উচ্চবিত্ত কিংবা মধ্যবিত্তের রান্নাঘরে সবচেয়ে বেশি ব্যবহার হয় বোর্ডের। কেবিনেট, কাটাকাটি করার সারফেস ইত্যাদি জায়গায় বোর্ডের ব্যবহার দুনিয়াজুড়ে হচ্ছে। বাংলাদেশেও সম্প্রতি এর ট্রেন্ড শুরু হয়েছে।
বোর্ডের ব্যবহার দিয়ে স্মার্ট কিচেনের বেশ বড় অংশ ডেকোরেট করা যায়। যেকোনো ধরনের কেবিনেট সলিউশন বোর্ড দিয়েই করা সম্ভব। লোয়ার পার্টের স্টোরেজ হোক কিংবা ওপরের কেবিনেট হোক বা ওভেন রাখার স্পেস হোক, যেকোনো কিছু এখন বোর্ড দিয়ে করা যাচ্ছে।
বোর্ডের ইন্টারন্যাশনাল ট্রেন্ড অনুযায়ী আমাদের দেশেও মার্বেল, হাইলি গ্লসি টাইপের সারফেসগুলো এখন অনেক বেশি ব্যবহার হচ্ছে। খুব ভাইব্রেন্ট কালার, সলিড কালার, মার্বেল এ টাইপের কালারগুলোর গ্লসি সারফেস মানুষ পছন্দ করছে। কারণ এটা খুব সহজে পরিষ্কার করা যায়। আর্দ্রতার কারণেও কোনো সমস্যা হয় না।
আমাদের দেশীয় ডিজাইনাররা রান্নাঘরে অনেক ধরনের বোর্ড ব্যবহার করেন। তবে এইচপিএল বা অ্যাক্রিলিক বোর্ডের কিছু সীমাবদ্ধতা আছে। একটা নির্দিষ্ট সময় পরে এইচপিএল বা অ্যাক্রিলিকের শিটটা উঠে যায় বা সাইডের দিকে একটু হলদেভাব চলে আসে। ইউভি বা হাই গ্লাস বোর্ডে এ সমস্যা থাকে না।
এছাড়া অনেকের মধ্যে একটা ভুল ধারণা আছে যে রান্নাঘরে বোধহয় প্লাই বোর্ডটাই ব্যবহার করা উচিত। কিন্তু রান্নাঘরের ক্ষেত্রে এমডিএফ বোর্ডের মধ্যে যদি অ্যাক্রিলিক, এইচপিএল অথবা ইউভি ব্যবহার করা যায় তাহলে মসৃণ সারফেস পাওয়া যায়।
অনেকেই আবার সিংকের পাশেও বোর্ড ব্যবহার করেন। এটি করা উচিত না। কারণ বোর্ডের ভেতর যদি পানি ঢোকে, তা দীর্ঘস্থায়ী হবে না। সে কারণে পানির স্পর্শ ছাড়া যেসব জায়গা, সব ক্ষেত্রেই বোর্ড ব্যবহার করা যাবে।
দেশে বর্তমানে বিভিন্ন কোম্পানির বোর্ড বাজারে পাওয়া যায়। তবে এখন বোর্ডের বড় উৎপাদক আকিজ বশির গ্রুপ। এ মুহূর্তে আকিজ বশির গ্রুপ প্রায় আট রকমের বোর্ড তৈরি করে।










