বিশ্ব ক্যান্সার দিবস ২০২৪-এর স্লোগান ক্লোজ দ্য কেয়ার গ্যাপ। অর্থাৎ ক্যান্সার রোগীদের চিকিৎসায় কোনো প্রকার গ্যাপ না রাখা। ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে বিভিন্ন ধরনের ক্যান্সারের চিকিৎসা হচ্ছে। ওরাল ক্যান্সারের চিকিৎসাগুলোর মধ্যে রয়েছে জিভের ক্যান্সার, মাড়ির ক্যান্সার, তালু ও গালের ক্যান্সার। রোগীর মুখের মধ্যে যদি কোনো ঘা দ্রুত বাড়তে থাকে, তাহলে এটি ওরাল ক্যান্সারের লক্ষণ। ওরাল ক্যান্সারের নির্দিষ্ট কোনো কারণ নেই। তবে যারা ধূমপান করেন, পান, জর্দা কিংবা সুপারি বেশি খান তাদের ক্ষেত্রে শঙ্কা থাকে। আবার হিউম্যান প্যাপিলোমা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার মাধ্যমে, ভাঙা দাঁত থেকে ঘষার কারণে। এগুলো আগেই ডায়াগনোসিস করতে পারলে ক্যান্সার প্রতিরোধ করা সহজ হয়। সাধারণত আমরা আগে ক্লিনিক্যালি দেখে নিই ক্যান্সার হয়েছে কিনা। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট পরীক্ষাগুলো ল্যাবএইড ক্যান্সার হসপিটালে সহজেই করে নেয়া যায়। রোগী যদি খুব আর্লি স্টেজে আসে, তাহলে ছোট একটা অংশ কেটে ফেলে দিই। তবে যদি ঘা খুব বড় হয়ে যায় বা ক্যান্সার ছড়িয়ে যায়, সেক্ষেত্রে ক্যান্সার অংশ সম্পূর্ণ ফেলে দিই। মাঝে মাঝে চোয়ালও ফেলে দিতে হয়। সেক্ষেত্রে হাত থেকে বা পা থেকে মাংস নিয়ে ওখানে জুড়ে দিই, যাকে রিকনস্ট্রাকশন বলে। পোস্ট অপারেটিভ, আইসিইউ সবকিছুই আমাদের এখানে খুব ভালো মানের। ক্যান্সার রোগীদের কার্ডিয়াক ডিজিজ, রেসপিরেটরি প্রবলেম ও ডায়াবেটিস থাকলেও তাদের সুচিকিৎসা দেয়ার ক্ষেত্রে ল্যাবএইডের ডেডিকেটেড টিম কাজ করছে।