‘নববর্ষের ঐকতান, ফ্যাসিবাদের অবসান’ এ প্রত্যয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে চারুকলা অনুষদের অনুষ্ঠিত হয়েছে বর্ষবরণ আনন্দ শোভাযাত্রা। শোভাযাত্রায় এ বছর ২৮টি জাতিগোষ্ঠী, বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ বিভিন্ন দেশের অতিথিরা অংশ নেন।

শোভাযাত্রা বর্ণিল মুখোশ, রঙিন পোস্টার, প্ল্যাকার্ড ও ঐতিহ্যবাহী সাজসজ্জায় উৎসবমুখর হয়ে ওঠে। সকাল থেকেই লাল পাড়ের সাদা শাড়ি পরিহিত তরুণী-নারী, পাঞ্জাবি পড়া তরুণ এমনকি রঙিন সাজে শিশুরাও ঘরের বাইরে বের হন। ফিলিস্তিনের প্রতি সংহতি জানিয়ে এতে ফিলিস্তিনের পতাকা ও প্রতীকী মোটিফ যেমন- তরমুজের ফালি ব্যবহৃত হয়।

এবারের শোভাযাত্রায় ৭টি বড়, ৭টি মাঝারি ও ৭টি ছোট মোটিফসহ মোট ২১টি শিল্পকর্ম প্রদর্শিত হয়। মূল মোটিফ ছিল ‘স্বৈরাচারের প্রতিকৃতি’। এ ছাড়াও শোভাযাত্রায় পায়রা, মাছ, বাঘ এবং আলোচিত ‘মুগ্ধর পানির বোতল’-এর শিল্পরূপ প্রদর্শিত হয়। আনন্দ শোভাযাত্রা নানা দৃশ্য ক্যামেরাবন্দী করেছেন বণিক বার্তার ফটোসাংবাদিক কাজী সালাহউদ্দীন রাজু।