গত কয়েক দশকে ক্যান্সার একটি প্রধান স্বাস্থ্য উদ্বেগ হয়ে উঠেছে। এটি একটি নীরব ঘাতক, যা প্রায়ই প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা যায় না। রোগের লক্ষণগুলো প্রকাশের আগেই এটি শরীরে ছড়িয়ে পড়তে পারে। বাংলাদেশেও এ মারাত্মক রোগটির ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা লক্ষ করা যাচ্ছে। প্রাথমিক অবস্থায় শনাক্তকরণই এ মারাত্মক রোগ থেকে বাঁচার প্রধান উপায়। জীবনধারা পরিবর্তন যেমন ধূমপান না করা ক্যান্সার হওয়ার ঝুঁকি কমাতে পারে। ক্যান্সারের ওপর ভিত্তি করে রক্তে পিএসএ বা টিউমার মার্কার নির্ণয়, ইউরিন এক্সামিনেশন, ইউরিন সাইটোলজি, আল্ট্রাসাউন্ড, এমআরআই স্ক্যান, সিটি স্ক্যান ও বায়োপসি ইত্যাদি পরীক্ষার দ্বারা সঠিক রোগ নির্ণয় ও ক্যান্সারের গ্রেডিং ও স্টেজিং করে সার্জারি, কেমোথেরাপি, ইমিউনোথেরাপি ও রেডিওথেরাপির মাধ্যমে চিকিৎসা করা যায়। যার সুব্যবস্থা ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতালেই বিদ্যমান।
ক্যান্সার আক্রান্তদের জন্য প্রথম গুরুত্বপূর্ণ হলো সঠিক স্থানে যত দ্রুত সম্ভব সঠিক চিকিৎসা গ্রহণ করা। কারণ ক্যান্সারে যত দ্রুত চিকিৎসা করানো যাবে সুস্থ হওয়ার সম্ভাবনা ততই বাড়বে। ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার একটি ক্যান্সার বিশেষায়িত হাসপাতাল। এক ছাদের নিচে এখানে ক্যান্সারের সব ধরনের চিকিৎসা হয় আন্তর্জাতিক গাইডলাইন মেনেই। একজন ক্যান্সার রোগীর চিকিৎসায় যা যা সুবিধা প্রয়োজন তার সবই রয়েছে ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে।





