প্রচার ও
প্রতিবাদের মাধ্যম
হিসেবে পোস্টার
সমাজে বরাবরই
বেশ সক্রিয়
ভূমিকা পালন
করে আসছে।
ব্রিটিশ ঔপনিবেশিকতার
কল্যাণে পোস্টার
শিল্পের সঙ্গে
এ উপমহাদেশের
মানুষের পরিচয়
ঘটলেও সেই
সময় থেকেই
ব্রিটিশবিরোধী আন্দোলন ও নানা সংগ্রামে
পোস্টার এ
অঞ্চলে বিশেষ
গুরুত্ব বহন
করে আসছে।
পোস্টার শিল্পের
বড় একটা
অবদান ছিল
আমাদের বায়ান্নর
ভাষা আন্দোলন
ও একাত্তরের
মুক্তিযুদ্ধে। বাংলাদেশের
স্বাধীনতাপরবর্তী বিভিন্ন
গণ-আন্দোলনেও
পোস্টারের ভূমিকা
বিশেষভাবে লক্ষণীয়।
বর্তমানে প্রচারের
ক্ষেত্র হিসেবে
পোস্টারের জনপ্রিয়তা
কল্পনাতীত। বাণিজ্যিক
ও রাজনৈতিক
প্রেক্ষাপটে এর
ব্যবহার বেশি
দেখতে পাওয়া
যায়। পথে-ঘাটে-হাটে
ছাড়াও চলমান
গণপরিবহনেও কিন্তু
এর নান্দনিক
ও শৈল্পিক
দিকটা খুঁজে
পেতে আমাদের
সেই দ্বারস্থ
হতে হয়
সংস্কৃতির দোরগোড়ায়।
সেদিক থেকে
চলচ্চিত্র ও
থিয়েটারের কথা
বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য।
সাংস্কৃতিক ও
নাট্য ব্যক্তিত্ব
এবং একই
সঙ্গে পোস্টার
শিল্পের গবেষক
বাবুল বিশ্বাস।
তার কাছে
পাওয়া বিভিন্ন
তথ্যের ভিত্তিতে
জানা যায়,
তত্কালীন পূর্ব
পাকিস্তানে শৈল্পিক
পোস্টার বিকশিত
হয়েছে মূলত
চলচ্চিত্রের মধ্য
দিয়ে পঞ্চাশের
দশকের শুরুতে।
পূর্ব পাকিস্তানের
প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য
সিনেমা আব্দুল
জব্বার খান
পরিচালিত, ‘মুখ
ও মুখোশ’
ছবিটি মুক্তি
পায় ১৯৫৬
সালে। এ
ছবির পোস্টার
অঙ্কন করেন
সুভাষ দত্ত।
এটিই ছাপানো
পোস্টার হিসেবে
পূর্ব পাকিস্তান
থেকে প্রকাশিত
প্রথম পোস্টার।
এর আগে
আর কোনো
ছাপানো পোস্টারের
হদিস পাওয়া
যায় না।
স্বাধীন বাংলাদেশে
প্রথম চলচ্চিত্র
মুক্তি পায়
চাষী নজরুল
ইসলাম পরিচালিত
‘ওরা
১১ জন’।
এ ছবির
পোস্টার অঙ্কন
করেছেন আব্দুস
সবুর। ছবিটি
মুক্তি পায়
১৯৭২ সালে।
এটিই শিল্পের
প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশের
প্রথম পোস্টার।
চলচ্চিত্র দিয়ে আমাদের শিল্পে পোস্টারের যাত্রা হলেও অতি বাণিজ্যিকীকরণের সঙ্গে সঙ্গে আমাদের চলচ্চিত্র শিল্প যেমন এখন হুমকির মুখে, তেমনি শিল্পের দিক থেকে বিবেচনা করলে পোস্টারও হারিয়েছে তার স্বকীয়তা। তবে শিল্পের দায়বদ্ধতার দিক থেকে দেখলে নাটকের পোস্টার শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বেশ জোরালো একটা অবস্থান নিয়ে টিকে আছে। থিয়েটার পোস্টার ডিজাইনের ক্ষেত্রে নাটকের আঙ্গিক, সমসাময়িক রাজনৈতিক ও সামাজিক বাস্তবতার সঙ্গে খাপ খাইয়ে, গতানুগতিক ধারা থেকে বেরিয়ে এসে সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে এতে নতুনত্ব এসেছে। একই সঙ্গে দিন দিন পরিবর্তিত হচ্ছে এর ড্রইং, কালার কনসেপ্ট, যুক্ত হচ্ছে ডিজিটাল মিডিয়ার নানা সম্ভাবনা।
থিয়েটারের পোস্টার
নিয়ে আলোচনা
করতে গেলে
পেছন ফিরে
এর ধারাবাহিক
ইতিহাসটাও দেখে
নিতে হয়।
বলা যায়,
থিয়েটারই একমাত্র
শিল্প, যেখানে
শিল্পের অনেক
মাধ্যম মিলে
একটা মাধ্যমে
পরিণত হয়েও
প্রতিটি আলাদা
ক্ষেত্রে মাত্রাজ্ঞানের
যথাযথ চর্চা
দেখা যায়।
খুব একটা
বেশিও না
খুব একটা
কমও না।
থিয়েটার শিল্পের
মতো এতটা
পরিশীলতা বা
প্রতিটা মাধ্যমকে
আলাদা করে
যত্ন নেয়া
আর কোনো
দলগত শিল্পে
দেখা যায়
না।
এত কথা
বলার কারণ,
নাটকের পোস্টারকে
কেন্দ্র করেই
মূলত বাংলাদেশের
পোস্টার শিল্প
সমৃদ্ধ হয়ে
উঠেছে। থিয়েটার
পোস্টারের একদম
শুরু থেকে
অঙ্কন বা
চিত্রশিল্পের যোগসূত্র
ঘটেছিল, যা
এখন পর্যন্ত
বিদ্যমান। অর্থাৎ
শুধু প্রচারের
মাধ্যম হিসেবেই
নয়, পোস্টার
হয়ে ওঠে
থিয়েটারের আরেকটি
শিল্প ও
পরিচয়ের মাধ্যমও
বটে।
স্বাধীনতাপরবর্তী দশক
থেকে নাটকের
পোস্টার হয়ে
ওঠে বাংলাদেশের
নান্দনিক পোস্টারের
মাইলফলক। যদিও
নাটকের পোস্টারের
যাত্রা মূলত
আশির দশক
থেকে। তবে
বন্যা দুর্গতদের
সাহায্যার্থে মিনার্ভা
থিয়েটার্স জরাসন্ধ
রচিত, মোহাম্মদ
আনীস পরিচালিত
এ-বাড়ি ও-বাড়ি
নাটক পরিবেশন
করে ১৯৬২
সালের ১২,
১৩ ও
১৪ অক্টোবর
ইনস্টিটিউট অব
ইঞ্জিনিয়ার্স হলে।
এ উপলক্ষে
একটি পোস্টার
প্রকাশিত হয়।
শুধু শব্দ
বিন্যাসে পোস্টারটি
রচিত করেন
নিতাই। সিতারা-ই-পাকিস্তান
প্রেস থেকে
এ পোস্টার
ছাপানো হয়।
পূর্ব পাকিস্তান
বা সমগ্র
পাকিস্তান আমলে
মাত্র এ
একটি নাটকের
পোস্টার পাওয়া
যায়।
স্বাধীনতাপরবর্তী বাংলাদেশে
নাটকের প্রথম
পোস্টার প্রকাশিত
হয় প্রতিদ্বন্ধী
নাট্যগোষ্ঠীর, নাটকটির
নাম ‘চুপ
সত্যি বলছি’,
নাট্যকার সমর
মুখোপাধ্যায় এবং
নির্দেশক পরেশ
আচার্য্য। নাটকটির
প্রথম মঞ্চায়নের
তারিখ ১৯৭৬
সালের ১৪
ফেব্রুয়ারি। সাদাকালো
প্রিন্টে ছাপানো
এ পোস্টারই
আক্ষরিক অর্থে
বাংলাদেশের প্রথম
নাটকের পোস্টার।
পরে ১৯৮১
সালে ঢাকাকেন্দ্রিক
নাট্যদল থিয়েটার
(বেইলি রোড)
মঞ্চায়িত, রামেন্দু
মজুমদারের প্রযোজনায়,
আব্দুল্লাহ আল
মামুন নির্দেশিত
এবং সৈয়দ
শামসুল হক
রচিত, ‘পায়ের
আওয়াজ পাওয়া
যায়’ মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক
কালজয়ী এ
নাটকের মাধ্যমে
বাংলাদেশের নাটকের
ইতিহাসে প্রথম
চার রঙের
পোস্টারের সূচনা
হয়। মূলত
নাটকের একটি
অংশের ফটোগ্রাফ
ব্যবহার করে
পোস্টারটি করা
হয়। পোস্টারটি
নকশা করেন
শিল্পী নিতুন
কুন্ডু। পোস্টারটির
আয়তন ছিল
৭৬^৫১
সেমি। এখানে
বিশেষভাবে লক্ষণীয়,
একদম শুরু
থেকেই পোস্টার
শিল্পের মধ্য
দিয়ে মঞ্চনাটকের
সঙ্গে অঙ্কন
শিল্পীদের সরাসরি
সম্পৃক্ততার একটা
যোগসূত্র পাওয়া
যায়।
বাংলার জমিদারদের
কাহিনী অবলম্বনে
মীর মশাররফ
হোসেনের রচিত
‘জমীদার
দর্পণ’।
নাটকটি ১৮৭২
সালে রচিত।
মমতাজ উদ্দীন
আহমদের পরিচালনায়
ঢাকাকেন্দ্রিক আরেকটি
নাট্যদল থিয়েটার
(আরামবাগ), ২১
মে ১৯৮৩
সালে প্রথম
নাটকটি মঞ্চস্থ
করে। পোস্টারটি
আঁকেন প্রথিতযশা
শিল্পী কাইয়ুম
চৌধুরী। এটি
দুই রঙে
আঁকা এবং
এর আয়তনও
ছিল ৭৬^৫১
সেমি। পোস্টারটির
ড্রইংয়ে কাইয়ুম
চৌধুরীর নিজস্ব
শৈলী, লাইন
বিদ্যমান। তার
সেই চিরায়িত
বাংলার নারী,
বলশালী হাত।
তার অঙ্কিত
বল্লম, ফনা
তুলে জমিদার
প্রথার বিরুদ্ধে
কথা বলছে
যেন। এখানেই
শিল্পের সার্থকতা।
সাদা-কালো-ধূসরে
রচিত চমত্কার
পোস্টারটি মীর
মশাররফ হোসেনের
‘জমীদার
দর্পণ’ নাটকের
যদিও, তথাপি
ওপরের এক
কোনায়, ‘বিষাদসিন্ধু
রচয়িতা’ বিজ্ঞাপনটি
কী তাত্পর্য
বহন করে
তা বিশ্লেষণের
দাবি রাখে!
তার মানে
কি এই,
মধ্যবিত্তের পকেটের
পয়সা খরচ
করে মাসের
পর মাস
ঘাম ঝরিয়ে
নাটকের মহড়া
চালিয়ে গেলেও,
উপযুক্ত দর্শক
তৈরি করতে,
নাটক মঞ্চায়নের
দিন অডিটোরিয়ামের
খরচটুকু জোগাড়
করতেও এ
নাট্যকর্মীদের ঘাম
বেরিয়ে যায়।
এটাই বাস্তবতা
আর এ
বাস্তবতা এখনো
খুব একটা
বদলায়নি।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের
বিখ্যাত উপন্যাস
‘ঘরে-বাইরে’
অবলম্বনে, আব্দুল্লাহ
আল-মামুন
ও জিয়া
আনসারীর নাট্যরূপে,
নাট্যদল থিয়েটার
(বেইলি রোড)
৬ ফেব্রুয়ারি
১৯৮৫ নাটকটি
মঞ্চস্থ করে।
ঘরে-বাইরে
উপন্যাসটি স্বদেশী
আন্দোলনের পটভূমিতে
লেখা। দুই
রঙে আঁকা
৭৬^৫১
সেমি আয়তনবিশিষ্ট
পোস্টারটি এঁকেছেন
পটুয়া কামরুল
হাসান। উপন্যাস
বা নাটকের
চরিত্রের নারী-পুরুষের
সামাজিক মনস্তাত্ত্বিক
নানা টানাপোড়েন
ফুটিয়ে তুলেছেন,
মুখাবয়বে তুলি
টেনেছেন তার
সেই চিরচেনা
বলিষ্ঠ রেখায়।
কামরুলের কিউবিজম
ধাঁচে করা
পোস্টারটি কোনোভাবে
নাম এড়িয়ে
শুধু ছবিটি
চোখে পড়লেও
শিল্পপ্রেমী যে
কেউ বলে
দিতে পারে,
এ ওস্তাদি
কামরুল ছাড়া
আর কারো
নয়।
মলয় ভৌমিকের রচনা ও নির্দেশনায় ১২ জানুয়ারি ১৯৯২ রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুশীলন নাট্যদল ‘শতগ্রন্থি’ নাটকটি মঞ্চস্থ করে। এ বিখ্যাত নাটকের পোস্টারটি এঁকেছেন শিল্পী ও কার্টুনিস্ট রফিকুন নবী। রফিকুন নবীর অঙ্কনশৈলী ও রঙের বিন্যাসে নিজস্ব একটা ঢং আছে। তারই ধারাবাহিকতায় তিনি এ অসাধারণ পোস্টারটির নকশা করেছেন। তিন রঙে আঁকা পোস্টারটির আয়তন ছিল ৭৬^৫০ সে.মি.।
‘খাট্টাতামাশা’
নাটকের রচয়িতা
সৈয়দ শামসুল
হক। নাটকটি
পরিচালনা করেছেন
আলী যাকের।
১৪ জুলাই
১৯৯৫ নাগরিক
নাট্য সম্প্র্রদায়
কর্তৃক এটি
মঞ্চস্থ হয়েছে।
এ নাটকের
পোস্টারটিরও ডিজাইন
করেছেন অন্য
আরেকজন শিল্পী
ও কার্টুনিস্ট
শিশির ভট্টাচার্য।
চার রঙের
পোস্টারটির আয়তন
ছিল ৭৪.৫^৫০
সেমি।
শুধু লাইনের
খেলা দিয়ে
রম্যতামাশা করে
নির্মম বাস্তবতাকে
কোনো একটা
সারফেসে ফুটিয়ে
তোলার মতো
দক্ষতা রাখেন
শিল্পী শিশির
ভট্টাচার্য। নাটকের
নাম, শিল্পীর
আঁকা দণ্ডায়মান
দুজন মানুষের
মুখের এক্সপ্রেশনে
কৌতুকপূর্ণ দাম্ভিক,
চটুলতা! আবার
পোস্টারের নিচের
দিকে শায়িত
মুখের একটিতে
নিষ্পলক তাকিয়ে
থাকা বা
অন্যটিতে নিথর
হয়ে যাওয়া,
কোন বাস্তবতার
ইঙ্গিত দেয়?
এগুলো ছাড়াও
থিয়েটার পোস্টার
শিল্পের অসংখ্য
সমৃদ্ধশালী ভাণ্ডার
থেকে পোস্টার
শিল্পীর নামসহ
সামান্যসংখ্যক পোস্টারের
তালিকা তুলে
ধরা হলো।
থিয়েটার-আরামবাগ
প্রতিষ্ঠা:
৭ ফেব্রুয়ারি
১৯৭২। ‘ক্ষতবিক্ষত’
মূলঃ হ্যানরাইষ
ভন ক্লাইস্ট,
রচনা: মমতাজউদ্দীন
আহমদ, নির্দেশনা:
গোলাম রাব্বানী,
প্রথম প্রদর্শনী:
১৭ জানুয়ারি
১৯৮৫। নাটকটির
পোস্টার এঁকেছেন
রফিকুন নবী।
‘সাতঘাটের
কানাকড়ি’, রচনা
ও নির্দেশনা:
মমতাজউদ্দীন আহমদ।
প্রথম প্রদর্শনী:
১৫ মে
১৯৮৯। পোস্টার
এঁকেছেন আফজাল
হোসেন।
বলদ, গল্প:
মুহম্মদ জাফর
ইকবাল, নাট্যরূপ:
গাজী রাকায়েত,
নির্দেশনা: খ
ম হারূন,
প্রথম প্রদর্শনী:
২২ জানুয়ারি
২০০২। পোস্টার
এঁকেছেন কিরীটী
রঞ্জন বিশ্বাস
ও টিপু।
আরণ্যক নাট্যদল
প্রতিষ্ঠা: ১ ফেব্রুয়ারি ১৯৭২। ‘সমতট’ রচনা ও নির্দেশনা: মামুনুর রশীদ, প্রথম প্রদর্শনী: ২৭ জানুয়ারি ১৯৮৮ এবং ‘জয়জয়ন্তী’ রচনা ও নির্দেশনা: মামুনুর রশীদ, প্রথম প্রদর্শনী: ২২ নভেম্বর ১৯৯৫। সমতট নাটকের পোস্টার এঁকেছেন শিশির ভট্টাচার্য ও জয়জয়ন্তী নাটকের পোস্টার এঁকেছেন ধ্রুব এষ।
ঢাকা থিয়েটার
‘কেরামত মঙ্গল’ রচনা: সেলিম আল দীন, নির্দেশনা: নাসির উদ্দীন ইউসুফ। প্রথম প্রদর্শনী: ১৯৮৫ এবং ‘নিমজ্জন’ রচনা: সেলিম আল দীন, নির্দেশনা: নাসির উদ্দীন ইউসুফ, প্রথম প্রদর্শনী: ২০০৮। এ দুটি নাটকের পোস্টার প্রকাশিত হয়েছে। কেরামত মঙ্গল নাটকের পোস্টার ডিজাইন করেছেন আফজাল হোসেন এবং নিমজ্জন নাটকের পোস্টার এঁকেছেন ঢালী আল মামুন।
সময় সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী
প্রতিষ্ঠা: ৫ মে ১৯৭৭। মঞ্চস্থ করে ‘একাত্তরের ক্ষুধিরাম’ রচনা: মান্নান হীরা। নির্দেশনা: পীযূষ বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রথম মঞ্চায়ন: ১৯৯৫, ২০ জুলাই। নাটকটির পোস্টার এঁকেছেন হাসি চক্রবর্তী।
নাট্যোৎসবের পোস্টার
থিয়েটার আর্ট ১৯৯৬ সালে বিজয়ের ২৫ বছর উপলক্ষে নাট্যোৎসবের আয়োজন করে। উৎসবে নাগরিক নাট্য সম্প্রদায় (ঢাকা), থিয়েটার (ঢাকা), ঢাকা থিয়েটার, আরণ্যক নাট্যদল (ঢাকা), নান্দীপট (ভারত), চেতনা (ভারত) এবং থিয়েটার আর্ট (ঢাকা) অংশগ্রহণ করে। উৎসব উপলক্ষে পোস্টার প্রকাশিত হয়। পোস্টার এঁকেছেন অশোক কর্মকার।
শিবানী কর্মকার শিলু: শিল্পী ও শিল্পবিষয়ক লেখক





