একটা সম্পর্কে একে-অন্যের প্রতি শ্রদ্ধা, ভরসা, চাওয়া-পাওয়া থাকাটাই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছু সম্পর্ক হয় যেখানে একজনের দম বন্ধ হয়ে আসে। এ ধরনের সম্পর্কগুলোই বিষাক্ত বা টক্সিক সম্পর্ক বলে বিবেচিত।
শুধুমাত্র মারধর করলে, গালিগালাজ করলেই যে সেই সম্পর্ক টক্সিক হয়, তা নয়। আরো কয়েকটি বিষয় রয়েছে, যা চোখে আঙুল দিয়ে বলে দেয় যে, আপনি একটা টক্সিক সম্পর্কে রয়েছেন। অবিলম্বে সেখান থেকে বেরিয়ে যাওয়া উচিত।
যোগাযোগহীনতা
সম্পর্কে থাকতে গেলে বন্ধু হওয়া ভীষণ জরুরি। একে-অন্যের কথা শোনা জরুরি। কিন্তু ওপর পাশের মানুষটা যদি আপনার কথা না শোনে, আপনাকে না বোঝে, আপনার চাওয়া-পাওয়াকে গুরুত্ব না দেয়, তা হলে বুঝবেন, এই সম্পর্কে থাকার কোনো অর্থ নেই। সম্পর্কের ভিতই হল যোগাযোগ। সেটা না থাকলে সম্পর্ক জটিল হতে শুরু করে।
নিয়ন্ত্রকের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়া
একজন যদি ক্রমাগত অন্য জনের ওপর জোর খাটাতে থাকে, তাকে ছোট ছোট বিষয় নিয়ে চাপ দিতে থাকে, তা হলে সেটা অবশ্যই টক্সিক আচরণ। সঙ্গী যদি আপনার ইচ্ছের বিরুদ্ধে গিয়ে আপনাকে কোনো কাজ করার জন্য জোর করে তাহলে বুঝবেন তিনি মারাত্মক টক্সিক। যে আপনার সিদ্ধান্তকে গুরুত্ব দেয় না, সম্মান করে না, নিজের সিদ্ধান্ত আপনার ওপর চাপিয়ে দিতে চায়, সেখানে না থাকাই আপনার জন্য ভালো।
গুরুত্ব না দেয়া
আপনাকে গুরুত্ব দেয় না যে মানুষ, তার সঙ্গে জীবন কাটানোর কথা ভুলেও ভাববেন না। আপনি কোথায় যাচ্ছেন, কার সঙ্গে যাচ্ছেন, কার সঙ্গে কথা বলছেন এ সব নিয়ে যে সারাক্ষণ আক্রমণাত্মক হয়ে থাকে এবং অশান্তি করে, বুঝবেন এটা টক্সিক রিলেশনশিপ। এমন সম্পর্ক মোটেও স্বাস্থ্যকর নয়।
বিশ্বাস না করা
আপনাকে যদি আপনার সঙ্গী বিশ্বাস না করে, আপনাদের দু’জনের মধ্যে যদি ভরসার জায়গা তৈরি না হয়, সেখানে ভালোবাসা থাকতে পারে না।
সুপিওরিয়রিটি কমপ্লেক্স
আপনার সঙ্গী যদি প্রতি মুহূর্ত সকলের সামনে আপনাকে ছোট করে, প্রতি পদক্ষেপে আপনাকে জাজ করে, সবসময় নিজেকেই প্রাধান্য দেয় এবং ভাবে যে তিনি যা বলছেন, যা করছেন তাই সঠিক তাহলে সেখান থেকে বেরিয়ে আসুন। এই ধরনের সম্পর্ক মোটেই ভালো হয় না। এগুলোও টক্সিক রিলেশনশিপের লক্ষণ।










