ব্যস্ত জীবন ও আধুনিকতার মিশেলে সম্প্রতি গড়ে উঠেছে স্মার্ট কিচেনের ধারণা। স্মার্ট কিচেন মূলত এমন সব রান্নার সরঞ্জামের সমন্বয়, যা রান্নাসংক্রান্ত যেকোনো কাজকে সহজ করে তোলে। রান্নাঘরের কাজকে আরেকটু সহজ করে নিতে তাই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এয়ার ফ্রায়ারের ব্যবহার। এটি মূলত একটি পরিচলন ওভেন। এতে একধরনের ফ্যান থাকে, যা গরম বাতাস সরবরাহ করে আর এ গরম বাতাস ফ্রায়ারের ভেতরে ট্রেতে থাকা খাবারকে অল্প সময়ে সেদ্ধ করে এবং মচমচেও করে। ওজন সচেতন মানুষের জন্য এটিকে আশীর্বাদই বলা চলে।

এছাড়া এয়ার ফ্রায়ারে সামান্য একটু তেল ব্রাশ করেই খাবার ভাজা যায়। অন্যদিকে স্বাভাবিক উপায়ে সেই একই খাবার ভাজতে ৫০ গুণের বেশি তেল লাগে। ঐতিহ্যবাহী ভাজার পদ্ধতির চেয়ে এটি বেশি উপকারী। আর তেলের ব্যবহার একেবারেই সামান্য হওয়ায় খাবার হালকা ও হজমযোগ্য হয়ে ওঠে। যারা ডায়েট করেন বা যাদের কোলেস্টেরল বেশি বা চর্বিযুক্ত খাবার সীমিতভাবে গ্রহণ করেন তাদের জন্য এয়ার ফ্রায়ার একটি গুরুত্বপূর্ণ পদ্ধতি।

এয়ার ফ্রায়ারে মাইক্রোওয়েভ ওভেনের মতো রেডিয়েশন নেই। টাইমার অনুযায়ী অটোমেটিক বন্ধও হয়ে যায়, তাই খাবার পুড়ে যাওয়ার বা অতিরিক্ত রান্না হওয়ারও সুযোগ নেই।

ফ্রায়েড চিকেন, ফ্রেঞ্চ ফ্রাই, সমুচা, শিঙাড়া, স্প্রিং রোল, কাবাব, আলুর চপ ইত্যাদি এয়ার ফ্রায়ারে সহজেই তৈরি করা যায়। এছাড়া যেকোনো সবজি বা চিংড়ি, কোরাল, যেকোনো নরম মাছও বারবিকিউ করা যায় এতে।

আবার সবচেয়ে ভালো দিক হলো খুব সহজে যেমন ব্যবহার করা যায়, তেমনি সহজে পরিষ্কারও করা যায় এ এয়ার ফ্রায়ার।