আমার অনিন্দ্য নিলয়ে বাজে ননী চোরা কৃষ্ণের বাঁশি
রাধা গো রাধা, আমার বুকে কান পেতে শোনো সেই সুরের মূর্ছনা।
হলদে রাধাচূড়া ফুলে ফুলে ভরে থাকে গাছ
অর্বাচীন বালকের শুধুই লাফ ঝাঁপ
রাধা ফুল হয়ে দোল খায় ডালে ডালে।
আমার নিলয়ের কুঠুরিতে অলি পথ গলি পথে বাজে
বিটোভেনের নবম সিম্ফনি।
সেই সুর কখনো উঠে কখনো নামে
সেই সুরের লহরীতে বেঁচে থাকি।
ডাক্তার তটস্ত কখন সুর থেমে যায়
নিবে যায় বাতিঘরের সমস্ত আলো।
ওপেন হার্টের টেবিলে আমি
আমাকে ঘিরে নৃত্য করে কাঁচি, চাকু, সুঁই, সুতো।
আমার বুক চিরে বুকের গহিনে ভালোবাসার তহবিলে
খুঁজে পায় রাধার মুখ ও পাঁচটি রাধাচূড়া ফুল
সুরে সুরে তাই মৃত্যুর সাথে কোলাকুলি করে বেঁচে আছি।
তবে কি আমি মৃত্যুঞ্জয়ী সিংহ পুরুষ।
আজাদুর রহমান
আমার মৃত্যুও হবে শ্রাবণকালে





