আমি একজন সার্জন হিসেবে অনেক ক্যান্সারে আক্রান্ত রোগী পেয়ে থাকি। খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপনের নানান জটিলতা সবকিছু মিলিয়ে বিগত কয়েক বছরে ক্যান্সার রোগীর সংখ্যা বেড়েছে। ক্যান্সার নিরাময় চিকিৎসায় কিন্তু একজন ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ ছাড়াও একটি টিমে থাকেন একজন রেডিওলজিস্ট, সার্জন ও একজন প্যাথলজিস্ট। কীভাবে চিকিৎসা হবে এটি ক্যান্সার বোর্ড নির্ধারণ করে। ক্যান্সার সার্জারিকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করে থাকি। একটি টিউরেটিভ সার্জারি, যে সার্জারির মধ্য দিয়ে আমরা ক্যান্সার কোষকে শরীর থেকে সম্পূর্ণরূপে বের করে ফেলতে পারি। সাধারণত প্রথম পর্যায়ে যখন ক্যান্সার ধরা পড়ে তখন এটি নির্মূল করা সম্ভব। অন্যটি প্যালিয়েটিভ সার্জারি। যখন রোগী লেট স্টেজ নিয়ে আমাদের কাছে আসে এবং ক্যান্সার যখন পুরো শরীরে ছড়িয়ে যায় তখন হয়তো কিছু করার থাকে না তেমন। কিন্তু সার্জারি করলে রোগী একটু ভালো থাকেন। ক্যান্সার বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ অনুযায়ী চললে এ ধরনের রোগী অনেক দিন ভালো থাকতে পারেন। ক্যান্সার চিকিৎসায় সার্জারি একটি পথ মাত্র। যার মাধ্যমে আপনি রোগটির চিকিৎসা করতে পারেন। দ্রুত সার্জারি করে ফেলতে পারলেই ভালো।
ক্ষুধামান্দ্য বা অরুচি থাকা, অতিরিক্ত পরিমাণে ওজন কমে যাওয়া। দেখা যাবে রোগী পর্যাপ্ত পরিমাণে খাবার খাওয়ার পরও তার ওজন কমে যাচ্ছে। এছাড়া অনাকাঙ্ক্ষিতভাবে জ্বর বেড়ে যাওয়াও এ রোগের লক্ষণ। তাই এ পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে হবে, যেন প্রথম পর্যায়েই চিকিৎসা শুরু করা যায়।





