পুরো সিরিজজুড়েই সফরকারী শ্রীলংকার ওপর আধিপত্য দেখিয়েছে ইংল্যান্ড। আগেই সিরিজ হার নিশ্চিতের পর এবার চারিথ আসালাঙ্কার দল ৩-০ ব্যবধানে ধবলধোলাই হয়েছে। এর মধ্য দিয়ে ভারতকে সরিয়ে আইসিসি টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষে ফিরেছে হ্যারি ব্রুকের ইংল্যান্ড।

সিরিজের তৃতীয় ও শেষ টি-টোয়েন্টিতে ইংলিশ পেসারদের দুর্দান্ত বোলিংয়ে শ্রীলংকাকে মাত্র ১২৪ রানে অলআউট হয়ে যায়। এরপর মাত্র ৯.৪ ওভারেই ৮ উইকেট হাতে রেখে লক্ষ্যে পৌঁছে যায় স্বাগতিকরা। এ ম্যাচের আগে শীর্ষে থাকা ভারতের সমান ২৬৯ রেটিং নিয়ে টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের দুইয়ে ছিল ইংলিশরা। সেটিতে কোনো নড়চড় না হলেও পয়েন্ট বাড়িয়ে নিয়ে তারা শ্রেয়াস আইয়ারের দলকে টপকে গেছে।

আগের দুই ম্যাচে ১৩৫-১৪৫ রানের গণ্ডিতে আটকে ছিল শ্রীলংকা। শেষ ম্যাচে ম্যানচেস্টারের ওল্ড ট্রাফোর্ডে আগে ব্যাট করতে নেমেও তারা সেই সীমানায়ও যেতে পারল না। যদিও তাদের শুরুটা ছিল অন্যরকম। জোফরা আর্চারের প্রথম ওভারে ১৫ রান ওঠার পর সনি বেকারের প্রথম বলে বল আকাশে তুলে দেন লাহিরু উদারা (১০)। এরপর লংকানদের কোনো জুটিই বড় হয়নি। দলের পক্ষে পাথুম নিশাঙ্কা ২৪ বলে ২ চার ও ৩ ছক্কায় ৩৬ রান করেছেন।

২৮ বলে ৩ চার ও ২ ছক্কায় ৩৫ রান করা কামিন্দু মেন্ডিসকে ফিরিয়েছেন আর্চার। এরপর আর কেউই উল্লেখযোগ্য রান না পাওয়ায় ১৮.৫ ওভারেই ১২৪ রানে গুটিয়ে যায় লঙ্কানদের ইনিংস। ইংলিশদের পক্ষে সনি বাকের, আর্চার ও উইল জ্যাকস দুটি করে উইকেট নিয়েছেন। ৪ ওভারে মাত্র ১৫ রানের মিনিয়ে এক উইকেট নেন জেমি ওভারটন।

ইংল্যান্ডের শক্তিশালী ব্যাটিং লাইনআপের সামনে ১২৫ রানের লক্ষ্য চ্যালেঞ্জ হওয়ার কথা ছিল না। ওপেনার অ্যানিউরিন ডোনাল্ড ১৩ রানে আউট হলেও জস বাটলার ও হ্যারি ব্রুক দ্বিতীয় উইকেটে ৮৫ রানের জুটি গড়ে অনায়াসে রান তাড়া করতে থাকেন। ৩৩ রানে ব্রুক রানআউট হলে বাটলার ছক্কা মেরে ম্যাচ শেষ করেন। সাবেক এ অধিনায়ক ৩২ বলে ৭ চার ও ২ ছক্কায় ৬১ রানে অপরাজিত থাকেন।

ঘরের মাঠে টি-টোয়েন্টিতে বলের হিসাবে (৬২ বল বাকি) সবচেয়ে বড় জয় পেল ইংল্যান্ড। একইসঙ্গে ৩-০ ব্যবধানে সিরিজও শেষ হলো ৮ উইকেটের ব্যবধানে। এর সঙ্গে বাড়তি হিসেবে পেল টি-টোয়েন্টি র‌্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষস্থান। ২০২৪ সালে ব্রুক অধিনায়ক হওয়ার পর ২৬টি সম্পূর্ণ হওয়া টি-টোয়েন্টির মধ্যে এটি ইংল্যান্ডের ২৩তম জয়।