তবে বৈশ্বিক বাজারে মূল্য অস্থিরতা, আমদানিনির্ভরতা এবং অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতার পাশাপাশি নিরাপত্তা ও অননুমোদিত এলপিজি বটলিং এবং সরবরাহ কার্যক্রম বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। অননুমোদিত বটলিং ও সরবরাহের কারণে সঠিক মান ও নিরাপত্তা প্রটোকল অনুসরণ না হওয়ায় দুর্ঘটনার ঝুঁকি বাড়ছে এবং ভোক্তাদের আস্থা ক্ষুণ্ণ হচ্ছে।
স্বল্পমেয়াদে প্রয়োজন—আমদানি ও সরবরাহ লাইসেন্সিং প্রদান দ্রুততর ও সহজীকরণ, সরবরাহ উৎস বৈচিত্র্যকরণ, মান নিয়ন্ত্রণে কঠোর নজরদারি, অননুমোদিত বটলিং এবং সরবরাহ প্রতিরোধে আইন প্রয়োগ জোরদার করা এবং নিরাপদ বিতরণ ব্যবস্থার নিশ্চয়তা। মধ্যমেয়াদে—বন্দর ও সংরক্ষণাগার সম্প্রসারণ সহজীকরণ, নিরাপদ পরিবহন অবকাঠামো উন্নয়ন, স্থানীয় উৎপাদন সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং নিরাপত্তা প্রশিক্ষণ ও সচেতনতা কর্মসূচি চালু করা জরুরি। দীর্ঘমেয়াদে—এলপিজির পাশাপাশি নবায়নযোগ্য জ্বালানি উৎসে বিনিয়োগ, প্রযুক্তি স্থানান্তর এবং দক্ষ জনবল তৈরি করে একটি টেকসই জ্বালানি রূপান্তর নিশ্চিত করতে হবে।
আমরা বিশ্বাস করি, নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিয়ে এবং অননুমোদিত বটলিং এবং সরবরাহ কার্যক্রম কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণ করে এলপিজি সেক্টরকে শক্তিশালী করার পাশাপাশি বিকল্প জ্বালানি উৎসে ধীরে ধীরে রূপান্তর ঘটাতে পারলেই বাংলাদেশ বৈশ্বিক জ্বালানি অস্থিরতার মধ্যে স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে সক্ষম হবে।
মু. আমিরুল ইসলাম: পরিচালক, লিগ্যাল, কমপ্লায়েন্স, করপোরেট অ্যাফেয়ার্স ও কোম্পানি সেক্রেটারি, পেট্রোম্যাক্স এলপিজি লিমিটেড (এসএইচভি এনার্জি গ্রুপ)










