আমরা যারা আজ এখানে সমবেত হয়েছি আমরা কারো বিরুদ্ধে নই। আমরা শুধু সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পথটা মুক্ত রাখার আহ্বান জানাতে এসেছি। দায়িত্বশীল গণমাধ্যম যেন ভয়হীন পরিবেশে কোনো বাধা ছাড়াই চলতে পারে, সে আবেদন নিয়ে এসেছি। প্রকৃত সাংবাদিকতার পথ রুদ্ধ হলে তথ্যের শূন্যস্থান তৈরি হয়। আর এ শূন্যস্থান দখল করে নেয় ফেক নিউজ বা ভুয়া সংবাদ। যা মানুষকে বিভ্রান্ত করে। সমাজে অস্থিরতা বাড়ায়। এ পরিস্থিতি কখনো মঙ্গল বয়ে আনে না।
গণমাধ্যমের বেশ কয়েকটি উল্লেখযোগ্য দিক হচ্ছে সুশাসন প্রতিষ্ঠা, মানবাধিকারের মূল্যায়ন, আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা, দুর্নীতি দমন বিষয়ে সাম্যক ধারণা প্রদান। এছাড়া অবাধ তথ্যপ্রাপ্তির নিশ্চয়তা এবং দারিদ্র্য বিমোচনে সহায়তা করা। আমি সবসময় সত্যনিষ্ঠ সাংবাদিকতার পক্ষে বলে এসেছি। আমাদের সমাজে এটা অত্যন্ত কঠিন। এখানে ভয় দেখানো হয়, বাধা আসে, সেসব বাধা পার করি। প্রতিটি বাধা আমাদের নতুন সম্ভাবনার দিকে নিয়ে যায়। নতুন স্বপ্ন দেখি, ভাবি এই বুঝি মুক্ত সাংবাদিকতার পথ অবারিত হলো। কিন্তু দেখি আবার অন্য রকম বাধা এসে হাজির হয়। আবার আশাহত হই। আমরা সবাই জানি একজন সাংবাদিকের সত্য বলার সাহস যে সমাজে থাকে সেটাই সুস্থ সমাজ। একজন সাংবাদিক যেখানে নির্ভয়ে কাজ করতে পারবে সেই সমাজই এগিয়ে যাবে। কিন্তু আমাদের দুর্ভাগ্য আমরা সবাই এসব জানি, কিন্তু মানতে চাই না। আমরা যে গণতন্ত্রের কথা বলি তার একটা সংজ্ঞা নিজেই বের করেছি, সেটা হচ্ছে আমার অধীনে তুমি স্বাধীন।










