ঐতিহাসিক মাইলফলক অর্জন করায় বাংলাদেশের জনগণকে বাংলাদেশে অবস্থিত মার্কিন দূতাবাসের পক্ষ থেকে শুভেচ্ছা। বাংলাদেশের অর্থনেতিক অগ্রগতির ধারা চোখে পড়ার মতো। ৫০ বছর আগে যুদ্ধ বিধ্বস্ত একটি দেশ থেকে বর্তমানে বৈশ্বিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে দ্রুত বর্ধনশীল দেশ হিসেবে অবস্থান করে নিয়েছে বাংলাদেশ। বিশ্ব ব্যাংকের তথ্যমতে, ১৯৭২ সালের তুলনায় বাংলাদেশের বর্তমান জিডিপির হার ৫০ গুন বেশি। এটা সত্যিই অতুলনীয়।

এ অঞ্চলে যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবসায়িক পরিধি আরো বিস্তৃত করার জন্য বাংলাদেশের উপর বিশেষ নজর রয়েছে। সম্ভাব্য বিনিয়োগকারীরা ব্যবসায়িক পরিবেশ বিবেচনা করে থাকেন। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে অন্যান্য দেশের সঙ্গে অবশ্যই প্রতিযোগিতায় নামতে হবে, যেখানে ব্যবসায়িক পরিবেশ আরো বেশি সহনশীল। শ্রম অধিকার নিশ্চিত করে দক্ষ শ্রমিক তৈরি, ব্যবসায়িক সহযোগিতাপূর্ণ আইনি কাঠামো গঠন এবং হিডেন ট্যাক্স ও অপ্রয়োজনীয় আমলাতন্ত্র বাদ দিতে পারলে যুক্তরাষ্ট্রের অনেক কোম্পানি বাংলাদেশে বিনিয়োগ করতে পারে।

বিভিন্ন খাতে যুক্তরাষ্ট্রের জন্য বাংলাদেশ একটি অতি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। যেমন- নিরাপত্তা সহযোগিতা, বাণিজ্য, বৈশ্বিক স্বাস্থ্য খাতে অংশীদারত্ব ও জলবায়ু পরিবর্তন সংক্রান্ত বিষয়। যুক্তরাষ্ট্র দূতাবাস মনে করে উভয় দেশের মধ্যে বিনিয়োগ ও বাণিজ্য বৃদ্ধির মাধ্যমে এ সম্পর্ককে আরো গভীর করে তোলা সম্ভব। এ প্রেক্ষিতে আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সহযোগিতা জোরদার করতে প্রস্তুত।

গত ৫০ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশ একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশীদার। আমরা বাংলাদেশের সঙ্গে আমাদের সহযোগিতা এবং দারিদ্র বিমোচনে একসঙ্গে যে অগ্রগতি অর্জন করেছি তা চালিয়ে নিতে প্রস্তুত। যেখানে বাংলাদেশের আকর্ষণীয় অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কিভাবে স্থায়ী করা যায় সে ব্যাপারে নতুন ও উদ্ভাবনী পদক্ষেপ গ্রহণ এবং জলবায়ু পরিবর্তনের মতো বিস্তৃত ইস্যু রয়েছে। আগামী ৫০ বছরে কী কী অপেক্ষা করছে আমরা এ ব্যাপারে খুবই উৎসাহী।