোলাকৃতির
ফুটবল ও
টেনিস বল
দেখে স্থানীয়
লোকজন সেগুলোকে
আণ্ডা বলত।
চট্টগ্রামের প্রথম
ক্রিকেট মাঠও
সেই ময়দান।
সেও আণ্ডা
দিয়ে খেলা
হতো। অতএব
খেলাধুলার জায়গাটা
আণ্ডাখানা নামে
চিহ্নিত হয়।
সেখানে ব্রিটিশদের
ছোট একটা
একটা ঘরোয়া
ক্লাব ছিল।
চট্টগ্রামে
এরই মধ্যে
সরকারি কর্তা
ও অনেক
ব্রিটিশ নাগরিকের
বসবাস শুরু
হওয়ায় বিনোদনের
পুরনো অভাবটা
জোরালোভাবে মাথাচাড়া
দিল। কলকাতা
থেকে বহুদূরের
এ মফস্বল
শহরে প্রাকৃতিক
সৌন্দর্য আছে
ঠিকই, কিন্তু
নগরবিলাসী ইউরোপিয়ানদের
মনোরঞ্জনের জন্য
যথেষ্ট নয়
সেটা। যদিও
আরাম-আয়েশে
প্রত্যেকের বাড়িতে
মোগল সম্রাটের
চেয়ে কম
সুবিধা ছিল
না। প্রতিটি
বাড়িতে চাকরবাকর,
দারোয়ান, মালি,
খানসামা, পাঙ্খাওয়ালা,
ভিস্তিওয়ালা মিলিয়ে
২০ জনের
বেশি লোক
কাজ করত।
এমনকি জুতোর
ফিতে বাঁধার
জন্য উবু
হতে হতো
না, তার
জন্যও লোক
ছিল। তবু
শহরে একটা
ক্লাব নেই,
দলবদ্ধ হওয়ার
আখড়া নেই।
একই জায়গার
মধ্যে তাস
পেটানো, র্যাকেট
কোর্ট, মদ
গেলা, পার্টি
করা, মউজ
মাস্তি করার
একটা কেন্দ্র
দরকার।
প্যারেড
ময়দানের পাশে
যে ক্লাবটা
ছিল, সেটা
ক্যাম্পবেল নামে
এক ব্রিটিশ
চা ব্যবসায়ীর
উঠোন বলা
চলে। সেখানে
ঠিক পরিপূর্ণ
ক্লাবের আনন্দ
পাওয়া যেত
না। বল
নাচের যথেষ্ট
জায়গা নেই,
তাস পেটানোর
জায়গা নেই,
পার্টি করার
মতো প্রশস্ত
নয় জায়গাটা।
আরো সমস্যা
হলো সিভিলিয়ানদের
অনেকে সেখানে
যেতে চাইত
না। কমিশনার
ও কালেক্টরের
মতো উচ্চপদের
লোকেরা পরিবেশটা
পছন্দ করত
না। তাছাড়া
ওটা রাস্তার
পাশে হওয়ায়
আশপাশে লোকজন
চলাচল করে।
স্থানীয় লোকদের
হৈহুল্লোড়ও ভেসে
আসে। ক্লাবের
জন্য একটা
নিরিবিলি জায়গা
দরকার, যেটাকে
পিকনিক স্পট
মনে হবে।
প্রকৃতির সৌন্দর্যও
থাকবে, কিন্তু
শহরের বাইরে
যেতে হবে
না।
১৮৭৫
সালের দিকে
কয়েকজন ইংরেজ
ব্যবসায়ী বড়
জায়গা নিয়ে
ক্লাব করার
প্রস্তাব দিলেন।
পশ্চিম দিকে
একটা জঙ্গলঘেরা
পাহাড় আছে।
সেখানে একটা
ক্লাব তৈরি
করলে পিকনিক
স্পটের মতো
হবে। কিন্তু
তাতে কেউ
কেউ আপত্তি
তুলল, ও
রকম ভয়ানক
জঙ্গলের মধ্যে
ক্লাব? প্রশ্নই
ওঠে না।
আমোদ করতে
গিয়ে কে
কখন যে
বাঘের কবলে
পড়ে। বয়স্ক
আর নারীরা
সবচেয়ে বেশি
আপত্তি জানাল।
কিন্তু কমিশনার
সাহেবের কানে
কথাটা গেলে
তিনি সমর্থন
করলেন। তিনি
বললেন, বন্দুক
হাতে সিপাহি
থাকলে বাঘের
বাপও কাছে
আসবে না।
ওদিকে ক্লাব
হলে বরং
আমাদের লাভই
হবে। সিভিল
সার্জন মুরে
সাহেবের বাড়িও
একটা নির্জন
জঙ্গলের পাশে।
তিনিও অভয়
দিয়ে বললেন,
আরে আমি
একাই তো
বাঘ-ভালুক
ঠেঙিয়ে আছি
ওদিকে। তোমাদের
অত ভয়
কী বাপু!
আসো এদিকেই
তৈরি করি
ইউরোপিয়ানদের নতুন
জগৎ।
ব্যস,
পরপর কয়েক
সপ্তাহ ধরে
ব্রিটিশ সিভিলিয়ান
ব্যবসায়ী সবাই
মিলে আলোচনা
করে সিদ্ধান্ত
নিয়ে ফেলল।
ওখানেই ক্লাবঘর
হবে। মিটিং
আলোচনা সমালোচনা—সেদিন
থেকে কাজ
শুরু হলো।
কয়েক ডজন
বিহারি কুলি
লেগে গেল
জঙ্গল সাফ
করে ক্লাবের
জায়গা তৈরির
কাজে। বছরের
মধ্যে জায়গাটার
চেহারা বদলে
গিয়ে ইউরোপিয়ান
চেহারা নিল।
চারদিকে সবুজ
চা বাগানের
মাঝখানে লাল
টালির একটা
বাংলো বাড়ি।
এখানেও তৈরি
হলো টেনিস
কোর্ট, তাসঘর,
পানশালা, ভোজনালয়।
পাশেই ছিল
একটা পুকুর,
সেটাকে বানানো
হলো সুইমিং
পুল। ক্লাবের
সেক্রেটারি হিসেবে
নির্বাচিত করা
হলো সজ্জন
সাহসী মানুষ,
ক্লাবের নিকটবর্তী
প্রতিবেশী সিভিল
সার্জন মুরে
সাহেবকে। ১৮৭৮
সালে এভাবেই
জন্ম হলো
বহুল ঐতিহাসিক
ঘটনায় সমৃদ্ধ
চিটাগং ক্লাব।
সেই ক্লাবে
অবশ্য এতগুলো
দালানকোঠা ছিল
না। একটা
র্যাকেট কোর্ট
ও কাঠ
আর বাঁশের
তৈরি একটা
বাংলো বাড়ির
মধ্যেই সীমাবদ্ধ
ছিল সব
কর্মকাণ্ড।
বেশ কিছুকাল
পর ক্লাবের
সদস্য সংখ্যা
বাড়লে স্থান
সংকুলান হচ্ছিল
না। তখন
আবার নতুন
জায়গার খোঁজ
করা হলো।
অবশেষে পল্টন
ময়দানের পাশে
বর্তমান জায়গায়,
যেখানে চট্টগ্রামের
প্রথম চা
বাগানের পরীক্ষামূলক
চাষ হয়েছিল,
সেই জায়গাটিকে
বেছে নেয়া
হলো ক্লাবের
নতুন বাড়ির
জন্য। এবার
আর কাঠ-বাঁশ
নয়, ইটের
তৈরি বিশাল
দালান তৈরি
হলো ইউরোপিয়ান
কায়দায়। বিশাল
এলাকা ঘেরাও
করে ক্লাবের
সম্পত্তি হিসেবে
নির্ধারণ করা
হলো। আশপাশে
তখন ব্রিটিশ
সিভিলিয়ানদের অনেক
ঘরবাড়ি উঠতে
শুরু করেছিল।
কাছেই ছিল
আসাম-বেঙ্গল
রেলওয়ের সদর
দপ্তর এবং
তাদের আবাসিক
কোয়ার্টার। অদূরেই
পরীর পাহাড়ে
নতুন আদালত
ভবন চালু
হয়েছে। শহরের
এতসব উন্নয়নের
ঠেলায় এখান
থেকে সব
বন্যপ্রাণী পগার
পার হয়ে
সীতাকুণ্ডের পার্বত্য
জঙ্গলের দিকে
চলে গিয়েছে।
অবশ্য অল্প
কিছু জানোয়ার
খুলশী টাইগার
পাসের জঙ্গলে
থেকে গিয়েছিল,
যারা মাঝে
মাঝে হানা
দিত শহরে।
আরো ২৩
বছর পর
১৯০১ সালের
২৭ মার্চ
থেকে বর্তমান
জায়গায় সরে
আসে চিটাগং
ক্লাব। অনেক
ঐতিহাসিক ঘটনা-দুর্ঘটনার
সাক্ষী এ
ক্লাবে ১৯৪৭
সাল পর্যন্ত
কোনো অশ্বেতাঙ্গের
প্রবেশাধিকার ছিল
না। ব্রিটিশ
ঔপনিবেশিক শক্তির
ঔদ্ধত্যের চিহ্ন
হিসেবে যার
প্রবেশপথে বড়
বড় অক্ষরে
লেখা থাকত—DOGS AND
INDIANS ARE NOT ALLOWED
হারুন রশীদ: সভ্যতা ও ইতিহাস অনুসন্ধানী লেখক





