কনফিডেন্স সিমেন্টের পরিচিতি আছে বেসরকারি খাতের সিমেন্ট শিল্পের পথপ্রদর্শক হিসেবে। চট্টগ্রামে সীতাকুণ্ডের মাদামবিবির হাটে প্রথম এ সিমেন্টের কারখানা স্থাপন করা হয়েছিল। শুরুর দিকে কারখানার বার্ষিক সক্ষমতা ছিল ১ লাখ ৮০ হাজার টন, যা এখন ১২ লাখ টনে দাঁড়িয়েছে। ১৯৯৪ সালের পর ধাপে ধাপে বিনিয়োগের মাধ্যমে কারখানা সম্প্রসারণ করা হয়েছে। পরবর্তী বিনিয়োগ বা সম্প্রসারণ হচ্ছে ঢাকায়। সেটি আলাদা একটি কোম্পানি হিসেবে গঠন হলেও কার্যক্রম চালাবে কনফিডেন্স সিমেন্ট পিএলসির সঙ্গে যোগ হয়ে। শুধু চট্টগ্রাম অঞ্চলেই ব্যবসার প্রসার না করে পুরনো অভিজ্ঞতা ও সুনাম কাজে লাগিয়ে ঢাকাসহ সারা দেশে কনফিডেন্স সিমেন্টকে পৌঁছে দিতেই নতুন এ প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে। কারখানায় ব্যবহার হবে সর্বাধুনিক ভিআরএম প্রযুক্তি।
দেশের জিডিপি আরো বড় হবে। এর সঙ্গে অবকাঠামো নির্মাণের সম্পর্ক রয়েছে, যেখানে সিমেন্ট খাতের থাকবে বড় ভূমিকা। তাছাড়া দেশের বিনিয়োগ বাড়াতে হলে দরকার অবকাঠামোগত উন্নয়ন। এরই উদ্যোগ হিসেবে নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ডাঙ্গায় নির্মাণ হচ্ছে কনফিডেন্স সিমেন্ট ঢাকা লিমিটেডের ১৮ লাখ টন বার্ষিক উৎপাদন ক্ষমতাসম্পন্ন নতুন কারখানা। চট্টগ্রামের সিমেন্ট বাজারের অভিজ্ঞতাকে কাজে লাগিয়ে ঢাকাসহ সারা দেশে ছড়িয়ে দিতেই এটি কনফিডেন্স সিমেন্টের পরিকল্পনামাফিক পদক্ষেপ।
সিমেন্টের গুণগত মান নিশ্চিত করে স্থাপনার স্থায়িত্ব। এটি অধিক সহনশীল না হলে ভূমিকম্পে বিল্ডিংয়ে ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা বেশি থাকে। তাই ভূমিকম্পে বিল্ডিংয়ের ঝুঁকি কমাতে ব্যবহার করতে হয় উন্নত ও ভালো মানের সিমেন্ট, যা নির্মাণকে করবে মজবুত ও দীর্ঘস্থায়ী। দেশে এ গ্রেড ক্লিংকারে তৈরি হয় কনফিডেন্স সিমেন্ট, যা নির্মাণকে করে অধিক ভূমিকম্প সহনশীল এবং টিকিয়ে রাখে যুগের পর যুগ। তাছাড়া সাধারণ সিমেন্টে তৈরি দেয়ালে ড্যাম্প ও ফাটল ধরে খুব সহজে, দেয়াল হয় স্যাঁতসেঁতে। অন্যদিকে, কনফিডেন্স সিমেন্টের দেয়ালে ড্যাম্প ধরে না এবং থাকে ফাটলমুক্ত।





