বর্তমান সময়ে নারীদের স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হওয়ার হার অনেক বেড়ে গেছে। ২০ বছর বয়সী সব নারীর প্রতি মাসে নিজের হাত দিয়ে ধরে নিজের স্তন একবার হলেও পরীক্ষা করা জরুরি। চাকার মতো কিছু বোধ হলে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নেয়া উচিত। আর ৩৫ বছর বয়সের পরে প্রতি দুই বছর অন্তর মেমোগ্রাম করে স্তন পরীক্ষা করাতে হবে। কারণ আমাদের দেশে চিকিৎসকের কাছে যখন রোগীরা আসেন তখন বেশির ভাগই ক্যান্সারের শেষ ধাপে থাকেন। তখন খুব বেশি চিকিৎসা করার সুযোগও আমাদের হাতে থাকে না। প্রাথমিক পর্যায়ে স্তন ক্যান্সার নির্ণয় করা গেলে এটি পুরোপুরি নিরাময় করা সম্ভব।
অনেকেই মনে করেন দেশে ক্যান্সোরের ভালো চিকিৎসা নেই। কিন্তু ক্যান্সারের চিকিৎসা আসলে কোনো দেশের ওপর নির্ভর করে না। নির্ভর করে ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের পড়াশোনা এবং দক্ষতা, সেই সঙ্গে ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত যন্ত্রপাতির ওপর। সেই সব সুযোগ-সুবিধা যদি দেশেই থাকে তাহলে বিদেশের মতো চিকিৎসা দেশেও করা সম্ভব।
ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টারে ইনিশিয়াল মেমোগ্রাম, আল্ট্রাসনোগ্রাম, কোর বায়োপসি সুবিধাসহ ক্যান্সারের উন্নত চিকিৎসা রয়েছে। ক্যান্সার চিকিৎসায় ব্যবহৃত ছোট ছোট ওয়্যার, হাইড্রোমার্কও রয়েছে। এছাড়া ভালো সার্জিক্যাল ইকুইপমেন্ট, রোগ নির্ণয়ের মেশিন, কেমোরেডিওথেরাপির সুযোগও রয়েছে এখানে। অর্থাৎ ক্যান্সারের পূর্ণাঙ্গ চিকিৎসার জন্য ল্যাবএইড ক্যান্সার হাসপাতাল অ্যান্ড সুপার স্পেশালিটি সেন্টার একটি নির্ভরযোগ্য ক্যান্সার হাসপাতাল।





